September 24, 2018

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ফেসবুক-টুইটার

aপ্রযুক্তি ডেস্ক::

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ সমর্থনকারী কনটেন্টের বিস্তাররোধ ও এ মাধ্যম ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদের বিকাশ রোধ করার জন্য কাজ শুরু করেছে ফেসবুক ও টুইটার। নানামুখী পদক্ষেপ নেয়ার মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নিজেদের জোরালো অবস্থান ব্যক্ত করেছে ফেসবুক ও টুইটার।

সম্প্রতি লন্ডনে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর প্রতি সন্ত্রাসবাদবিরোধী অবস্থান জোরালো করার আহ্বান জানান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। এ আহ্বানের পরপরই সবার আগে সাড়া দিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে সন্ত্রাসীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিবেশ প্রতিকূল করে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে এক বিবৃতি দিয়েছে।

ফেসবুকের ডিরেক্টর অব পলিসি সাইমন মিলনার জানিয়েছেন, আমরা ফেসবুককে সন্ত্রাসীদের জন্য আরো প্রতিকূল করে তুলতে চাই। এ জন্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে ও আমাদের কর্মীদের সহযোগিতায় উগ্রবাদ সমর্থনকারী কনটেন্টগুলো যত দ্রুত সম্ভব সরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করব আমরা। যদি আমাদের কাছে কোনো কনটেন্টকে কারো নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে হুমকি বলে মনে হয়, তবে আমরা তা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানাব।

ফেসবুকের পাশাপাশি টুইটারও এখন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সরব হয়ে উঠেছে। টুইটারের পাবলিক পলিসি-বিষয়ক প্রধান নিক পিকলস জানিয়েছেন, টুইটারে সন্ত্রাসবাদী কনটেন্টের কোনো জায়গা নেই। অনলাইনে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ সমর্থনকারী মতবাদ বিস্তারের বিরুদ্ধে লড়াই করবে প্রতিষ্ঠানটি। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সংশ্লিষ্টতার কারণে ২০১৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) বিশ্বব্যাপী প্রায় চার লাখ টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ ধরনের কনটেন্টের

বিস্তাররোধ ও প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু নিয়মনীতি চালু করবে টুইটার।

সাম্প্রতিক হামলার পরে থেরেসা মে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান কৌশল ঢেলে সাজানোর ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী উগ্রবাদের বিস্তার ঘটছে। এ জন্য খাতসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো আংশিকভাবে দায়ী করেছেন তিনি।

Related posts