November 13, 2018

স্থল বন্দর ট্রাফিক পরিদর্শক পদান্নতিতে ব্যাপক দূর্ণীতি

ছবিঃ মিতা বিশ্বাস

মহসিন মিলনঃ বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থল বন্দর বেনাপোল স্থল বন্দরে ট্রাফিক পরিদর্শক পদ থেকে সহকারী পরিচালক পদে পদান্নতির জন্য ব্যাপক অনিয়ম দূর্ণীতি ও অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এক অভিযোগে জানা গেছে, বেনাপোল স্থল বন্দরে কিছু ট্রাফিক পরিদর্শককে সহকারী পরিচালক পদে পদোন্নতি দেওয়া হবে। আর এই পদোন্নতি নিয়ে বেনাপোল বন্দরে চলছে ব্যাপক অনিয়ম দূর্ণীতি ও অর্থ বানিজ্যে। যে কারনে বন্দরে চলছে চাপা ক্ষোভ।

সূত্রে জানা গেছে, অনিয়মের মাধ্যমে গত ২০০৪ সালে সে সময়ে দায়িত্ব থাকা কর্মকর্তরা তাদের আতিœয় স্বজনদেরকে ক্ষমতার জোরে ট্রাফিক পরিদর্শক পদে চাকুরিতে নিয়োগ দেন। জানা গেছে, ২০০৪ সালের ৩১/১০/২০০৪তারিখে নিয়োগ পত্র ডাক যোগে পাঠিয়ে দিয়ে পরদিন ০১/১১/২০০৪ তারিখে নিয়োগ প্রাপ্তরা চাকুরিতে যোগদান করেন। অভিযোগে আরও জানা গেছে, গত ২০০৪ সালের ১৮ মে বিভিন্ন দৈনিকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর নিয়োগ কমিটির দায়িত্বে ছিলেন স্থল বন্দরের কর্মকর্তা শামসুর আলম ও আব্দুল মতিন। তারা এ দায়িত্ব পেয়ে তাদের নিকটাতিœয়দেরকে নিয়োগ দেন। বর্তমানে সেই নিয়োগের ট্রাফিক পরিদর্শকরা পদোন্নতি নেওয়ার জন্য দৌড় ঝাপ শুরু করেছে।

অভিযোগ আছে এদের মধ্যে অনেক অযোগ্যদেরকে মেধা তালিকায় প্রথম সারিতে রাখা হযেছে।প্রকৃত যোগ্যদেরকে সিরিয়ালের বাইরে রাখা হযেছে। এ ব্যাপারে সাধারন ট্রাফিক পরিদর্শকদের দাবী জ্যেষ্ঠতা, যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে পদোন্নতি দেওয়া হোক।বর্তমান মেধা ক্রমে এক থেকে বিশ পর্যন্ত মেধা তালিকা অনুযায়ী মৌখিক বা লিখিত পরীক্ষা নিয়ে পদন্নতী দিলে প্রকৃত যোগ্য ব্যক্তিরাই পদন্নতি পাবেন। অনিয়ম দূর্ণীতি ও অর্থ বানিজ্যের মাধ্যমে যাহাতে পদোন্নতি দেওয়া না হয় তার জন্য নৌ ও পরিবহন মন্ত্রী ,সচিব ও বন্দর চেয়ারম্যান’র সুদৃষ্টি কামনা করেছেন সাধারন ট্রাফিক পরিদর্শকরা।

এ ব্যাপারে বর্তমান পদন্নতি কমিটির প্রধান ও বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য অর্থ প্রশাসন আলউদ্দিন জানান, সরকারী চকিুরীর বিধি অনুয়ায়ী পদন্নতি হবে। পদন্নতির বিষয়ে কোন অনিয়ম করা হবে ন্ াতবে প্রকৃত যোগ্যরাই পদন্নতি পাবেন। এ বিষয়ে অনিয়ম দূর্ণীতি ও অর্থ বানিজ্যের কোন সুযোগ নেই বলে তিনি জানান।
 

মহসিন মিলন, বেনাপোল প্রতিনিধি।

Related posts