September 24, 2018

‘সাঁড়াশি অভিযানের নামে সরকার বিরোধী দল দমনে লিপ্ত হয়েছে’


রিপন হোসেন
ঢাকা থেকেঃ
সাঁড়াশি অভিযানের নামে সরকার বিরোধী দল ও মত দমনে লিপ্ত হয়েছে বলে উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

আজ শনিবার গণমাধ্যমে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

নেতৃদ্বয় বলেছেন, জঙ্গি দমনের নামে সাঁড়াশি অভিযানে ক্রসফায়ার ও বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা বেড়ে গেছে। গত কয়েকদিনে ৯ জন বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। সরকার জঙ্গি নির্মূলের নামে যে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে তা মূলত বিরোধী দল ও বিরোধীমত নিধন অভিযান। এভাবে অভিযানের নামে জনগণের আন্দোলনকে দমিয়ে রেখেছিলো সরকার। যখন আবারো তাদের অত্যাচারে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে রাস্তায় নামবে তখনই সরকারের ‘সাঁড়াশি অভিযান’।

দেশের প্রতিটি মানুষ আতঙ্ক ও উদ্বেগের মধ্যে আছে বলে মন্তব্য করে নেতৃদ্বয় বলেছেন, কেবল নাস্তিক আর ব্লগাররা নন, ধর্মে বিশ্বাসী মানুষগুলোও আজ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। যারা ধর্মে বিশ্বাস করেন, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করেন, তারাও আজ গুপ্ত হত্যার শিকার হচ্ছেন। কোনো ধর্মের মানুষই আজ নিরাপদ নয়।

নেতৃদ্বয় সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন তুলে বলেন, ব্লগার হত্যার পর যারা এর দায় ইসলামী জঙ্গিদের ওপর চাপিয়ে দেন, ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী ধর্মগুরু হত্যার পর এর দায় কাদের ওপর চাপাবেন তারা? বর্তমান সরকার মূলত ভিন্ন মতের মানুষদের সরকার সহ্য করতে পারছে না বলেই এই ধরনের দমন অভিযানে নেমেছেন।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, সরকার বিরোধীমতকে সহ্য করতে পারে না বলেই এই অবৈধ সরকারের বিরোধিতা করার কারণে সাংবাদিক শফিক রেহমন, মাহমুদুর রহমান, শওকত মাহমুদ, রাজনীতিক মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ বিরোধী দলের হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরন করে সমগ্র দেশটাকে একটা করাগাওে পরিনত করেছে।

ন্যাপ নেতৃদ্বয় বলেছেন, দেশে আজ আইনের শাসন নেই। জীবনের নিরাপত্তা নেই। সরকার নিজেই সারাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে। এটার একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে, ঘোলা পানিতে তারা তাদের ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে চায়।

নেতৃদ্বয় বলেন, এই অবস্থা থেকে উত্তরণে দ্রুততম সময়ে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সকল দলের অংশগ্রহনে সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই।

Related posts