September 25, 2018

সাত খুনঃ প্রত্যক্ষদর্শী বাবা-মেয়ের সাক্ষ্য গ্রহণ ৬ জুন

রফিকুল ইসলাম রফিক,             
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের দুই মামলায় আরো ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা হতে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে গ্রেপ্তারকৃত নূর হোসেন সহ ২৩ আসামীর উপস্থিতিতে ওই ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এ নিয়ে ৬২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

শুনানী শেষে আগামী ৬ জুন পরবতী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছে আদালত।

নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, সোমবার সাত খুনের ঘটনায় ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। এর মধ্যে প্রাক্তন নারায়ণগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যাবিদ হোসেন, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কলেজ ছাত্রী রাবেয়া আক্তার আখি ও তার বাবা শহিদুল ইসলাম, সিদ্ধিরগঞ্জের সোনা মিয়া মার্কেটের রশি বিক্রেতা মতিন হাওলাদার, প্লাস্টিকের বস্তা বিক্রেতা শাহজাহান ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মোয়াজ্জেন হোসেন।
জানা গেছে, সাত খুনের ঘটনায় দুটি মামলা হয়। একটি মামলার বাদী বিজয় কুমার পাল হলেন নিহত অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারের মেয়ে জামাতা ও অপর বাদী সেলিনা ইসলাম বিউটি হলেন নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী।

দুটি মামলাতেই অভিন্ন সাক্ষী হলো ১২৭জন করে। একারণে উভয় মামলার সাক্ষীদের একই সঙ্গে দুই মামলায় জেরা করা হয়।

প্রসঙ্গত ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন ও গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তাঁর গাড়িচালক ইব্রাহীম অপহৃত হন। পরে ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয়জনের ও ১ মে একজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

তদন্ত শেষে প্রায় এক বছর পর গত ৮ এপ্রিল নূর হোসেন, র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সাত খুনের দুটি মামলায় নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলায় নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ মোট ২৩ জন কারাগারে আটক রয়েছেন। আর চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে এখনো ১২ জন পলাতক রয়েছে।

ফতুল্লার উত্তর নরসিংপুর এলাকার বাইতুল জান্নাত জামে মসজিদের বহুতল ভবন নির্মান কাজের উদ্বোধন করেছে বাহাদুরপুরের হাজী শরিয়ত উল্লাহর উত্তরসুরী পীর পীরজাদা বিন ইয়ামিন। সোমবার দুপুরে মসজিদের নির্মান কাজের উদ্বোধন করেন। মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা গিয়াস উদ্দিন মসজিদের উন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

মসজিদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রীত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান এম সাইফউল্লাহ বাদল ও পীরজাদা মাওলানা হানদোলা।

এসময় অন্যদের মাঝে আরো উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক এমএ মান্নান, কাশিপুর ইউপি সদস্য শামীম, যুবলীগ নেতা আব্দুল হামিদ প্রধান, আলিম শেখ, আমির হোসেন, আব্দুর রহমানসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এদিকে উক্ত মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা গিয়াস উদ্দিন জানান, উত্তর নরসিংপুর এলাকায় একটি আধুনিক মানের মসজিদ নির্মান করার উদ্যেগ নেয়া হয়েছে। আল্লাহর ঘর মসজিদ নির্মানে সবার সহযোগিতায় যত দ্রুত সম্ভব মসজিদের নির্মান কাজ শেষ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জের আরো কিছু খবর……………
পীরের আস্তানায় ভক্তকে ধর্ষণের চেষ্টা

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক পীরের আস্তানায় মহিলা ভক্তকে জোর করে ধর্ষনের চেষ্টা করেছে পীরের আরেক মুরীদ। এসময় লোকজন তাকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে ঘরের ভিতর বন্দি করে রাখে। পরে মুরীদের লোকজন আস্তানায় হামলা চালিয়ে বন্দিদশা থেকে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। রোববার রাতে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের ডুলুরদিয়া এলাকার একজন পীরের এর আস্তানায় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় প্রত্যেক্ষদর্শীরা জানায়, প্রতিদিনের মত রোববার রাতে ডুলুরদিয়া এলাকার ওই পীরের আস্তানায় আশেকানরা ভীড় জমায়। রাত অনুমান ১০টার দিকে পীরের ভক্ত ও স্থানীয় পৃথা ফ্যাশন নামক পোশাক কারখানার শ্রমিক (২৮) নলকূপ থেকে পানি আনতে যায়। এসময় পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা পাশের হাটাব টেকপাড়া এলাকার মৃত আবু হারিজের ছেলে ও ঐ পীরের মুরীদ মোরশিদ মিয়া তাকে জড়িয়ে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় তার ডাক চিৎকারে লোকজন ছুটে এসে হাতে নাতে সেই মুরীদকে আটক করে গণধোলাই দেয়। একপর্যায়ে তাকে পীরের ঘরের ভিতর বন্দি করে রাখে অন্যান্যা মুরীদরা। এদিকে বখাটে মোরশিদকে বন্দি করে রাখা হয়েছে এ খবর তার এলাকায় জানাজানি হলে তার লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পীরের আস্তানায় হামলা করে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় পোশাক শ্রমিক রূপগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ করলেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা যথাযোগ্য শাসিলী করে দেয়ার আশ্বাস দিলে অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন তিনি।

ব্যালট ছিনতাইয়ের চেষ্টা হলে গুলি

নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মোখলেসুর রহমান বলেছেন, বন্দরে ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করার জন্য নির্বাচন কমিশন সব ধরনের ব্যবস্থা করেছে। এখানে ব্যালট বা ব্যালট বক্স ছিনতাইয়ের চেষ্টা হলে গুলি করা হবে। জনগণ যাকে পছন্দ করবেন তিনিই জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। বন্দরের নির্বাচন সারা দেশের মধ্যে একটি মডেল সৃষ্টি করা হবে।

সোমবার দুপুরে বন্দরের আলম চান স্কুল এন্ড কলেজে প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ভোট কেন্দ্রে কোন প্রকার বিশৃংখলা বরদাশত করা হবে না। যে কোন মূলে নির্বাচন সুষ্ঠু করা হবে। ভোট কেন্দ্রেই ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং অফিসার স্ব স্ব কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণা করে তালিকা সকল প্রার্থীর হাতে পৌছে দেবেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মুহিদ উদ্দিন, জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ তারিফুজ্জামান, বন্দর উপজেলা নির্বাচন অফিসার সুমন মিয়া ও বন্দর থানার ওসি আবুল কালাম। প্রিজাইডং অফিসারদের প্রশিক্ষন শেষে এসপি ও অতিরিক্স সচিব বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ন কেন্দ্র গুলি ঘুরে দেখেন।

নারায়ণগঞ্জে জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

যথাযোগ্য মর্যাদায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে গতকাল সোমবার সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৫তম শাহাদাত বাষির্কী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সোনারগাঁও থানা বিএনপি এক আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে। উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মেঘনা শিল্পনগরী স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মান্নান।

সোনারগাঁও থানা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম টিটু, পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি হাজী শহিদুল্লাহ, সহ সভাপতি বরকত মোল্লা, বিএনপি নেতা হাজী তমিউদ্দিন, ফজলুল করীম, যুবদল নেতা সেলিম হোসেন, মাসুম মোল্লা, রাহিম, থানা ছাত্রদল নেতা খায়রুল ইসলাম সজীব, মাসুদ, আল-আমিন, মুকবিল, পৌর ছাত্রদল নেতা সাদিকুর রহমান সেন্টু, সজীব, অমিত, সুমন প্রমুখ। পরে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

আড়াইহাজারে নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষে আহত ১৫

আড়াইহাজারে নির্বাচন পরবর্তী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ,দোকান ও বাড়িরঘর লুট,আহত হয়েছে ১৫জন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের পাঁচগাও এলাকার ৮নং ওয়ার্ডের বিজয়ী মেম্বার এমরান ও আওয়ামীলীগ নেতা আজিজ মোল্লা বিজয় মিছিল বের করে। মিছিলটি পাঁচগাও বাজার সংলগ্ন পরাজিত মেম্বার প্রার্থী আওলাদ হোসেনের বাড়ির সামনে এসে অতর্কিতে আওলাদ হোসেনের বাড়িতে ঢুকে যায়। সেখানে পরাজিত মেম্বার প্রার্থী আওলাদ হোসেন,তার স্ত্রী সহ ৭ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে বাড়িঘরে লুটপাট চালায়।

গতকাল সোমবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার উচিৎপুরা ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া বাজার এলাকায় ৪নং ওয়ার্ডের বিজয়ী মেম্বার আঃ রশিদ বিজয় মিছিল বের করে। মিছিলটি বাজারে ঢুকেই পরাজিত মেম্বার প্রার্থী সালামের সমর্থক জাহাঙ্গীর হোসেন এর টিভি,ফ্রিজের দোকানে হামলা চালায়। তারা দোকানে কুপিয়ে দোকান ও মালামাল নষ্ট করে এবং ১৫ লক্ষ টাকার মূল্যের বহু টিভি,ফ্রিজ লুট করে নিয়ে যায়। পরে মিছিলটি জাহাঙ্গীরের বাড়িতে হামলা চালিয়ে সেখানেও লুটপাট চালায়। ঐ সময় বাধা দিতে গিয়ে ৮জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে শরীফুননেছা(৩৮),শিশু সিনথিয়া(৭) ও শরীফুল(৫২)কে কুপিয়ে ও টেটা বিদ্ধ করে আহত করে। অন্য আহতরা হল জসিমউদ্দিন(৫০) ও মোশারফ খান(৪৫)। মুমুর্ষ অবস্থায় শরীফুননেছা,সিনথিয়া ও শরীফুলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।
ঘটনার সংবাদ পেয়ে আড়াইহাজার থানা থেকে বিপুল পরিমান পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

আড়াইহাজার থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন উভয় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। তবে এ পর্যন্ত কেউ থানায় মামলা দেয়নি।

রূপগঞ্জে ভাইয়ের হামলায় ভাই আহত

নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে আপন ভাইসহ তার লোকজন অপর ভাইয়ের উপর হামলা চালিয়ে ১০ লাখ টাকা লুটে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার ভায়েলা এলাকায় ঘটে এ ঘটনা।

ব্যবসায়ী নাজমুল মিয়া জানান, এক খন্ড জমি নিয়ে আপন ভাই আসাদ মিয়া ও আবুল হাসানের সঙ্গে নাজমুল মিয়ার বিরোধ চলে আসছিলো। এছাড়া নাজমুল মিয়ার স্থানীয় গাউছিয়া পাইকারী কাপড়ের বাজারে নাবিলা থ্রী পিছ হাউজ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ওই বিরোধের জের ধরে সোমবার দুপুরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে নিজ বাড়ি মিয়াবাড়ীতে ফেরার পথে ভায়েলা এলাকায় পৌছামাত্র আসাদ মিয়াসহ তার লোকজন নাজমুল মিয়ার উপর হামলা চালায়। এসময় তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে সঙ্গে থাকা ১০ লাখ টাকা লুটে নেয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আসাদ মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, টাকা লুট ও হামলার ঘটনা সঠিক নয়।  এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আড়াইহাজারে ১০ ইউপি নির্বাচন যারা নির্বাচিত হলেন  

পঞ্চম ধাপের ২৮ মে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আড়াইহাজারে ১০টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত সদস্য ও সাধারন সদস্য পদে  নির্বাচিতরা হলেন- সাতগ্রাম ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্তিায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী অদুদ মাহমুদ। ১নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন রওশন আরা, ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন নাসিমা, ৩নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় এখানে কাউকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়নি। সাধারন ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন ওমর আলী, ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন আঃ ছাত্তার, ৩নং ওয়ার্ডে নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় এখানে কাউকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়নি। ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন রিপন মিয়া, ৫নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ রহিজউদ্দিন,৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন লতিফ মোল্লা, ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মিজানুর রহমান, ৮নং ওয়ার্ডে নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় কাউকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়নি। ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন পনির প্রধান।

দুপ্তারা ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্তিায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী শাহিদা মোশারফ। সংরক্ষিত আসনের ১নং ওয়ার্ডে তাছলিমা আক্তার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন, সংরক্ষিত আসনের ২নং ওয়ার্ডে ইয়াছমিন আক্তার বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন, সংরক্ষিত আসনের ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন হাছিনা বেগম, সাধারন ১নং ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন  সাইফুল ইসলাম, সাধারন ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোতালিব মিয়া, সাধারন ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন ওছমানগণি ভুইয়া, সাধারন ৪নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিত্য় মেম্বার নির্বাচিত হন আঃ গণি ভুইয়া, সাধারন ৫নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মনিরুজ্জামান মনু, সাধারন ৬নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন মতিউর রহমান, সাধারন ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার নিবাচিত হন মোঃ কিরন ভুইয়া, সাধারন ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন এমরান মোল্লা, সাধারন ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত সফিকুল ইসলাম।

ব্রা‏হ্মন্দী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী মোঃ লাক মিয়া। সংরক্ষিত আসনের ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন কাজী হামিদা আক্তার, সংরক্ষিত আসনের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন সাজেদা বেগম, সংরক্ষিত আসনের ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন নাজমা বেগম। সাধারন ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ তাইজুল ইসলাম বেদন, সাধারন ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ খোকা, সাধারন ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ আবু ছিদ্দিক মিয়া, সাধারন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন খোকন, সাধারন ৫নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোশারফ হোসেন, সাধারন ৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ আব্দুল মালেক মিয়া, সাধারন ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ খালেদুজ্জামান ভুইয়া, সাধারন ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ জাইদুল ইসলাম(জাহিদ), সাধারন ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন রাসেল খান।

ফতেপুর ইউনিয়নে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী মোঃ আবু তালেব মোল্লা।

সংরক্ষিত আসনের ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোসাঃ রোকিয়া, সংরক্ষিত আসনের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন ফরিদা আক্তার, সংরক্ষিত আসনের ৩নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন মোসাঃ রুবিয়া মজিব। সাধারন ১নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন শফিকুল ইসলাম, সাধারন ২নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন রেজাউল করিম, সাধারন ৩নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ সিরাজ সিকদার, সাধারন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ মতিন, সাধারন ৫নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন আঃ লতিফ মোল্লা, সাধারন ৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন আব্দুল কাদির, সাধারন ৭নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ জাকির হোসেন, সাধারন ৮নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ আহাম্মদ আলী, সাধারন ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম।

হাইজাদী ইউনিয়নে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী মোঃ আলী হোসেন ভুইয়া।

সংরক্ষিত আসনের ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মরিয়ম বেগম, সংরক্ষিত আসনের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন সাজেদা বেগম, সংরক্ষিত আসনের ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন হাওয়া বেগম। সাধারন ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ বিল্লাল হোসেন, সাধারন ২নং ওয়ার্ডে  মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ হান্নান মিয়া, সাধারন ৩নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ মতিন মোল্লা, সাধারন ৪নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ কবির হোসেন, সাধারন ৫নং ওয়ার্ডে  মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ শাহ আলম, সাধারন ৬নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ ইলিয়াছ সরকার, সাধারন ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ সাহাবদ্দিন, সাধারন ৮নং ওয়ার্ডে  মেম্বার নির্বাচিত হন সুবেদ আলী, সাধারন ৯নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন আঃ খালেক।

কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী মোঃ সাইফুল ইসলাম স্বপন।

সংরক্ষিত আসনের ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন আছমা বেগম, সংরক্ষিত আসনের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন জাহানারা বেগম, সংরক্ষিত আসনের ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোসাঃ তাছলিমা আক্তার, সাধারন ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ আলমগীর, সাধারন ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ মোস্তফা, সাধারন ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ লিটন, সাধারন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ ইব্রাহিম, সাধারন ৫নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ বিল্লাল হোসেন, সাধারন ৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ মিছির আলী, সাধারন ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ রূপ মিয়া, সাধারন ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ আবুল কাশেম, সাধারন ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ মুঞ্জুর হোসেন।

বিশনন্দী ইউনিয়নে  চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
সংরক্ষিত আসনের ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন শাহিদা আক্তার, সংরক্ষিত আসনের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোসাঃ আছিয়া বেগম, সংরক্ষিত আসনের ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন রেহেনা। সাধারন ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন হাজী জমির হোসেন ফারুক, সাধারন ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ শাহ আলম ফকির, সাধারন ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন আঃ হান্নান মিয়া, সাধারন ৪নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ লিয়াকত আলী মেম্বার, সাধারন ৫নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ জুলহাস, সাধারন ৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ মিজানুর রহমান, সাধারন ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ জয়নাল আবেদীন, সাধারন ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ হানিফা, সাধারন ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ জসিম উদ্দিন।

মাহমুদপুর ইউনিয়নে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী মোঃ আমানউল্লাহ আমান।

সংরক্ষিত আসনের ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন রাশিদা আক্তার, সংরক্ষিত আসনের ২নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন শিউলী, সংরক্ষিত আসনের ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন শাহিদা আক্তার, সাধারন ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ তারেক মাহমুদ, সাধারন ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ কাইয়ুম, সাধারন ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন আব্দুস ছাত্তার, সাধারন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন  মোঃ ইব্রাহিম, সাধারন ৫নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোহাম্মদ মোমেন মোল্লা, সাধারন ৬নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন আলতাফ হোসেন, সাধারন ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ আলম মিয়া , সাধারন ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন ফারুক মিয়া, সাধারন ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন আঃ মান্নান মিয়া।

খাগকান্দা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী মোঃ শহিদুল ইসলাম নুরু।

সংরক্ষিত আসনের ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোসাঃ জাকিয়া, সংরক্ষিত আসনের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোসাঃ কুলসুম বেগম, সংরক্ষিত আসনের ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন রেহেনা আক্তার, সাধারন ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন আঃ মোতালিব, সাধারন ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ জিয়াবুর রহমান, সাধারন ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ ছাইদুল ইসলাম, সাধারন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ মোসলেম মিয়া, সাধারন ৫নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায়  মেম্বার নির্বাচিত হন লোকমান, সাধারন ৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ রেজাউল, সাধারন ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন রফিক মিয়া, সাধারন ৮নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায়  মেম্বার নির্বাচিত হন শহিদুল্লাহ, সাধারন ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ আব্দুল হক মিয়া।

উচিৎপুরা ইউনিয়নে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থ মোঃ নাজিমউদ্দিন মোল্লা।

সংরক্ষিত আসনের ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন সায়েস্তা বেগম, সংরক্ষিত আসনের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন জাহানারা, সংরক্ষিত আসনের ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন নাছিমা বেগম। সাধারন ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ শাহ আলম, সাধারন ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোহাম্মদ আলী, সাধারন ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ মজিবুর রহমান, সাধারন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন আঃ গফুর, সাধারন ৫নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ হানিফা, সাধারন ৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ শওকত আলী, সাধারন ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ রশিদ, সাধারন ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন আলমগীর, সাধারন ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচিত হন মোঃ সাইফুল ইসলাম।

ফতুল্লায় মাশরাফির বোলিং তান্ডব

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের (ডিপিএল) নবম রাউন্ডের ম্যাচে বল হাতে দুর্দান্ত প্রদর্শনী উপহার দিয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের অধিনায়ক লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে একাই তুলে নিয়েছেন ৬টি উইকেট।

ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রতিপক্ষকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিলেন মাশরাফি। পরে বল হাতেও দায়িত্বটা নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। ১০ ওভার বল করে ৪২ রান খরচায় নিয়েছেন ৬ উইকেট। তাতে এক ওভার হাতে রেখে রূপগঞ্জ গুটিয়ে গেছে ১৯১ রানেই।

সুপার সিক্সে চোখ রাখলে শেষ তিন রাউন্ডেই জিতে নিজেদের কাজটা করে রাখতে হতো মাশরাফিদের। তারপর অন্য দলের জয়-পরাজয়ের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হতো। বাঁচা-মরার সেই ম্যাচগুলোর প্রথমটিতে অধিনায়ক নেতৃত্ব দিলেন সামনে থেকেই।

মোহাম্মদ মিথুনকে জসিমউদ্দীনের ক্যাচ বানিয়ে শুরু করেছিলেন। তারপর একে একে ফিরিয়েছেন ইশাঙ্ক জাগ্গি, সর্বোচ্চ রান করা সাজ্জাদুল হক, আলাউদ্দিন বাবু, নাহিদুল ইসলাম ও মেহেদি হাসান রানাকে। রূপগঞ্জকে দুইশ’র আগে গুটিয়ে দিতে শেষ চারটি উইকেটই তুলে নিয়েছেন ম্যাশ।
লিস্ট-এ ম্যাচে এবারই প্রথম ছয় উইকেট পেলেন না মাশরাফি। তার লিস্ট-এ সেরা বোলিংটি ২৬ রানে ৬ উইকেটের। এই ফরম্যাটে এবারসহ মোট ৩বার পাঁচ উইকেট পেলেন ম্যাশ। এই নিয়ে ২০৯ লিস্ট-এ ম্যাচে তার উইকেট সংখ্যা হলো ২৮৭টি।

নগর বিএনপির নানা কর্মসূচি

নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও শাহাদাৎ বার্ষিকী উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক এটিএম কামাল এবং বিএনপি নেতা ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাকির খান এর উদ্যোগে সোমবার সকাল ৭টায় নগরীর ডিআইটি রোডস্থ জেলা ও মহানগর বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল ও খাবার বিতরন করা হয়।

এসময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দদের মধ্যে  উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন খান, উজ্জল হোসেন, আবুল হাসান, নূর মোহাম্মদ, মঞ্জুরুল আলম মুসা, পারভেজ মল্লিক, আশিকুর রহমান আলি, শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন, জিয়াউর রহমান জিয়া, মাকিদ মোস্তাকিম শিপলু, কা ন আহমেদ, জাহিদ প্রধান, জনি আহমেদ, মোঃ মান্নান, মোঃ রাজ্জাক, মোঃ নুরুজ্জামান, প্রমুখ।

এরপর সকাল ৯টায় নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে পরিবহন  শ্রমিক দলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে যোগদেন ও খাবার বিতরন করেন সাবেক এম.পি. অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, বিএনপি নেতা শাখাওয়াত হোসেন খান। এসময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন মাহবুব উল্লাহ তপন, আবু আল ইউসুফ খান টিপু, আবুল কাউসার আশা, নজরুল ইসলাম, মামুন, বাদশাহ্, শহীদ প্রমুখ। এটিএম কামাল জানান ৩০ মে সোমবার সকাল থেকে নগর বিএনপি, অঙ্গসংগঠন, সহযোগি সংগঠন এবং সমর্থকদের উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জ মহানগরের ২৭টি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে ৩১ মে মঙ্গলবার পর্যন্ত শতাধিক স্থানে দোয়া মাহফিল ও খাবার বিতরন করা হবে।
উল্লেখ্য গত ২১ মে এক সভায় নারায়ণগঞ্জ নগর বিএনপি ও শাহাদাৎ বার্ষিকী উদ্যাপন কমিটি ২৮মে হতে ৩১মে পর্যন্ত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ৪ দিনের কর্মসূচী ঘোষনা করে।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি ৩০ মে ২০১৬

Related posts