September 24, 2018

সাদুল্যাপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ২০ লক্ষ টাকা আত্নসাতের অভিযোগ

25
গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান চৌধুরী শামীম কর্তৃক এলজিএসপি, এডিপি, কাবিটা ও কাবিখা সহ বিভিন্ন প্রকল্পের ভুয়া বিল-ভাউচার দেখিয়ে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা আতœসাত করেছেন মর্মে অভিযোগ উঠেছে। সিমাহীন অনিয়ম-দুর্ণীতি ও অর্থ আত্নসাতের বিষয়ে চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান চৌধুরী শামীমের বিরুদ্ধে দুর্ণিিত দমন কমিশন (দুদক) সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছে ওই পরিষদের সদস্যরা।
খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের স্বাক্ষরিত ওই অভিযোগে উল্লেখ করেন যে, চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান চৌধুরী শামীম ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে এলজিএসপি প্রকল্পের বরাদ্ধকৃত ৭ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার প্রকল্প দাখিল না করে ভুয়া বিল-ভাউচার করে সমুদয় টাকা আতœসাত করেন। একই ভাবে এডিপি’র ২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা ও পরিষদের মহল্লাদার নিয়োগের নামে কয়েকজন প্রার্থীর নিকট থেকে ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এছাড়ার হাট-কাজার উন্নয়ন কাজে ইউপি সদস্যা রিনা বেগমের কাছ থেকে ২২ হাজার টাকা ও যাদেরকে টিআর প্রকল্প দেয়া হয়েছে তাদের প্রত্যেকের কাছে ১০ হাজার টাকা করে উৎকোচ নিয়েছে। চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান এসব নানা অনিয়ম দুর্ণীতি অব্যহত রেখে পরিষদের ১ পার্সেনের টাকা উত্তোলন পুর্বক কোন কাজ না করেই আতœসাত করেছে। তিনি নন ওয়েজের কাজে ইউপি সদস্য আব্দুল গোফ্ফার ও হাছিনা বেগমের নিকট কৌশলে চেক স্বাক্ষর নিয়ে নিজেই টাকা উত্তোলন করেছেন।
ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান ও ছাইফুল ইসলাম সহ আরও অনেক সদস্য এ তথ্যের সত্যতা স্বীকার করে বলেন চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান চৌধুরী শামীম এর বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্ণীতের কারণে পরিষদের উন্নয়ন কাজে নানা বাধা সৃষ্ঠি হচ্ছে।
খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান চৌধুরী শামীম বলেন, আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগটি সত্য নয়। পরিষদের মেম্বারদের সাথে ভুল বোঝাবুঝির কারণে তারা এ অভিযোগটি করেছেন। তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে আমার পরিষদের মেম্বারদেরকে নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে ইউএনও স্যারের সাথে বসা হয়েছিল। বিষয়টি মিমাংশা করা হবে।

Related posts