November 18, 2018

সংঘর্ষ দখল আর কারচুপিতেই শেষ হলো না.গঞ্জের ভোট

রফিকুল ইসলাম রফিক,নারায়ণগঞ্জঃ  আগে থেকেই কেন্দ্র দখল আর কারচুপির অভিযোগ থাকলেও নারায়ণগঞ্জের দুটি পৌরসভার মধ্যে সোনারাঁও পৌরসভায় দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হলেও নিরুত্তাপ ভাবেই রূপগঞ্জে ভোট হয়েছে। এছাড়া সোনারগাঁয়ে দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত কয়েক দফায় আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে থানার ওসি সহ অন্তত ১০ জন আহত হয়। ককটেল বিস্ফোরণের কারণে কিছুক্ষণ একটি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত ছিল। পুলিশ জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ কয়েকজনকে আটক করে।

সোনারগাঁ পৌরসভার জিআর ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এটি ফজলে রাব্বির লোকজনদের সঙ্গে দলের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী সাদেকুর রহমান ভূইয়ার লোকজনদের সংঘর্ষের পর হঠাৎ করে বাইরে থেকে কে বা কারা ৫ থেকে ৬টি ককটেল ছুড়ে পালিয়ে যায়। এসময় ভোটার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ওই সময়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘচেট। এতে থানার ওসি এস এম মঞ্জুর কাদের সহ অন্তত ১০জন আহত হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মহিবুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে শট গানের ১৫ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে। এসময় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
এর আগে দুপুর ১২টায় সোনারগায় ৫নং ও ৬ নং ওয়ার্ডের জিআর ইনস্টিটিউশনের ভোট কেন্দ্রে  সোনারগাঁ উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম নান্নু ও যুগ্ম  আহবায়ক আলী হায়দার কয়েকশ যুবলীগের নেতাকমীদের নিয়ে নৌকার পক্ষে স্লোগান দিয়ে ভোট কেন্দ্র দখল করতে গেলে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রাথী সাদেকুর রহমান ভূইয়া সমর্থকদের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই সময় সাদেকুর রহমানের সমর্থকরা যুবলীগের নেতাকর্মীদের ধাওয়া দেয়।

সোনারগাঁ পৌরসভার বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন বলেন, সকালে পরিবেশ সুন্দর থাকলেও বেলা ১০টার পর থেকেই সরকারি দলের লোকজন জাল ভোট দিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ৩ জনকে আটক করে পুলিশ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও কেন্দ্রগুলো থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts