January 16, 2019

লেবানন বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতির জনকের শাহাদাত বার্ষিকী পালন

Untitled-1

বাবু সাহা,লেবাননঃ১৫ই আগষ্ট-জাতীয় শোক দিবস। বাংলার মানুষের কাছে এক বেদনাময় ও দুঃখ ভারাক্রান্ত দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঘাতকের নির্মম বুলেটে স্বপরিবারে ছিনিয়ে নেয়া হয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীদের হয়ে কাজ করা ঘাতকচক্রের বুলেটে ঝাঁঝড়া হয়ে যায় সেদিন বাংলাদেশের হৃদপিন্ড। রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা পিতাকে রক্ষায় সে দিনের ব্যর্থতাও ছিল হিমালয়সম। অসহায় দেশবাসী নীরবে কেঁদেছে সেদিন। উচ্চ স্বরে প্রতিক্রিয়াও ব্যক্ত করতে পারেনি কেউ। ঘাতকের নিষ্ঠুর বুলেট থেকে নাবালক শিশু আর অন্তঃস্বত্ত্বা নারীও সেদিন রক্ষা পাননি। পিতৃহারা এই জাতীয় শোক দিবসে মহান রাব্বুল আলামীনের কাছে সেদিনে শাহাদাতবরণকারী সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করছি।বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা হল জঙ্গীবাদ।জঙ্গীবাদের কারনে ১লা জুলাই পরবর্তী আমরা অন্য একটা বাংলাদেশে বাস করছি।বাংলাদেশের একটি চিহ্নিত গোষ্ঠী বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে একটি জঙ্গীবাদী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পায়তারা করছে।আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জঙ্গীবাদের মোকাবেলা করতে হবে।ঐক্যের কোন বিকল্প নাই।আপনারা যারা লেবাননে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে রাজনীতি করেন, তাদের উদ্দ্যেশ্যে  বলছি, আপনারা নিজেদের অন্তঃকোন্দল পরিহার করে বঙ্গবন্ধুর জীবনি থেকে শিক্ষা গ্রহন করে সুষ্ঠ ধারার রাজনীতি করুন।লেবাননে বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪১-তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস অনুষ্ঠানে দূতাবাসের মান্যবর রাষ্ট্রদূত আবদুল মোতালেব সরকার এসব কথা বলেন।

১৫ই আগষ্ট সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৯.০০টায় অনুষ্ঠিত শোক দিবস এর অনুষ্ঠানে প্রথমে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন মিশন প্রধান।পরে বিকাল ৪.০০ ঘটিকায় দূতাবাসের হলরুমে  অনুষ্ঠিত হয় প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন, বাণীপাঠ, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।। দূতাবাসের  জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ দিদারুল আলম এর  সঞ্চালনায় ও রাষ্ট্রদূত জনাব আব্দুল মোতালেব সরকার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রথমেই কোরান তেলওয়াত করেন দূতাবাসের হিসাব রক্ষক কর্মকর্তা আবুল হুসেন।পরে ১৫ই আগষ্ট নিহত শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন শেষে বাংলাদেশ  থেকে প্রেরিত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ।প্রবাসী কমিউনিটির পক্ষে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি, লেবানন এর নেতৃবৃন্দ।

সবশেষে শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মার মাগফেরাত ও দেশ-দশের কল্যাণে মুনাজাত ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

Related posts