March 19, 2019

সজিব ওয়াজেদ জয় পররাষ্ট্র মন্ত্রীর শপথ নেবেন শীঘ্রই!

আবু জাফর মাহমুদ, নিউইয়র্ক থেকেঃ সজিব ওয়াজেদ জয় পররাষ্ট্র মন্ত্রীর শপথ নেবেন আগামী বছর জানুয়ারী মাসে।অন্যান্য সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এতে কোন ব্যত্যয় হবার নয়।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের একমাত্র পুত্রকে রাষ্ট্রনেতা রূপে গড়ার স্বপ্ন দেখেন।পারিবারিকও দলীয় সুযোগকে ব্যাপকভাবে গ্রহনযোগ্য করার জন্যে ধৈর্য ও শিক্ষার পথ গ্রহন  করেছেন তিনি।একজন মা এবং নেতা তাঁর সন্তানকে ঘিরে এমন পরিকল্পনা নিতেই পারেন।

রাষ্ট্রনেতা বা সরকার প্রধান হবার জন্যে দেশ- বিদেশের কূটনৈতিক সমাজে পরিচিতি লাভ এবং সমাদৃত হওয়ার সুযোগ পাওয়া অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়।এই সুযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তার দায়দায়িত্ব সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করার সীমাহীন পথ তৈরী করে দেয়।পররাষ্ট্রমন্ত্রীরই সুযোগ আছে নিজের দেশের পক্ষে সকল দেশের সাথে সম্পর্ক ঘনিষ্ট করার দায়িত্ব পালনের,সরকারের নীতি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দেয়ার এবং বৈশ্বিক পরিবেশে সবার সাথে পরিচিত হবার।বিশ্বব্যাপী পরিচিতির যোগ্যতা একজন ভাবি সরকার প্রধানের জন্যে উত্তম যোগ্যতা যদি তিনি তা দেশের জন্যে বা দেশবাসীর জন্যে ব্যবহার করতে প্রত্যয়ী থাকেন।

বাংলাদেশের সংখ্যাতাত্ত্বিক বর্তমান প্রেক্ষাপটের বাস্তবতায় এই তরুণের জন্যে নেয়া সিদ্ধান্ত সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি সমর্থিত বলা যায়।জ্ঞান ও যোগ্যতা অর্জনের জন্যে এই সুযোগকে জয় যথাযথ সদব্যবহার করবে,আশা করি।আওয়ামীলীগের মতো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দেয়া এবং বাংলাদেশের সরকার চালনার জন্যে এই সুযোগ অবশ্যই হবে দারুন কার্যকর।

তার সাথে তার বিদেশী স্ত্রীর জাতিগত সম্পর্ক এবং আমেরিকায় শিক্ষাদীক্ষা এবং পেশাগত অভিজ্ঞতা জয়কে আরো বেশী সম্পর্কিত করার ব্যাপারেও সহায়ক হবে বলে ধারণা করা যায়।আওয়ামীলীগের তোষামোদ সংস্কৃতির উপর তাকে খুব একটা নির্ভর করতে হবেনা।নির্ভর করা প্রয়োজন হবেনা মাস্তান, ক্যাডার এবং রংবাজ দলবাজদের উপর।প্রতিহিংসার ধারা থেকে রাজনীতিকে বের করে সমঝোতা বা সহনশীলতার ধারায় নিয়ে আসার সুযোগ হলেও হতে পারে তার বৈদেশিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রভাবে।

পরিস্কার করে বলা যায়; সরকারের কারো থেকে নয়।আওয়ামীলীগের কারো থেকেও নয়, জয়কে নিয়ে এই ধারণা এবং আভাস আমার নিজস্ব সূত্রে সংগৃহীত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অথবা জয়ের ঘনিষ্টদের কারো সাথে যোগাযোগ করে এই তথ্য আমি পাইনি।বাংলাভাষী পাঠক অথবা যারা আমার লেখা বহুদিন যাবত বিদেশী ভাষায় প্রকাশ করেন তাদের জন্যে এই তথ্যটি লিখলাম।

একটি নির্ভরযোগ্য বৈশ্বিক গোয়েন্দা সূত্র এই তথ্য আমাকে সময় মতো জানিয়ে দেয়ায় কৃতজ্ঞ চিত্তে আমি তথ্যটিকে আমার প্রবন্ধের প্রধান বিষয় করেছি।নিজের জাতিকে সুখবর জানানোর তওফিক দেয়ার জন্যে আমার সৃষ্টিকর্তা সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে শোকর করছি।আমি জানি তার কাছেই আমি ফিরে যাবো। যেতে  হবে আমার।তার সিদ্ধান্তের মুখোমুখী হবো আমার সারা জনমের কৃতকর্মের জন্যে।আমি এই তথ্য তুলে ধরছি আমার জাতি এবং এই সন্তানের কল্যাণ বিবেচণায়।জয় আমাদের সকলের সন্তানতুল্য। প্রবন্ধে রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিগত ঝোঁকের বাহিরে থাকার চেষ্টা করেছি। কেননা,জাতির স্বার্থের সাথে আমরা অভিন্ন হয়ে আছি।

আমি অন্যান্য বাংলাদেশী স্বাধীনতাযোদ্ধাদের মতো একজন বীর যোদ্ধা।জীবনের যৌবনে আল্লাহর দেয়া শারিরীক ও মানসিক শক্তির শ্রেষ্ট সময়ে আমার জাতির জন্যে স্বাধীন রাষ্ট্র গড়তে মৃত্যুর মুখোমুখী হয়েছিলাম।লড়েছি, লড়াই করেছি আমরা, আমাদের জাতি বিজয়ী হয়েছে।এই শক্তির উৎস আমার প্রভূ, আমার স্রষ্টা।জীবনের এই বিকেল বয়সেও আমার জাতির জন্যে একই অনুভূতি আমি ধারণ করি, সামান্যও পরিবর্তন করিনি।এই অনুভূতির ক্ষমতার উৎসও আমার জন্মদাতা প্রতিপালক।যার কাছে আমি ফিরে যাবো বলেই তিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন।

পবিত্র কোরআনের সূরা ওয়াক্কিয়ায় আয়াত (৫৮,৫৯,৬০) পরাক্রমশালী স্রষ্টা স্মরণ করে দিয়েছেন মানব জাতিকে, “তোমরা কি বীর্যপাত নিয়ে ভাবছো ? জন্ম কি তোমরা দাও, নাকি আমি দেই? আমি তোমাদের মৃত্যুর দিন নির্দ্দিষ্ট করে রেখেছি, আমি দূর্বল নই”।যিনি আমাদের মৃত্যুর দিন ধার্য করে রেখেছেন তিনিই সব ক্ষমতার মালিক।আমরা কেউ জন্ম দিতে পারিনা, এই ক্ষমতা আমাদের নেই।পিতামাতাদের উসিলা করেই তিনি মানুষের বংশ বিস্তার করে চলেছেন।তাই,আমার নিজের বা সন্তানের বিষয়ে আমার কোন বাড়াবাড়ি করার সুযোগ নেই।আল্লাহ্ যেনো আমাকে এই মহাবিপদ থেকে মুক্ত রাখেন।আমাদের সকলকে রক্ষা করেন।জন্ম দেয়ার দাবি করে যারা বড় ভূল করছি তাদের সবাইকে যাতে সঠিক জ্ঞান দিয়ে রক্ষা করেন।

জয় তার মা বাবার একমাত্র পুত্র সন্তান।তার মতো এরকম তিনটি পুত্র সন্তানের আমি পিতা।একজন পিতার কাছে সন্তানের আলোকিত চেহারা কত আদরের, কতো সুশোভন উজ্জ্বল মায়ার আভায় আলোকিত থাকে, তা প্রত্যেক পিতা এবং মা অনুভব করেন।আমাদের পুত্ররা যখন নিজ চেষ্টায়, অধ্যবসায়, পরিশ্রমে পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ভাল ফলাফল করেছে আমরা নিশ্চয়ই যার পর নেই আনন্দ অনুভব করেছি, খুশী হয়েছে আমাদের আপন এবং পরিচিতজনেরা।সুখের অংশীদার হয়েছেন।

তিনজনের একজন তার প্রফেশনাল ক্যারিয়ারে পরীক্ষায় মেধা তালিকায় সারা বাংলাদেশে প্রথম স্থান অধিকার করেছে মার্চ মাসে শেষ সপ্তাহে।এই সন্তানরাই সারা জীবন সততার সাথে মানুষের কল্যাণে নিবেদিত থাকবে, জাতির সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার কাজে দায়িত্ব পালন করবে। স্রষ্টাই জানেন, তিনি তাঁর সৃষ্টির কাকে কেনো জন্ম দিয়েছেন।

সজিব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কে পরিচিতি আসুক রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারে।শিক্ষিত লোকরা তার পারিবারিক পরিচিতি জানেন। আমার কাছে সে বাংলাদেশের সন্তান।বাংলাদেশের একজন ভবিষ্যত নেতা।এই নেতৃত্ব রাজনৈতিক বিধায় জনগণের আলোচনা সমালোচনা,তর্ক-বিতর্কের বিষয় জয়।তাকে নিয়ে মানুষের কৌতুহল থাকাটা স্বাভাবিক।এতে তাকে প্রতিযোগীতার মুখোমুখী হয়েই চলতে হবে।

কেউ উৎসাহী হয়ে বেশী খবর নেয়ায় তাকে শত্রুতা করা ঠিক নয়।সবার প্রতি মানুষের কৌতুহল থাকেনা। জয় সেই বৈশিষ্টের অধিকারী যা তাকে মানুষের আগ্রহের বিষয় করেছে।সে রাজনীতি ছেড়ে দিয়ে কেবলমাত্র ব্যবসা বাণিজ্য অথবা এরকম পেশায় থাকুক, যাতে কারো তাকানো থেকে নিরাপদ থাকবে।এমন জীবনে কি জয় নিজে অথবা তার আপন জনেরা সন্তুষ্ট থাকবেন? তাতো নয়।

তাই, হত্যা করার ইস্যু খাড়া করে যা হচ্ছে, তা কল্যাণকর নয়।আল্লাহ্ তাকে অস্বীকারকারীদের বরঞ্চ প্রচুর দৌলত দিয়ে থাকেন, তাদেরকে ভাল্ বাসেন বলে কোথাও কোনভাবে জানানি।আল্লার চেয়ে কে বেশী কৌশলী আছেন? জয় সবার ভালবাসার মানুষ হউক।আমাকে ভাববাদী লেখক মনে করার কারণ নেই।

আমাদের সন্তানরাও নিজেদের অবস্থানে শ্রেষ্ঠ অথবা এমন পর্যায়ে আছে।কেহ তাদেরকে নিয়ে তো আগ্রহ দেখায়না।

বাংলাদেশী অনেক সন্তান দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে কত উঁচু গৌরবের অধিকারী বাংলাদেশে সম্প্রচারে তার কতটুকু আমরা দেখি? ওসবে সরকারের সম্প্রচার কৌতুহল দেখায়না।তাই,জয় এবং তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা চারিদিকে তাকিয়ে নিজেদের সীমার কথা বিবেচনায় রাখলে অনেক জটিল সমস্যার সমাধান আপনা থেকেই হয়ে যায়।জয়কে মুক্ত চেতনায় ভালবাসতে দিন।তাকে সমর্থন করার অধিকারে বাধা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকুন।

সে কেবল মায়ের সন্তান নয়।আওয়ামীলীগের ভবিষ্যৎ কান্ডারী নেতা নয়, সে জাতির সম্পদ।পররাষ্ট্রমন্ত্রী সহজলভ্য কোন বিষয় নয়।সরকারে দ্বিতীয় ব্যক্তি।এই পর্যায়ে তাকে নমিনেট করতে প্রধানমন্ত্রীকেও অনেক কিছুর জন্যে অপেক্ষা করতে হয়েছে।আরো হবে।

তবে জয়কে এই দায়িত্বে এনে কূটনীতি শেখানো, রাষ্ট্রনীতি শেখানোর উদ্যোগকে স্বাগতঃ জানাচ্ছি।বলতে পারেন,এই নবীনের উপর দায়িত্ব দেয়া নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে, আসবে।আসুক।উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, জয়ের স্ত্রীর লবি অনেক দূর দীর্ঘ।যেনো মনে থাকে সবার।হোয়াইট হাউসেও তাদের জাতিগত লবি আছে।অনেক অংক আছে।এই হিসেব কেবল বাংলাদেশী বা আওয়ামী লীগ বিএনপি দলীয় হিসেব দিয়ে দেখা ঠিক নয়।

তবে এই আলোচনাও যেনো থাকে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় নেতৃত্ব শেখানোর পর্যায়ে আরো ভালো কোন উদাহরণ আমাদের আছে কিনা? আমরা দেখে আসছি নেতৃত্ব চাপিয়ে দিতে।পরিণতিতে সে ধরণের নেতৃত্ব থেকে যথেচ্ছাচার এসেছে। জয়কে সরকার দেখা ও সরকার পরিচালনা শেখানো হচ্ছে এই পদে নিয়ে,তার চেয়ে বেশী কি আমরা আশা করি? কি দেখেছি অতীতে?

আরো বেশী ভালো আশা করতে পারি মত কিছু দেখলে তাকেও স্বাগতঃ জানাবো। বাংলাদেশ রাষ্ট্র আমাদের প্রেম, আমাদের জীবন।জাতীয় নেতৃত্ব আমার অথবা কারো ব্যক্তিগত বিষয় নয়, এতে থাকতে হবে রাষ্ট্রের মঙ্গলাকাংখার প্রতিফলন।সমৃদ্ধির পথের বাংলাদেশ আধুনিক ও যুবকেন্দ্রীক নেতৃত্বের অপেক্ষায় আছে।মান্দাতা আমলের ধারা গ্লোবাল চাহিদার সাথে খাপখাইয়ে চলতে পারছেনা।নীচতার সংস্কৃতি সেই রাজনীতিকে অপ্রয়োজনীয় করে ফেলেছে।

আমরা এই প্রসঙ্গে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী(ইউ এন ডিপি)র এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানব উন্নয়ন প্রতিবেদনের অতি সাম্প্রতিক জনসংখ্যাতাত্ত্বিক তথ্য ও বিশ্লেষণের কথায় আসি।এতে তারা বলছেন, বাংলাদেশে ৪৯শতাংশ মানুষের বয়স ২৪বছর বা তার নীচে।কর্মক্ষম মানুষ আছে ১০কোঠি ৫৬লাখ যা মোট জনসংখ্যার ৬৬শতাংশ।জনসংখ্যাতাত্ত্বিক বাস্তবতার সাথে মিল রেখে রাজনীতি সাজিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের জন্যে বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গির আধুমিক নেতৃত্ব জরুরী।

কি কি খাতে বেশী গুরুত্ব দিতে হবে তার স্পষ্ট উল্লেখ করেছে এই প্রতিবেদন।’সেপিং দ্য ফিউচার হাউ চেঞ্জিং ডেমোগ্রাফিকস ক্যান পাওয়ার হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ হয়েছে গত মঙ্গলবার।এতে বলা হয়েছে,আগামী ১৫বছরে অর্থাৎ ২০৩০সাল নাগাদ কর্মক্ষম জনসংখ্যা বেড়ে হবে ১২কোটি ৯৮লাখ,যা মোট জন সংখ্যার ৭০ শতাংশ।দেশে বয়স্ক বা ৬০বছরের বেশী মানুষ ৭শতাংশ। ২০৩০ এবং ২০৫০সালে তা বেড়ে হবে ১২ এবং ২২ শতাংশে।

তাদের প্রতিবেদনের একজন লেখক অর্থনীতিবিদ তাসমিম মির্জা বাংলাদেশের প্রথম আলোকে বলেছেন, বাংলাদেশের কর্মক্ষেত্রে বৈচিত্র কম।অনেক কাজে উচ্চ দক্ষতার দরকার হয়না। শ্রম শক্তির বড় অংশ নিয়োজিত থাকে পোষাক শিল্পে এবং কৃষিতে।তথ্য প্রযুক্তি,ব্যাংকিং ইত্যাদি ক্ষেত্রে দরকার হয়, উচ্চ দক্ষতার।এমন কাজও কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করতে হবে এবং সেই হিসেবেই দক্ষ জনবল গড়তে হবে…..।

সজিব ওয়াজেদ জয় এবং বাংলাদেশ সরকারের ভবিষ্যত নেতৃত্বের বিষয়ে জানবার সাথে সাথে আরো অনেক বিষয় চলে আসছে বাংলাদেশের ভবিষ্যতের বিভিন্ন ধাপের ব্যাপারে।আমরা সেই বিষয়গুলোতেও আলোচনায় যাবো আশা করি পরবর্তী লেখাগুলোয়।

লেখকঃ রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং চেয়ারম্যান,বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল।নিউইয়র্ক।

(ইহা লেখকের একান্ত ব্যক্তিগত মত, আমাদের প্রকাশনা নীতির বহিঃপ্রকাশ ঘটে না, যার জন্য  প্রকাশক বা সম্পাদক দায়ী নহে)
দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন ডেরি/২৫ এপ্রিল ২০১৬

Related posts