September 25, 2018

শেষ মুহূর্তে বিদ্রোহীদের উপর হামলা বেড়েছে

পৌরসভা নির্বাচনের আগ মুহূর্তে বেড়েছে সহিংসতার তীব্রতা। বিরোধী ও বিদ্রোহী প্রার্থী এবং তাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর সরকারদলীয় লোকজন হামলা করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। যশোরের কেশবপুরে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থীর কার্যালয়, বিএনপির কার্যালয় ও তার বাড়িতে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা।

ভোলায় মিছিলে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। জামালপুরে বিএনপি কার্যালয় ভাংচুর ও আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ময়মনসিংহের ত্রিশালে আওয়ামী লীগ এবং এ দলের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বরগুনার বেতাগীতে বিএনপির মেয়র প্রার্থীর বাড়িতে হামলা হয়েছে। শেরপুরে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পাবনার সুজানগরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও বিএনপির মেয়র প্রার্থীর কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে।
সরকারদলীয় লোকজন এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী সরকারি দলের অব্যাহত চাপে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বলে জানা গেছে। কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে মারপিট ও তার গাড়ি ভাংচুর করেছে আওয়ামী লীগের লোকজন। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে কৃষক দল নেতার ওপর বোমা হামলা হয়েছে। রবি ও শনিবার সন্ধ্যায় এসব ঘটনা ঘটে।

সংবা“তাদের খবর-
কুড়িগ্রাম : নাগেশ্বরীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু রায়হান দোলন জানান, রোববার বিকালে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শিল্পপতি গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ হোসেন ফাকুর নৌকা প্রতীকের পক্ষে সহস্রাধিক লোকের মিছিল বের হয়, যা নির্বাচনী আচরণবিধি লক্সঘনের শামিল। নাগেশ্বরী কলেজ মোড়ে তিনি মিছিলটি থামাতে বলেন।

এ সময় আওয়াগী লীগের সমর্থকরা তার ওপর চড়াও হন। এক পর্যায়ে তারা তাকে বেধড়ক মারধর এবং তার গাড়ি ভাংচুর করেন। তিনি নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ আবু আক্কাছ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় অভিযোগ দেয়া হয়নি।

কেশবপুর : শনিবার সন্ধ্যায় যশোরের কেশবপুর পৌরসভার হাবাসপোল ওয়ার্ডে ধানের শীষের নির্বাচনী অফিস ভাংচুর করে ৫০ থেকে ৬০ জনের চিহ্নিত দুর্বৃত্ত। তারা রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের থানামোড় এলাকায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালায়। তারা চেয়ার, টেবিল, টেলিভিশনসহ আববাবপত্র ভাংচুর করে উল্লাস করতে করতে ত্রিমোহিনী মোড়ের দিকে চলে যায়। এর পরই তারা ভোগতি কালাবাসা এলাকায় ধানের শীষের অফিস ও সাহাপাড়া এলাকায় বসবাসরত পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সদর ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দীনের বাসায় ব্যাপক ভাংচুর চালায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে তারা প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়টিতে হামলা চালায় ও ভাংচুর করে।

রোববার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী বর্তমান মেয়র আবদুস সামাদ বিশ্বাস। আওয়ামী লীগের লোকজন এসব ঘটনায় জড়িত বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা অনুযায়ী পাঁচটি মোটরসাইকেল ব্যবহার করা যাবে। অথচ নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর শোডাউনে শত শত মোটরসাইকেল ব্যবহার করা হচ্ছে।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ক্যাডার আনা হয়েছে। তারা গোটা পৌর এলাকায় মোটরসাইকেলে উল্লাস করে ত্রাস সৃষ্টি করেছে এবং ভোটারদের মাঝে ভীতি সঞ্চার করে চলেছে। তারা পোস্টার ছিঁড়ে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে এবং বিএনপি কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন থানা বিএনপির সভাপতি আলহাজ আবুল হোসেন আজাদ, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবু বকর আবু, কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মশিয়ার রহমান প্রমুখ।

জামালপুর : রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় সরিষাবাড়ী আরামনগর বাজারে আগুনে পুড়ে যাওয়া বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। এতে জেলা বিএনপির সভাপতি এবং সরিষাবাড়ী পৌর মেয়র প্রার্থীর ছোট ভাই ফরিদুল কবীর তালুকদার বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় আমরা নির্বাচনী বিষয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় করছিলাম। এ সময় আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ডা. মুরাদ হাসানের নেতৃত্বে শতাধিক ক্যাডার ওই মতবিনিময় সভায় হামলা করে। ভয়ে আমরা স্থান ত্যাগ করি। তারা বিএনপি অফিস ফাঁকা পেয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।

এতে আমাদের কাগজপত্র ও পাঁচটি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়। তারা বাজার থেকে যাওয়ার সময় শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে লুটপাট করে। এ সময় আমাদের ২০ থেকে ২৫ নেতাকর্মী আহত হন। অপরদিকে সরিষাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগও দুপুর ১টায় দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির অভিযোগ অস্বীকার করে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় আমাদের মেয়র প্রার্থী রোকনুজ্জামান বলারদিয়ার গণসংযোগ শেষে সরিষাবাড়ীতে ফিরছিলেন। আরামনগর বাজারে বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী তার ওপর আক্রমণ করে। তাকে উদ্ধারের জন্য এগিয়ে গেলে তারা আমাদের ওপরও হামলা করে। এতে আমাদের মেয়র প্রার্থী রুকন, যুবলীগ নেতা আঃ মান্নান মানু, রবিন, বাচ্চু সাইফুল ইসলাম সহ ১৫ থেকে ২০ নেতাকর্মী আহত হন।

বরগুনা : বেতাগী পৌরসভায় বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোঃ হুমায়ুন কবির জানান, তিনিসহ পরিবারের সদস্যরা শহরের উপজেলা পরিষদের সামনের বাড়িতে কয়েকজন কর্মীর সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। শনিবার রাত ১২টার দিকে হঠাৎ ছাত্রলীগ-যুবলীগের শতাধিক নেতাকর্মী ধর ধর বলে তার বাড়িতে হামলা চালায়। দরজা খোলা থাকায় সহজেই হামলাকারীরা ঘরে ঢুকে লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আসবাবপত্র ভাংচুর করে।

১০ থেকে ১৫ মিনিট পরে হামলাকারীদের সঙ্গে শতাধিক লোক যুক্ত হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলা এ হামলায় পাশের আরও দুইটি ঘর, একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, একটি মাইক্রোবাস ও একটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে তারা। হামলাকারীদের অধিকাংশ মাথায় হেলমেট পরিহিত ও মাফলার দিয়ে মুখ ঢাকা ছিল বলে তিনি জানান। এ সময় তারা সাড়ে ৫ লাখ টাকা, ২৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ কিছু মূল্যবান জিনিসপত্রও লুটে নেয়।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ বি এম গোলাম কবিরের সমর্থকরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন হুমায়ুন কবির। অভিযোগ অস্বীকার করে এ বি এম গোলাম কবির বলেন, আমরা তাদের ওখানে কোনো হামলা করিনি, বরং তারা উল্টো আমার অফিস ও এক সমর্থকের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। হুমায়ূন কবিরের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাংচুরের বিষয়ে তিনি বলেন, এটা তাদের (বিএনপি) অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে ঘটানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম : সাতকানিয়ায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাজী রফিকুল আলম গ্রেফতার হওয়ার ভয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। রোববার নগরীর প্রবর্তক মোড়ে বন্ধুর ব্যবসায়িক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ ঘোষণা দেন।

তিনি জানিয়েছেন, সরকারি দলের নেতাদের অব্যাহত চাপ, মিথ্যা মামলা দায়েরের মাধ্যমে তাকে ও নেতাকর্মীদের হয়রানি এবং হুমকির কারণে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন। পরিবার এবং নেতাকর্মী, সমর্থকদের মামলা-হামলা থেকে রক্ষা করতে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

সিরাজগঞ্জ : শাহজাদপুর পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম জানান, শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নির্বাচনী গণসংযোগ শেষে শাহজাদপুর উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন শেখ হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। রূপপুর পুরানপাড়া আতাউরের বাড়ির কাছে পৌঁছলে ১০ থেকে ১৫টি মোটরসাইকেল ও পাজেরো জিপ নিয়ে অর্ধশতাধিক দুর্বৃত্ত তার ওপর বোমা হামলা করে। এ সময় তারা ফাঁকা গুলি ছোড়ে। বোমার আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে দুর্বৃত্তরা রড দিয়ে পিটিয়ে তার হাত-পা ভেঙে দেয়।

এলাকাবাসী আহত ইয়াছিনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে রোববার দুপুরে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এর পর রাত দেড়টার দিকে টুটুল নামের এক কর্মী ধানের শীষের গণসংযোগ শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার সময় হামলার শিকার হন।

এছাড়া বিএনপি মেয়র প্রার্থী দ্বারিয়াপুরের দুটি বাসভবনের সামনে, দ্বারিয়াপুর মিতা ভবনের সামনে, রূপপুর, উপজেলা চত্বর, মণিহার সিনেমা হলের সামনে ও কান্দাপাড়ায় ব্যাপক গুলি ও বোমা হামলা চালানো হয়। অপরদিকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও সতন্ত্র প্রার্থী আবদুর রহিম (নারিকেল গাছ) অভিযোগ করেছেন, তার প্রচার মাইক রূপপুর নতুন পাড়া পৌঁছলে সন্ত্রাসীরা ভাংচুর করে। এ ব্যাপারে শাহজাদপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। এখনও কেউ অভিযোগ করেনি।

পাবনা : সুজানগরে বিএনপির মেয়র প্রার্থী আজম আলী বিশ্বাস জানান, রোববার বিকাল ৩টার দিকে তার সমর্থকরা পৌরসভার মানিকদিয়া এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আবদুল ওয়াহাবের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালায়। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন তোফাও একই অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, প্রচারণা শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর লোকজন আমার কর্মীদের বাড়ি ভাংচুর, হামলা ও মারপিট করে আসছেন। বার বার পুলিশে ও রিটার্নিং অফিসার বরাবর অভিযোগ করেও লাভ হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে সুজানগরের ভোটাররাও অতঙ্কিত। রোববার মানিকদিয়ার এলাকায় তার কর্মীদের ওপর ওয়াহাবের লোকজন হামলা করেন। বিষয়টি অস্বীকার করে মুঠোফোনে ওয়াহাব বলেন, নিজেদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে, কিন্তু দোষ দেয়া হচ্ছে আমার ও আমার লোকজনের ওপর।

ময়মনসিংহ : ত্রিশালে পৌর নির্বাচনের গণসংযোগকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এবং দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দরিরামপুর এলাকায় রোববার বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য আকরাম হোসেন, যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান। গুরুতর আহত আকরাম হোসেনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকি দুজনকে ত্রিশাল উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা ত্রিশালের বর্তমান মেয়র ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এ বি এম আনিছুজ্জামানের সমর্থক বলে জানা গেছে।

শেরপুর : শনিবার সন্ধ্যায় ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সিংপাড়ায় মহল্লায় কাউন্সিলর প্রার্থী কাজী মতিউর রহমান মতির নারী সমাবেশ চলছিল। এ সময় প্রতিদ্বন্দ্বী কাউন্সিলর প্রার্থী মাসুদ রানার তিন সমর্থক সেখানে গণসংযোগে যান। এ সময় মতির সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালান। তাদের মোবাইল ও মোটরসাইকেলও রেখে দেয়া হয়। হামলায় সাইফুল, ভুট্টু ও রাজু আহত হন।

ভোলা : পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী শওকাত হোসেনের মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণ ও হামলা চালিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। এতে পাঁচজন আহত হয়েছেন। শনিবার রাত ৯টার দিকে কালিখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অপর কাউন্সিলর প্রার্থী রুহুল আমিনের সমর্থকরা এ হামলায় জড়িত বলে অভিযোগ করেন শওকাত হোসেন।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts