November 21, 2018

৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে লন্ডনে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ ।

৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে লন্ডনে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ । img_20170105_144158
 
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান ।
 
মুহাম্মদ নূরে আলম ( বরষণ) লন্ডন থেকে । 
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে ‘গনতন্ত্র হত্যা দিবস’  আখ্যায়িত করে গত  ৫ জানুয়ারি  বৃহস্পতিবার  ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়ে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ।
 
দুপুর টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলা এ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিক্ষোব্দ নেতাকর্মীর শ্লোগানে এলাকা প্রকম্পিত হয়ে উঠে। এসময় তারা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন প্রদর্শন করে অবৈধ  সরকারের ভোট চুরির প্রতিবাদ জানায়। যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সভাপতি এম এ মালিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে ব্রিটেনের বিভিন্ন জোনের নেতৃবৃন্দসহ , যুক্তরাজ্য যুবদল , স্বেচ্ছাসেবক দল, আইনজীবী ফোরাম , জাসাস ও মহিলা দলের শত শত নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।
 
বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান,বলেনআমাদের বিক্ষোভ শেখ হাসিনার চরমআমানবিকঅনৈতিক  স্বৈরাচারী আচরণের বিরুদ্ধে।বাংলাদেশের জনগণ তার অত্যাচার নির্যাতনের কারণে তাদেরগণতান্ত্রিক অধিকার পালন করতে পারছে নাতাই আমরাপ্রতিাবদ জানাচ্ছি। ৫ জানুয়ারির অবৈধ নির্বাচনে  বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বীতায় ১৫৪ আসনে নিজেদের বিজয় দেকিয়ে গণতন্ত্রের কবর রচনা করে  অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাদেশে বাকশাল কায়েম করেছেন। তিনি অবিলম্বে সকল দলের ঐকমতের ভিত্তিতে একটি  শক্তিশালী নিরেপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের জোরদাবী জানান।
 
যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সভাপতি এম এ মালিকের তার বক্তব্যে বলেন, শেখ হাসিনা যতোদিন অবৈধ ক্ষমতা  আঁকড়ে থাকবে
ততোদিন আমরা তা বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো দেশেরস্বাধীনতাসার্বভৌমত্বজনগণের জানমালের নিরাপত্তা শের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যেসব বাহিনী রয়েছে
তাদেরকে বিরোধী দল  মতের নেতাকর্মীদের দমনের জন্যব্যবহার করছেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের মানুষের ভোটেরঅধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতা দখল করে প্রতিনিয়তমানবাধিকার লঙ্ঘন করছেন শেখ হাসিনা। তাই গণতন্ত্রেরপাদপীঠ ব্রিটেনে তার বিরুদ্ধে মরা বিক্ষোভ  প্রতিবাদসমাবেশ চালিয়ে যাচ্ছি।
 
সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদ বলেনক্ষমতা দখলেরপর থেকে এই ফ্যাসিস্ট সরকারবিরোধী দলে নেতাকর্মীদেরহত্যাগুম  নির্যাতন চালাচ্ছেন তা ১৯৭১ সালের পাকবাহিনীর বর্বরতাকেও হার মানায়। অত্যাচার  নির্যাতনচালিয়ে কোনো সরকারই টিকে থাকতে পারেনি আর শেখহাসিনাও পারবেনা। অবৈধ সরকার দুর্নীতির মাধ্যমে দেশে অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিচ্ছে । বাংলাদেশের জনগণ তাকে টেনে হিঁচড়েক্ষমতা থেকে নামাবে।
 
বক্তারা বলেন, আমাদের আন্দোলন সংগ্রাম চলছে চলবে, বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে না আসা পর্যন্ত । বর্তমান অবৈধ সরকার ক্ষমতাকে দীর্ঘ করতে বিএনপি জামায়াতের নেতা কর্মীদের উপরে গুম খুন নির্যাতন চালাচ্ছে। 
 
বিএনপির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, 
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, যুক্তরাজ্য বিএনপির প্রধান উপদেস্টা শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুস, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান মুজিব, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহ-সভাপতি এম লুৎফর রহমান, শেখ শাসুদ্দিন শামিম, মোঃ গোলাম রাব্বানি, প্রফেসর এম ফরিদ উদ্দিন, গোলাম রাব্বানী সোহেল, উপদেষ্টা তইমুছ আলী,সলিসিটর ইকরামুল হক মজুমদার,  মানবাধিকার সংগঠক ফরিদুল ইসলাম, এস এম মাহবুব, শেখ তরিকুল ইসলাম, হাসিবুল হাসান, নাসের খান অপু উকিল , সালেহ আহমেদ জিলান, সাংবাদিক মুহম্মদ নূরে আলম, সাংবাদিক মাহবুব আলী খানশূর, মুহম্মদ মোশারফ হোসেন ভূইঁয়া, 
যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক সহিদুল ইসলাম মামুন, কামাল উদ্দিন, শরিফুজ্জামান চৌধুরী তপন,নাসিম আহমেদ চৌধুরি, আলহাজ সাদিক মিয়া, মেসবাউজ্জামান সোহেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম, আজমল হোসেন চৌধুরী জাবেদ,যুক্তরাজ্য যুবদলেরআহ্বায়ক দেওয়ান মকাদ্দেম চৌধুরী নিয়াজ, খস্রুজ্জামান খসরু,  কে আর জসিম, কোষাধক্ষ্য আব্দুস সাত্তার, দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসান জাহিদ, যুব বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হামিদ খান হেভেন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক তাজবির চৌধুরী শিমুল,ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আবু নাসের শেখ, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আখতার মাহমুদ,  সহ-দফতরসম্পাদক সেলিম আহমেদ, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট লিয়াকত আলী, সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক খিজির আহমেদ, সহ ক্রীড়া সম্পাদক সরফরাজ আহমদে সরফু, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জাহিদ হাসান গাজি,
যুক্তরাজ্য বিএনপির সদস্য কামাল চৌধুরী, আব্দুল বাসিত বাদশা, বাবুল আহমেদ চৌধুরী, এ জে লিমন, হেলাল উদ্দিন, শামিম আহমেদ, আরিফ মাহফুজ, হাবিবুর রহমানি, আমিনুর রহমান আকরাম।
যুক্তরাজ্য বিএনপির বিভিন্ন জোনাল কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, লন্ডন মহানগর বিএনপির সভাপতি তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবেদ রাজা, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ চৌধুরী, তারু মিয়া, আশরাফ গাজি, এস এম লিটন, আব্দুস সামাদ, জুয়েল আহমেদ, মুস্তাক আহমেদ, সেবুল মিয়া, , মিসবাহ উদ্দিন, মোঃ রফিকুল ইসলাম,  নুরুল ইসলাম, পারভেজ কবির, আবদুল হান্নান, রুহুল ইসলাম রুলু,  সৈয়দ জমশেদ আলী, আব্দুল খালিক, আবজার হোসেন, কাদির মিয়া, জয়নাল কোরেশী, হেলাল উদ্দিন , আওলাদ হোসেন, মনসুর রহমান শাহী, মোঃ সেলিম, আবদুল হাই, মঞ্জুর আহমেদ শাহনাজ, ফয়জুল ইসলাম, জুলফিকার আলী,
বিএনপি নেতা ইশতিয়াক আহমেদ দুদু, পাভেল আহমেদ, শাহেদ উদ্দিন চৌধুরী, মেসবাহুল বাবু, আব্দুল গফফার, সাহেল আহমেদ ওয়াদুদ, মো: আব্দুল গাফফার শাহীন, নজরুল ইসলাম খান, ফরিদ উদ্দিন, আব্দুল কুদ্দুস, ফয়সল আহমেদ, তারেক চৌধুরী, তোফায়েল হোসেন মৃদা, সৈয়দ জিয়াউর রহমান, মাসুক আহমেদ, আলাল উদ্দিন।
জাতীয়তাবাদী ল’ ফোরাম যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি ব্যারিস্টার আবুল মনসুর শাহজাহান, ব্যারিষ্টার হামিদুল হক লিটন আফিন্দি, সিনিয়র সহ সভাপতি আবু ইলিয়াছ, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত  সভাপতি  মিসবাহ বি এস চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, জাসাস সভাপতি এমএ সালাম, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, মহিলা দল আহ্বায়ক ফেরদৌস রহমান, সদস্য সচিব অঞ্জনা আহমেদ,
 যুক্তরাজ্য যুবদলের সাবেক সভাপতি রহিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সোয়ালেহিন করিম চৌধুরী,  যুবদলনেতা আছাব আলী, আফজাল হোসেন,  বাবর চৌধুরী, আক্তার হোসেন শাহিন, নুরুল আলী রিপন,  স্বেচ্ছাসেবক দলের, লাকুরিয়া, শরিফুল ইসলাম, তুরন মিয়া, আজিম উদ্দিন, শিরিন আক্তার,  সোলাইমান খান, জুল আফরোজ, ফিরোজ আলম, ফজলে রহমান পিনাক, জাসাসের শওকত হোসেন, বদরুল ইসলাম,  লাকী আহমেদ , আব্দুল আহাদ, বাকি বিল্লাহ, কামরুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম মিরাজ, আমিনুল ইসলাম, ইমতিয়াজ আহমেদ তামিম, মো: সাফিউল  ইসলাম মুরাদ, রেজাউল করিম রিকি, মনির আহমেদ, রেজান জামান, মাসুদুর রহমান প্রমূখ।    
 

Related posts