November 15, 2018

১০০ ওভারের খেলা ৩৬ ওভারেই শেষ

কিউইরা আফসোস করে বলতেই পারে, ইশ, শ্রীলঙ্কা যদি আর কয়েকটা রান বেশি করত! আক্ষেপটা করতেই পারেন মার্টিন গাপটিল, ৭ রানের জন্য হলো না বিশ্বরেকর্ড। মাত্র ৩০ বলে অপরাজিত ৯৩ রান করেন তিনি। তার পার্টনার অপর ওপেনার টম লাথামের অবদান মাত্র ১৭ রান। আর কোরি এন্ডারসন হয়তো মনে মনে ধন্যবাদ দিতেই পারেন লঙ্কানদের।

নিউজিল্যান্ড সফরে লঙ্কানদের দুর্দশা কমছে না। টেস্ট সিরিজ হারের পর ওয়ানডেতে আরো বাজে অবস্থা। ১ম ওয়ানডেতে কোনোমতে ১৮৮ রান করেছিল। গাপটিল-ম্যাককালাম ঝড়ে সহজেই রান তাড়া করে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যান। ১৭৪ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কিউইরা। দ্বিতীয় ম্যাচে ২৫০ বল হাতে রেখে জয় পেয়েছে ১০ উইকেটের।

আগের ম্যাচে যেখানে থামছিলেন সেখান থেকেই শুরু করলেন মার্টিন গাপটিল। তবে রূপ ছিল আরো ভয়ংকর। শুরুতেই বোলারদের উপর চড়াও হয়ে ব্যাট চালাতে থাকেন। এত অল্প রানের টার্গেটেও গাপটিল ছিলেন বিধ্বংসী। ৮ ছক্কা ও ৯ চারে ৩০ বলে ৯৩ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেন মার্টিন। মাত্র ৮.২ ওভারেই শেষ করে দেন ইনিংস। শ্রীলঙ্কার ইনিংস শেষ হয়ে যায় মাত্র ২৭ ওভার ৪ বলে। ১০০ ওভারের খেলা শেষ হয় মাত্র ৩৬ ওভারেই!

ক্রাইশচার্যে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন লঙ্কান অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। মাত্র ২০ রানে উইকেট পতন শুরু হয়। ব্যক্তিগত ৭ রানে হেনরির বলে টেইলরকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিলকারত্নে দিলশান। এরপর একের পর এক উইকেট পড়তেই থাকে। দলীয় ২৯ রানে থিরিমান্নে, ৩১ রানে গুনাথিলাকা, ৫৪ রানে চান্দিমাল, ৫৬ রানে ম্যাথিউস, ৮১ রানে শ্রীবর্ধনা, কাপুগেদারা ও সেনানায়েকে, ৯৪ রানে চামিরা ও ১১৭ রানে ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে কুলাসেকারার উইকেট দিয়ে।

লঙ্কানদের পক্ষে সর্বোচ্চ ১৯ রান করেন কুলাসেকারা, এ ছাড়াও গুনাথিলাকা ও অধিনায়ক ম্যাথিউস ১৭ রান, শ্রীবর্ধনা ও কাপুগেদারা করেন ১২ রান। বাকিরা সব মোবাইলের ডিজিট।

নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন ম্যাট হেনরি। ৯.৪ ওভারে ২টি মেডেনসহ ৩৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি। মিচেল ম্যাক্লেনাগান ৩২ রানে ৩ উইকেট নেন। ইস সোধী ও ব্রাসওয়েল নেন ১টি করে উইকেট।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts