November 18, 2018

‘শেখ হাসিনা রাষ্ট্রনায়কত্ব গ্রহণ না করলে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের মুখ দেখতো না’

অমিত রায়
ঢাকা থেকেঃ  আজ ১৬ মে ২০১৬ইং তারিখ রোজ সোমবার সকাল ১০.০০ ঘটিকায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ আয়োজিত রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৩৫বছর পূর্তি উপলক্ষে “রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম” ও “বিশ্বে আজ ধ্রুবতারা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা” গ্রন্থের সপ্তাহব্যাপী সংবাদচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর ৬নং গ্যালারীতে এবং এ উপলক্ষ্যে যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশীদ এর স ালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফারুক চৌধুরী বলেন। শেখ হাসিনা নেতৃত্বগ্রহণ না করলে আদৌ বাংলাদেশ গণতন্ত্রের মুখ দেখতো কি না সন্দেহ আছে। কারণ জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যার পর এদেশ উল্টোপথে যাত্রা শুরু করে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা তার দেশপ্রেম, মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে বীরত্বের উত্তারাধিকারের পরিচয় দিয়েছেন।

অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ১৫ আগস্টের পর আমরা এমন অবস্থায় নিমজ্জিত হয়েছিলাম যা থেকে রক্ষা পাওয়া ছিল দুরহ কাজ। শেখ হাসিনা এদেশে এসে জাতির জনক হত্যাকারী ও পাকপন্থিদের হাত থেকে এদেশ ও দেশের মানুষকে রক্ষা করেছেন। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র আজও থেমে নেই।  সেই চক্র এখনও সক্রিয়।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আছে বলেই উন্নয়ন হচ্ছে। তিনি আগামী ১০ বছর বাংলাদেশের নেতৃত্বে থাকলে বিশ্বের অন্যতম উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান বলেন, আমাদের পরম সৌভাগ্য যে শেখ হাসিনার মতো মানুষ আমাদের দেশের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন। তা না হলে এদেশের সার্বিক পরিস্থিতি যে কী হতো তা তো বিগত দিনে আমরা দেখেছি। শেখ হাসিনার ক্ষমতা সম্পর্কে আজ সারা বিশ্বও ওকিবহাল। সে কারণেই তার অনুপস্থিতিতে আজ বিশ্বে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সভা সমাবেশ হয় না।

একুশে টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, শেখ হাসিনা দেশের নেতৃত্বে না থাকলে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের নামে যেমন কালিমা লোপন করা হয়েছিল তা মুছে ফেলতে পারতেন না। বঙ্গবন্ধু হত্যা ও যুদ্ধাপরাধীর বিচারের মাধ্যমে তিনি কলক্সম মোচন করছেন। শেখ হাসিনা এদেশের মানুষের মর্যাদাকে সমুন্নুত করেছেন। তিনি দেশের ইতিহাস ঐতিহ্যকে ধারণ করে দেশকে কলঙ্কের হাত থেকে রক্ষা করেছেন।

সাংবাদিক নঈম নিজাম বলেন, শেখ হাসিনা চিন্তা ও রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতা অনেকাংশেই প্রতিবেশি দেশ ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত ইন্দিরা গান্ধীর সাথে তুলনা করা চলে। ইন্দিরা গান্ধী যেভাবে দেশ ও মানুষের সংকটে কথা বলেছেন দিক নির্দেশনা দিয়েছেন শেখ হাসিনার চরিত্রেও আমরা সে গুণ লক্ষ্য করি। তাই আমি বিশ্বাস করি তার নেতৃত্বে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গঠন সম্ভব। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ৮১ সালে দেশে ফিরে আসার আগে ঘোষণা দিয়েছিলেন অবরুদ্ধ গণতন্ত্র ফিরে আনার জন্য দেশে ফিরবেন। তিনি কথা রেখেছেন।

দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামে তাকে গুলির মুখে যেমন পড়তে হয়েছে, তেমনিভাবে গ্রেফতারও হয়েছেন বিভিন্ন সময়ে। তারপরও তিনি নীতিতে অটল থেকেছেন। প্রথম মেয়াদে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে পার্বত্য চট্রগ্রামে শান্তি চুক্তি করেছেন। সে সময়ে তার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি ছিল। কিন্তু দেওয়া হয়নি। ২০০৯ সালে বিডিআর বিদ্র্রোহ যেভাবে সামাল দিয়ে সেনাবাহিনীতে শান্তি শৃঙখলা ফিরিয়ে এনেছিলেন সেজন্যও তাকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা দরকার ছিল। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন দিগন্ত সুচিত হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহারিচালক শামীম মোহাম্মদ আফজাল বলেন, মওদুদী জামায়াতীরা এদেশের নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য জাতিকে দিধা বিভক্ত করতে চেয়েছে কিন্তু অত্যন্ত সাহস ও দক্ষতার সাথে শেখ হাসিনা জাতিকে সে স্থান থেকে উদ্ধার করেছেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল আহসান খান বলেন, দেশ বিরোধীরা এখনো সক্রিয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাবে-এটা তারা চায় না।

বিশ্ব রাজনীতিতে এক অস্থির সময় চলছে। সুশাসন এবং দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রের ধ্বজাধারীরা সব পানামা পেপারস কেলেংকারীতে জড়িয়ে পরেছেন। পদত্যাগ করেছেন আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। আইসল্যান্ডকে বলা হয় বিশ্বে সবচেয় কম দুর্নীতি গ্রস্থ দেশ গুলোর একটি। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুনও করফাঁকির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে তার আয়করের বিবরনী প্রকাশ করেছেন। রাশিযার প্রেসিডেন্ট পুতিন তো দুর্নীতির গলা পর্যন্ত অভিযোগ নিয়ে দিব্যি রাষ্ট্রপরিচালনা করছেন।

পানামা পেপারসে নাম না থাকলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তার শাসনামলের শেষ পর্যায়ে এসে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ নিয়ে দারুন কোনঠাসা। তার স্বাস্থ্যনীতি সহ বিভিন্ন কর্মসূচী রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলামা রুসেফ কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে অভিশংসন মোকাবেলা করছেন। চীনের প্রেসিডেন্ট তো গলা পর্যন্ত দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যে সাতরাচ্ছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মুক্ত চিন্তা ও ভিন্নমত দমনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জার্মান চ্যান্সেলরের বিরুদ্ধে ইউরোপকে অনিরাপদ এবং বিপদজ্জনক করার অভিযোগ উঠছে।

শুধু যারা রাষ্ট্র প্রধান তাদের নিয়েই নয়, রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধান প্রত্যাশীরাও অদ্ভুত সব ঝগড়া জড়িয়ে পরছেন। নিউইয়র্কে টাউন হলে হিলারী ক্লিনটন আর বার্নি স্যান্ডাস যে ভাষায় ঝগড়া করলেন, তারচেয়ে আমাদের কলতলার ঝগড়াও বেশ মার্জিত। আর রিপাবলিক্যান মনোনয়ন প্রত্যাশী ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথা তো বাদই দিলাম। এই হলো মোটা দাগের বিশ্বরাজনীতির হাল হকিকত। নেতারা বা রাষ্ট্রও সরকার প্রধানরা স্বার্থপর, দেশ ও জনগনের কথা চিন্তা করেন না, তাদের কোন রাষ্ট্রদশৃন নেই।

আকণ্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কোন কর্মপরিকল্পনা নেই। বিশ্ব রাজনীতির এই দৈন্যদশায় ছোট্ট এক গরীব দেশেই শুধু প্রজ্জলিত হচ্ছে আশার আলো। একজন রাষ্ট্রনাযক আজ ক্রমশ:ই বিশ্বরাজনীতির রোলমডেল হয়ে উঠছেন। তিনি হলেন রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনাকে এখন বলা হচ্ছে ছোট দেশের বড় নেতা। সারা বিশ্বে আজ বদলে যাওয়া দেশটির নাম বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশ কেন বদলে যাচ্ছে-এর হাজারো উত্তরের সমষ্টির নাম শেখ হাসিনা।

যুবলীগ চেয়ারম্যান আরো বলেন সম্প্রতি মার্কিন প্রভাবশালী সাময়িকী ফরচুন বিশ্বের সবচেয় প্রভাশালী ৫০ ব্যত্তিত্বের তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় ১০ম স্থানে আছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২৪ মার্চ এই তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। ফরচুনে শেখ হাসিনাকে অন্তভুক্তির কারণ হিসেবে বলা হয়েছে যে ‘মুসলিম বিশ্বে একমাত্র নারী নেতা হিসেবে শেখ হাসিনা দক্ষতার সংগে ইসলামী ঐতিহ্য  ও নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছেন। শুধু ফরচুন কেন, বিশ্বের যে কোন প্রান্তেই আজ সাহসী এবং প্রাজ্ঞ নেতৃত্বের তালিকায় প্রথম দিকে আছে শেখ হাসিনার নাম। এই মুহুর্তে সবচেয়ে অভিজ্ঞ এবং জনপ্রিয় রাষ্ট্রনায়কের নাম শেখ হাসিনা। দীর্ঘ ৩৫ বছর তিনি দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের নেতা। মৃতপ্রায় এই দলটির নেতৃত্ব শেখ হাসিনা নিয়েছিলেন ১৯৮১ সালে। ৩৫ বছর আগে ১৭ মে তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।

তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এখন সবচেয়ে স্বস্তির সময় কাটাচ্ছে। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের প্রধান রাজনৈতিক সংগঠনটি এরকম চাপহীন অবস্থায় অতীতে কখনও ছিলো না। টানা ৭ বছরের বেশী ক্ষমতায় দলটি, বিরোধী দলের চাপ নেই, আওয়ামী লীগ বাধাহীন। দলটির আদর্শিক মানের অধ:গতি, দলের নেতা কর্মীদৈর চেতনার মান-ইত্যাদি বিষয় নিয়ে নানা তর্ক-বিতর্ক আছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো আওয়ামী লীগ এমন নিরুডপ সময় কবে কাটিয়েছে, সে প্রশ্ন করে আহলাদের ঢেকুর আওয়ামী লীগ তুলতেই পারে। যে দলটির হাত ধরে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে, যে দলটি বাঙালীর অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে, সেই দলটির হাতধরে বাংলাদেশ আজ অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিস্ময় জাগানিয়া পথে পা বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ যে দ্রুত এগিয়ে যাচ্চে-এনিয়ে কোন বিতর্ক নেই।

আওয়ামী লীগের জন্মই হয়েছিল বিরোধিতার মুখে। মুসলিম লীগের দু:শাসন অপরিনাম দর্শিতার প্রেক্ষাপটে জনআকাংখার মুখে আওয়ামী লীগের অভ্যুদয়। এরপর দীর্ঘ সংগ্রাম। ৫ তে কয়েকদিনের জন্য ক্ষমতায় থাকা দলটির ইতিহাস যেন বাঙালীর ইতিহাসের সমান্তরাল। নির্যাতন, নিপীড়ন, জেল, জুলুম-আওয়ামী লীগের নিত্যসঙ্গী ছিলো। কিন্তু এইসব বাধাকে অতিক্রম করেই আওয়ামী লীগ বিপুল জনপ্রিয়তা নিয়ে ৭০ এর নির্বাচনে বিজয়ী হয়। জাতির পিতা ছিলেন বাঙালীর মুক্তিদাতা। তার যত্মোহনী ক্ষমতায় বাঙালী যে ফুঁসে ওঠে, যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে এক অসম যুদ্ধে বিজয়ী হয়। কিন্তু ৭১ এর ১৬ ডিসেম্বরের বিজয়ের পর স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রা পথ ছিলো বন্ধুর। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ৭৫ এর ১৫ আগষ্ট নির্মম ভাবে স্বপরিবারের নিহত হলেন বঙ্গবন্ধু।

তারপরের ইতিহাস শেখ হাসিনার জন্য নির্বাসনের- বেদনার ইতিহাস। দিনের পর দিন দেশে আসতে পারেননি স্বজনহারা এই মানুষটি। কিন্তু দেশে ফেরার আকুলতা ছিল সব সময়ই। সেই আকুলতা থেকেই চেষ্টা করেছেন দেশে ফেরার। নানা ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে এসেছেন ও ফিরে। আর অমানিশার আধার থেকে আমাদের মুক্তি দিতে এগিয়েছেন সামনের দিকে, এগিয়ে দিয়েছেন দেশকে। এখনও অগ্রযাত্রা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছে সামনের দিকে।

আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, যুবলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ সেরানিয়াবাত, মজিবুর রহমান চৌধুরী, আব্দুস সাত্তার মাসুদ, এড. বেলাল হোসাইন, অধ্যাপক এ বি এম আমজাদ হোসেন, আনোয়ার হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক মহিউদ্দিন আহম্মেদ মহি, মঞ্জুর আলম শাহীন, সুব্রত পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক আতিক, আসাদুল হক আসাদ, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুল ইসলাম মিজু, ইকবাল মাহমুদ বাবলু, শ্যামল কুমার রায়, জাকিয়া আক্তার শেফালী, নবী নেওয়াজ এমপি, রবিউল আলম,  কেন্দ্রীয় নেতা রওশন জামির রানা, এন আই আহম্মেদ সৈকত, মনিরুল ইসলাম হাওলাদার।

ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তর সভাপতি মাইনুল হাসান খাঁন লিখিল, ভার প্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তাসভীরুল হক অনু, ঢাকা মহানগর দক্ষিন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হারুন অর রশিদ।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন ডেরি/১৬ মে ২০১৬

Related posts