September 25, 2018

লাস্ট চান্স ৩০ ডিসেম্বর—-সিইসি

486

স্টাফ রিপোর্টারঃ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ জানিয়েছেন, আইন অনুযায়ী পৌরসভা নির্বাচনের লাস্ট চান্স (শেষ সুযোগ) ৩০ ডিসেম্বর বলে। এ দিন নির্বাচন করা সম্ভব না হলে ইসিকে আইন ভঙ্গ করতে হবে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে রবিবার বিকেল ৫টায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ না হলে জানুয়ারিতে নির্বাচন করার সম্ভব কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আইন মোতাবেক নির্বাচন কারার জন্য ৩০ ডিসেম্বরই লাস্ট চান্স (শেষ সুযোগ)। এদিন নির্বাচন করা না হলে ইসিকে আইন ভঙ্গ করতে হবে।’

তিনি জানান, অনেকগুলো পৌরসভার ডিউ ডেট পার হয়ে যাবে। আমরা জানুয়ারিতে নির্বাচন করতে পারব না। জানুয়ারির প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভোটার তালিকা হালনাগাদ নিয়ে ইসি ব্যস্ত থাকবে। খসড়া তালিকা প্রকাশ করতে হবে, আপত্তি শুনতে হবে, সেগুলো নিষ্পত্তি করতে হবে।

সিইসি আরও জানান, এ ছাড়া ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। এর পর এইচএসসি পরীক্ষা হবে। কাজেই এর মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। কিন্তু ৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা শেষ হয়ে যাবে। আইন অনুযায়ী নির্বাচন করতে হলে এর মধ্যে ভোটগ্রহণ করতে হবে।’

রকিবউদ্দীন বলেন, ‘আমাদেরও কিছু আইনী বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সামনে পরীক্ষা, বিশ্ব ইজতেমা, ভোটার তালিকা হালনাগাদ রয়েছে। এ সব কারণে ৯০ দিন পেরিয়ে যাবে। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখতেই ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে যাচ্ছি।’

ইসির সিদ্ধান্ত সোমবার

বিএনপির সময় বাড়ানোর দাবির বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘আইনে যতদূর সময় রাখার কথা বলা হয়েছে, সে সময় দেওয়া হয়েছে। তবুও যেহেতু উনারা দাবি জানিয়েছেন, তাদের বলেছি, ফুল কমিশনে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাব।’

এমপিদের প্রচারণার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যে কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কোনো কথা বললে সেটি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করি। আমরা যদি আইনের কারণে তাদের দাবি না মানতে পারি, সেটিও তাদের জনিয়ে দেওয়া হবে। সোমবার এ বিষয়ে কমিশনে সিদ্ধান্ত নেব।’

নেতাকর্মীদের আটক করা হচ্ছে বলে বিএনপি অভিযোগ করছে, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির জন্য তাদের মুক্তিতে প্রশাসন বা পুলিশকে কোনো আহ্বান জানাবেন কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের এ্যাকশনগুলি হাইকোর্টে যাবে। আমরা কোর্টের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। উনারা যে সিদ্ধান্ত দেবেন, আমারা সেভাবে করতে বাধ্য। আগেও এভাবে নির্বাচন করেছি। তবে কাউকে যদি হয়রানি করা হয়ে থাকে, কোর্টের মাধ্যমে সেটা নিষ্পত্তি হবে এবং মুক্তি পাবেন। তবে কাউকে অযথা হয়রানি করা হবে না এবং হওয়া উচিতও নয়।

রবিবার দুপুরে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি পৌরসভা নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণার সুযোগের দাবি জানায়। একই দিন বিএনপিও নির্বাচন ১৫ দিন পেছানোসহ আটক নেতাদের মুক্তি এবং এমপি-মন্ত্রীরা যাতে নির্বাচনে অংশ না নিতে পারেন তার দাবি জানায়।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts