December 13, 2017

শেখ হাসিনার বাংলাদেশ এখন আমদানীর নয় রপ্তানির দেশ – আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী

000এ কে আজাদ, চাঁদপুর : বাংলাদেশ যুবলীগের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধরু ৭ মার্চের ভাষনে যা যা বলেছে তার সবই প্রয়োগ করেছেন। জননেত্রী শেখ হাছিনাও সেই মানুষ যা বলেন, তা বাস্তবায়ন করেন। আর আমাদের কাজ হচ্ছে জনমত সৃষ্টি করা। জনগণকে বুঝানো, আমরা বাংলাদেশ যুবলীগ যে কাজটি করি সেটি হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে গবেষনা করা। বাংলাদেশ যুবলীগ ২০১২-১৩ সালে দেশী বিদেশী গবেশষকদের সমন্বয়ে ৩৯ দেশে গবেষনা চালিয়েছেন সেখানে দেখা গেছে শেখ হাসিনা এমন এক রাষ্ট্রনায়ক আগামী ২০ বছর ৫০ বছর পরে এই দেশ কেমন হবে তিনি তার মেধা দিয়ে ঠিক করেছেন। সেখান থেকেই বেড়িয়ে এসেছে জনগণের ক্ষমতায়ন নিয়ে তার রাজনীতি। সেটা হচ্ছে, জনগণের ভোটের অধিকার, ভাতের অধিকার কথা বলার অধিকার। আর সেই ভোটের অধিকার জিয়াউর রহমানের সময় কেমন ছিল, দশটা হুন্ডা, বিশটা গুন্ডা আর নির্বাচন ঠান্ডা এর সাথে হাঁ না ভোট। ভোট ছিল মোট ১শ’ ভোট পড়েছে ১শ ১৩টা । আর এরশাদ সাহেবের ভোট ছিল মিডিয়া কু, রাত ১২টা ১টার পর ঘোষনা দিলেন জাতীয় পার্টি জিতে গেছেন। বেগম খালেদা জিয়ার সময় সোয়া কোটি ভূয়া ভোটার দিয়ে কি করেছে সেটা সবারই জানা। আর শেখ হাসিনা বলেন, আমার ভোট আমি দেব যাকে খুশি তাকে দিব। তাদের সময় ভাতের অধিকার ছিল দেশে আমদানির উপর নির্ভর চাল আমদানি, চিনি আমদানি, মরিচ আমদানি। আর শেখ হাসিনার সময় আমদানি নয়, শুধু রপ্তানি। শেখ হাসিনার বাংলাদেশ এখন আমদানীর দেশ নয় রপ্তানির দেশ। আগে তরকারী পাওয়াযেত এক সৃজনে আর এখ বার মাস সব ধরনের তরকারী পাওয়া যাচ্ছে। তিনি যুবলীগের নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, একজন মানুষের ২৫ বছর হচ্ছে একাডেমিক জীবন এরপর চলে আসে বাস্তবতায়। এই বাস্তবতা থেকে আপনার কর্ত্যব্য পালন শুরু মা-বাবার প্রতি, দেশের প্রতি, সমাজের প্রতি, প্রতিবেশীর প্রতি, ইমাম সাহেবের প্রতি আপনার কর্ত্যব্য। এর মানে প্রতিপক্ষ আপনার কাছে কি আশা করে সেই কর্তব্য আপনাকে পালন করতে হবে। অতএব যুবলীগ যারা করবেন এই অসাধারন জ্ঞান আপনাকে রাখতে হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপুর যাওয়ার পথে ওয়ারলেচ মোড়ে এক পথ সভায় তিনি এ কথাগুলো বলেন। জেলা ছাত্রালীগের সাবেক সাধারণ সস্পাদক এড. জাহিদুল ইসলাম রোমান ও জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক মাহফুজুর রহমান টুটুলের আয়োজনে পথসভাটি রূপনেয় জনসভায়। যুবলীগের কয়েক হাজার নেতা কর্মী বিভিন্ন ব্যানার ফ্যাস্টুন হাতে নিয়ে রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে স্বাগত জানান। এ সময় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সস্পাদক হারুনুর রশিদ, দপ্তর সস্পাদক কাজী আনিছুর রহমান, ঢাকা মহানগর (উত্তর) যুবলীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম নিখিল, ঢাকা মহানগর (দক্ষিন) যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন স¤্রাটসহ কেন্দীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনীক সস্পাদক আইয়ুব আলী বেপারী, পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সস্পাদক হুমায়ুন কবির খান, সদর উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক হুমায়ুন কবির সুমন, যুগ্ম-আহবায়ক তাজুল ইসলাম মিয়াজী, পৌর যুবলীগের আহবায়ক মালেক বেপারী, যুগ্ম-আহবায়ক ইকবাল হোসেন বাবু পাটওয়ারীসহ সদর উপজেলা ও পৌর যুবলীগের সকল সদস্যসহ সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর পূর্বে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে ২ শতাধিক মোটর সাইকেল দিয়ে শোভা যাত্রার মাধ্যমে মতলব ফেরীঘাট থেকে এগিয়ে আনা হয়।

Related posts