September 26, 2018

শেষ পর্যন্ত ত্রীকে রেখে ভারতে গেলেন না স্বামী

স্ত্রীকে রেখে ভারতে গেলেন না স্বামী

ডেস্ক রিপোর্টাঃ   শোনা যাচ্ছিল সদ্য বিলুপ্ত লালমনিরহাটের গোতামারী ১৩৫ নম্বর ছিটমহলের কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মণ তার স্ত্রী সুচরিতা রানীকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে চলে যাবেন এমনটিই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যেতে পারলেন না। তালিকায় নিজের নাম থাকলেও স্ত্রী সুচরিতার নাম ছিল না । এজন্য তিনিও যেতে পারলেন না।

শুধু তারাই নন, গায়েত্রী রানী ভারতে চলে গেলেও ট্রাভেলপাস জটিলতার কারণে স্বামী গোপাল চন্দ্র বর্মণ ও মেয়ে পূজাকে সঙ্গে নিতে পারেননি। এছাড়া মহুবার রহমানের ভারতে যাওয়ার কথা থাকলেও তিনি যাননি। তবে নাগরিকত্ব পাওয়া বাকী ৬৩ নারী-পুরুষ বৃহস্পতিবারই ভারতে চলে গেছেন।

উপজেলা প্রসাশন সূত্রে জানা যায়, গায়িত্রীর স্বামী গোপাল চন্দ্র বর্মণ বিলুপ্ত গোতামারী ১৩৫ নম্বর ছিটমহলের বাংলাদেশি ভূ-খণ্ডের বাসিন্দা ছিলেন। যৌথ হালনাগাদ তালিকায় গায়েত্রী রানীর নাম উঠলেও স্বামী গোপালের নাম উঠেনি। আরেক ভারতগামী কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মণের স্ত্রীর নাম উঠেনি তাই যেতে পারেননি সুচরিতা রানী।

কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মণ জানান, গত সেপ্টেম্বরে হাতিবান্ধা উপজেলার দইখাওয়া গ্রামের সুরেন্দ্র নাথের মেয়ে সুচরিতার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। ভারতে গমনের ব্যাপারে কয়েকদিন থেকেই উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তিনি। ভারতে যাওয়ার জন্য তাকে বুড়িমারী স্থলবন্দর আসতে বলা হয়। ভারতে যাওয়ার জন্য তার অনুমতি থাকলেও স্ত্রী সুচরিতার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তই দেয়নি প্রশাসন। এজন্য স্ত্রীকে রেখে তিনি যেতে পারেননি।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার সন্দ্বীপ মিত্র জানান, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে যারা যেতে পারবেন না তাদের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আগে যারা যাচ্ছেন তাদের হোক। কেউ বঞ্চিত হবেন না।

এ ব্যাপারে হাতিবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহবুবুল আলম জানান, যারা যাচ্ছেন না তাদের বিষয়ে ভারতীয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলা হবে।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts