September 20, 2018

ফুলবাড়ী থানার আবাসিক ভবন গুলো ভাঙ্গাচুরা- জরাজির্ন, বসবাসের অনুপোযোগী

unnamed

মেহেদী হাসান উজ্জ্বল,ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি :
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী থানার আবাসিক ভবন গুলো ভাঙ্গাচুরা জরাজির্ন ও বসবাসের অনুপোযোগী হওয়ায়, পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করতে পারছেনা, থানার কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফুলবাড়ী থানার অফিস কার্য্যলয়টি নতুন আধুনিক ভবন হলেও, কর্মকর্তা কর্মচারীদের বসবাস করার আবাসিক ভবন গুলো এখন সবেই পরিত্যাক্ত। এই ভবন গুলো কখন নির্মান করা হয়েছে, তা সঠিক কেউ বলতে না পারলেও, ওসি’র বাসার প্রধান ফটকে দেয়ালে চাঁন তারা খোদাই করা মার্কা আছে, এতে বুঝা যায়, স্বাধীনতার ৪৫ বছরেও এই ভবন গুলো কোন প্রকার সংস্কার বা মেরামত করা হয়নি। দির্ঘ দিন আবাসিক ভবন গুলো সংস্কার না করায়, এখন পরিত্যাক্ত ভবনে পরিনত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ এই ভবন গুলো গত কয়েক বছর আগেই পরিদর্শন করে, পরিত্যাক্ত ঘোষনা করলেও, এখন পর্যন্ত কোন নতুন ভবন নির্মান করেনি।
ফুলবাড়ী থানার ওসি মোকসেদ আলী বলেন, বর্তমানে এই থানায়, একজন ওসি, একজন পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত, নয় জন উপ-পুলিশ পরিদর্শক, ছয় জন সহকারী উপ-পরিদর্শক, ২০জন পুলিশ সদস্য ও তিন জন মহিলা পুলিশ সদস্য কর্মরত আছেন। এদের কারো থানা ক্যাম্পাসে বসবাসের কোন বাড়ী নাই, নিরাপত্তার কারনে থানার বাহিরেও বসবাস করতে পারছেনা। ফলে তারা সকলে পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছে। তিনি বলেন, পরিত্যাক্ত ভবন হলেও, জিবনের ঝুকি নিয়ে তিনি নিজে একা বসবাস করেন, থানা ক্যাম্পাসের মধ্যে, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও কয়েক জন উপ-পুলিশ পরিদর্শক পরিবার নিয়ে, থানা ক্যাম্পাসের বাহিরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন, কিন্তু পুলিশ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ছুটতে হয়, এজন্য তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে।
ওসি মোকসেদ আলী বলেন, এই থানাটি অতিপ্রাচিন, পৌর শহরের গৌরীপাড়া মৌজায় ৩ দশমিক ৪২ একর জায়গায়, দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে অবস্তিত। থানাটির প্রধান কার্য্যলয় ছাড়াও আবাসিক ভবনের জন্য অনেক জায়গা আছে, এখানে থানার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বসবাসের আবাসিক ভবন নির্মান করা হলে, এখানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের সুবিদাসহ সরকারের রাজস্ব্য আয়ও বৃদ্ধি পাবে। এব্যাপারে স্থানীয় মহল গণপুত বিভাাগের নেক দৃষ্টি কামনা করেছেন।

Related posts