November 16, 2018

”স্বাধীনতার ইতিহাস ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে”

সদেরা সুজন সিবিএনএ কানাডা থেকে।। পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মদিবস উপলক্ষে কানাডার বাংলাদেশ হাই কমিশনের পক্ষ থেকে রাজধানী অটোয়ায় এবং প্রধান বাণিজ্যিক নগরী টরন্টোয় শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এ বছর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল যথক্রমে “আমাদের বাংলাদেশ” (ক গ্রুপ – ৫ হতে ৮ বছর বয়সী শিশুদের জন্য) এবং “বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা” (খ গ্রুপ – ৯ হতে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য)।রচনা প্রতিযোগিতার বিষয় ছিলো – “বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা”।

এ উপলক্ষে ১২ই মার্চ অটোয়ায় বাংলাদেশ হাই কমিশন কার্যালয়ে এবং ১৮ই মার্চ টরন্টোর ড্যানফোর্থ এভিনিউয়ের বাংলাদেশ সেন্টার এন্ড কমিউনিটি সার্ভিসেস -এ প্রতিযোগিতা দু’টির আয়োজন করা হয়। গ্রেটার টরন্টোর বিভিন্ন এলাকার ৪০ জন শিশু টরন্টোয় অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতাটিতে অংশগ্রহণ করে। রঙের তুলিতে তারা অঙ্কিত করে প্রিয় মাতৃভুমি বাংলাদেশ এবং আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।​​প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন​ কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার কামরুল আহসান। ​ ​​​অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করে​​ন বাংলাদেশ আর্ট সোসাইটি অব নর্থ আমেরিকার সদস্যবৃন্দ। বাংলাদেশ হাই কমিশনের প্রথম সচিব দেওয়ান মাহমুদ, আর্ট সোসাইটির সম্পাদক নীল উৎপল দেবনাথ এবং বাংলাদেশ সেন্টারের পরিচালক কাজী সিরাজ উদ্দিন​সহ​ অন্যন্য কর্মকর্তাগণ এ সময় উস্থিত ছিলেন। ​
এর আগে ​​অটোয়ার প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ হাই কমিশনর কার্যালয়ে ১২ই মার্চ।প্রতিযোগিতায় অটোয়ার বিভিন্ন প্রান্তের বাংলা স্কুলসমূহ থেকে ১৫ জন শিশু অংশগ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের কেক কেটে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার কামরুল আহসান এবং তাঁর সহধর্মিনী মিসেস সায়রা নাজনীন আহসান। বাংলাদেশর হাই-কমিশনের প্রথম সচিবত্রয় দেওয়ান মাহমুদ, আলাউদ্দিন ভুঁইয়া এবং অপর্ণা রাণী পাল ও দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ​

অটোয়া এবং টরন্টো – ​উভয় শহরের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা উদ্বোধনী বক্তব্যে ​কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার কামরুল আহসান​ ​বলেন, বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু এক ও অভিন্ন সূত্রে গাঁথা। তাঁর জীবনী এবং কর্মের উপর শিশুদেরকে জানানোর প্রয়াস থেকে তাই প্রতি বছর বাংলাদেশ হাই কমিশন শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। তিনি জাতির জনকের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে প্রবাসী বাংলাদেশী শিশুদেরকে আরো বেশি করে জানানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য সবাইকে কাজ করে যেতে হবে। আর একথা অবশ্যই আমাদের আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে যে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবির্ভাবের মধ্য দিয়েই দীর্ঘ দিনের পরাধীনতার শিকল পেরিয়ে, তাঁরই বলিষ্ঠ নেতৃত্বে, স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে। ​​

উল্লেখ্য, উভয় প্রতিযোগিতায় সমন্বিত ফলাফলের ভিত্তিতে বাংলাদেশ হাই কমিশন কর্তৃক বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।

Related posts