September 21, 2018

সরোজগঞ্জে জমে উঠেছে খেজুর গুড়ের হাট!

শামীম রেজা,চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ বাজারে হাঁটে চলতি বছরের শীঁতে খেজুরের গুঁড় আমদানি ও রপ্তানি ব্যাপক হারে জমে উঠেছে।

সরোজগঞ্জ বাজার পর্যবেক্ষন করে জানাগেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার আশপাশের কয়েকটি জেলার মধ্যে সরোজগঞ্জ বাজারের ঐতিহ্যবাহী খেজুর গুঁড়ের হাঁট ব্যাপক ভাবে সুনামের সাথে পরিচালনা হয়ে আসছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পুরানো ঐতিহ্যের মাধ্যমে জমে উঠেছে সরোজগঞ্জে খেজুর গুঁড়ের হাট। চাষি ও গাছিরা গুড় তৈরি কওে হাটে বিক্রি করেআশানূরুপ মূল্য পেয়ে খোশ মেজাজে খুশিমনে বাড়ি ফিরছে। বাজাওে গুঁড় খুচরা কেজি প্রতি ৭০ টাকা ৮০টাকা পযন্ত বিক্রি হচ্ছে। আবার গুঁড় ভর্তি ভাড় প্রতি ৬৫০ থেকে ৮৫০ টাকা পযন্ত বিক্রি হচ্ছে। খুচরা ও পাইকারী সকল ব্যবসায়ীর উপস্থিতির সমাগমে সরোজগঞ্জে গুঁড়ের হাট ব্যাপক হাওে জমে উঠেছে।

বাটিকাডাঙ্গা গ্রামের গাছি মহাব্বত আলীর কাছ থেকে জানা যায়, এ বছর খেজুর গুঁড় বিক্রি করে ভালো মূল্য পাওয়া যাচ্ছে। অপরদিকে , ছয়ঘরিয়া গ্রামের গুঁড় বিক্রেতা জলিল হোসেন বলেন, ভালো গুড়ের ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে। নিম্নমানের গুড় সরোজগঞ্জে তেমন চাহিদা নেই। আবার দুর দূরান্ত থেকে গুড় কিনতে আশা ব্যাপারিদের মাধ্যমে জানাযায়, শীতের ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই সরোজগঞ্জ হাই স্কুল মাঠে গুড়ের ভাড় নিয়ে হাজির খেজুরের রস দিয়ে গুড় উৎপাদনকারী গাছিরা। গুড় কেনা নিয়ে শুরু হয়ে যায় ব্যাপারিদেও হুড়োহুড়ি। প্রতি বছর শীত মওসুম এলেই সোম ও শুক্রবারের সাধারণ চিত্র হয় এটি চুয়াডাঙ্গা সদরের সরোজগঞ্জ বাজারের। বাজাওে গুড় আমদানী বেশী হলেও দেশের বিভিন্ন অ ল থেকে ব্যাবসায়ীরা আসাই প্রভাব পড়েনী গুড়েরদাম পতনে। এদিকে উন্নত মানের গুড় প্রাপ্তির জন্য দেশের সর্ব জেলায় সরোজগঞ্জের গুড়ের হাট দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

হাট মালিক সূত্রে জানাগেছে, কঠোর নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য বাজারের গুড় কেনাবেচাই কোন অনিয়ম হয়না। তবে খুচরা ক্রেতাদেও দাবি, কিছু অসাধূ গাছিরা গুড়ের মুখ সাদা করে বেশি দামে বিক্রি করার জন্য গুড়ের সাথে ফিটকিরি ও চিনি মিসিয়ে বাজাওে নিয়ে আসে। ইতিমধ্যেই এ অভিযোগের ভিত্তিতে হাট মালিকদেও পক্ষ থেকে ৫০০ টাকার জরিমানার নিয়ম করেছে অভিযুক্ত গাছিদের বিরুদ্ধে।বাজাওে কোন ব্যক্তি যদি এ ভেজাল মিশ্রিত গুড় নিয়ে আসে তবে তাকে জরিমানা গুনতে হবে।

প্রতি হাটে প্রায় ৩০/৩৫ ট্রাক গুড় ভর্তি হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি হয়। ভালো মূণ্য পাওয়ায় সরোজগঞ্জের আশপাশের গ্রাম গুলোতে গাছিদেও মধ্যে খেজুরের রস দিয়ে গুড় তৈরির তোড়জোড় লেগে গেছে। তবে বর্তমানে খেজুর গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় সরোজগঞ্জের এই ঐতিগ্যবাহীগুড়ের হাটের ভবিষ্যত নিয়ে সংকিত গুড় ব্যবসায়ীরা। এব্যপারে গাছিদের খেজুর গাছ লাগানো ও পরিচর্যার ব্যাপাওে উৎসাহ প্রদানে সরকারি কৃষি কর্মকর্তাদেও কার্যকারি পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে অত্রএলাকার সচেতন সমাজ ও ব্যবসায়ীবৃন্দরা।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts