September 23, 2018

‘‌শেখ হা‌সিনার কিছু হ‌লে আগুন জ্বল‌বে’

আওয়ামী লী‌গের বিরু‌দ্ধে ষড়যন্ত্রকারীরা চক্রান্ত ক‌রে যা‌চ্ছে উল্লেখ করে আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক প‌রিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কা‌দের ব‌লে‌ছেন, “আওয়ামী লী‌গের বিরু‌দ্ধে ষড়যন্ত্র চল‌ছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা চক্রান্ত ক‌রে রেহাই পা‌বে না। আমি স্পষ্ট বল‌তে চায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার য‌দি কিছু হয়, ত‌বে সারা‌দে‌শে আগুন জ্বল‌বে”।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর নগর ভব‌নে বঙ্গবন্ধুর স্ব‌দেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপল‌ক্ষে ঢাকা দ‌ক্ষিণ সি‌টি কর‌পো‌রেশ‌নের কাউ‌ন্সিলর‌দের নি‌য়ে এক প্রস্তু‌তি সভায় প্রধান অ‌তি‌থির বক্ত‌ব্যে তি‌নি এ মন্তব্য ক‌রেন।
তিনি বলেন, “১৯৭৫ আর ২০১৭ সাল এক নয়। ৭৫ সালের বঙ্গবন্ধু অপেক্ষা ২০১৭ সালে সেই বঙ্গবন্ধু হাজারগুণ শক্তিশালী। তার রক্ত আর্দশে উত্তরসুরী শেখ হাসিনাও অনেক বেশি শক্তিশালী।”
“গাইবান্ধায় সংসদ লিটনকে মেরে টেষ্ট কেস চলছে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, ষড়যন্ত্র চলছে। জনগনের ভোটে নির্বাচিত আওয়ামী লীগকে আর পরাজিত করা যাবে না। তাই আজ ষড়যন্ত্রকারীরা চক্রান্তের চোরাগলিতে এসে গিয়েছে। আমি বলতে চাই শেখ হাসিনার কিছু হলে সারা বাংলাদেশে আগুন জ্বলবে। সেই আগুনের লেলিহান শিখায় ষড়যন্ত্রকারীরা ছাই হয়ে যাবে।”
তিনি বলেন,“ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন বছরের প্রথম সাম্প্রদায়িক হামলা। লিটনকে কারা হত্যা করেছে তা সারাদেশের মানুষের জানা হয়ে গেছে। এই হত্যা জনগণের ভোটে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকারের বিপক্ষে পুরনো ষড়যন্ত্রেরই আরেক রূপ।”
“লিটন হত্যার পর তার নির্বাচিত এলাকায় যে জনপ্রতিরোধ গড়ে উঠেছে। তাতেই প্রমাণ করে লিটনের কী জনপ্রিয়তা ছিলো। কোন প্রকৃতির নেতা ছিলো।”
আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক বলেন, “আওয়ামীলীগের ২০ তম সম্মেলনের পর দলটি নবচেতনায় উদ্বেলিত হয়ে যাত্রা শুরু করেছে। এখন আওয়ামীলীগের যেকোনো সমাবেশেই জনপ্রতিনিধি ও তাদের ভোটারদের অংশগ্রহণে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। সুতরাং এই দলের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র করে পার পাওয়া যাবে না।”
১০ জানুয়ারির জনসভা সফল করতে সকলের সহযোগীতা চেয়ে কাদের বলেন, “এবছরের ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সর্বকালের সর্ববৃহৎ জনসভায় পরিণত হবে। এই দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদের বিপক্ষে নবজাগরণ ও গণজোয়ার অটুট রাখার জন্য সকল নেতাকর্মী ও দেশের সুর্বশ্রেণীর মানুষের উদ্দেশ্যে বিশেষ বক্তব্য প্রদান করবেন।’
মেয়র সাঈদ খোকনের সফলতার বিষয়ে ওবায়দুল তাদের বলেন, ‘ঢাকা সিটি করপোরশেনের উন্নয়ন তখনেই বুঝবো যখন এই এলাকায় খাদ্য ভেজাল থেকে মুক্ত হবে, এই এলাকার তরুণ প্রজন্ম মাদক মুক্ত হবে। আমি মনে করি খোকন উদ্যোমী নেতা সে পারবে।”
“১০ জানুয়ারি জনসভা সফল করতে আমি গতকাল একটি থানায় কর্মী সভা করেছিলাম। যা অতীতে কেউ করে নাই। এ সভাটি কর্মী সভায় না থেকে জনসভায় রূপ নিয়েছিল। তাই আমি নগর নেতাদের বলছি জনসভার আগে একটি দিন আমি সূত্রাপুরে যেতে চাই।”
প্রস্তু‌তি সভায় অন্য‌দের ম‌ধ্যে উপ‌স্থিত ছি‌লেন, আওয়ামী লী‌গের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হা‌নিফ, সাংগঠ‌নিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউ‌দ্দিন না‌ছিম, এনামুল হক শামীম, দ‌লের দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, ঢাকা মহানগর দ‌ক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শা‌হে আলম মুরাদ প্রমুখ।

Related posts