November 21, 2018

রিজার্ভ ছাড়িয়েছে ৩২১০ কোটি ডলার

hবাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ ৩ হাজার ২১০ কোটি (৩২.১ বিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়েছে। এর আগে ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর রিজার্ভ ৩ হাজার ২০০ কোটি অতিক্রম করেছিল। তবে নভেম্বর-ডিসেম্বর মেয়াদে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) দেনা পরিশোধের পর তা ৩২ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে গিয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা জানান, বুধবার দিনের কার্যক্রম শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ৩ হাজার ২১০০ কোটি ডলার ছিল। প্রতি মাসে ৪ বিলিয়ন ডলার আমদানি খরচ হিসাবে এই রিজার্ভ দিয়ে আট মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। আর আগামী মার্চের শুরুতে আকুর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মেয়াদের আমদানি বিল পরিশোধের আগ পর্যন্ত রিজার্ভ ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলারের উপরেই অবস্থান করবে।

তিনি আরও জানান, গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। ২০১৬ সালে ১ সেপ্টেম্বর অর্থনীতির অন্যতম প্রধান এই সূচক ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়।

শুভঙ্কর সাহা বলেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স প্রায় ১৭ শতাংশ কমেছে। তবে একই সময়ে রপ্তানি আয় এবং বিদেশি সাহায্য বাড়ায় রিজার্ভ বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৯৩ কোটি ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা; যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২.৫২ শতাংশ কম।

আর চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে অর্থাৎ জুলাই-জানুয়ারি সময়ে গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৬.৯২ শতাংশ কম রেমিটেন্স এসেছে। তবে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের আগের অর্থবছরের চেয়ে রপ্তানি আয় প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছিল।

আর চলতি অর্থ বছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদ রপ্তানি আয় বেড়েছে ৪.৩৬ শতাংশ। এই সাত মাসে বিদেশি সাহায্য ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

অন্যদিকে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত আমদানি হালনাগাদের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ের সার্বিক আমদানি ব্যয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৮.১৮ শতাংশ বেড়েছে।

Related posts