November 18, 2018

‘রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে আমরা ঘোর বিরোধী’

ঢাকাঃ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমাদের অবস্থান পরিষ্কার, সুন্দরবন ধ্বংস, পরিবেশ বিনষ্ট করে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে আমরা ঘোর বিরোধী। এ ধরনের বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করতে হলে অন্য জায়গায় করা যেতে পারে, যেখানে পরিবেশের ক্ষতি হবে না।’

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সোমবার বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চন্দ্রিমা উদ্যানে সদ্য ঘোষিত নতুন কমিটি নিয়ে দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। এর আগে জিয়াউর রহমানের মাজারে নতুন কমিটির নেতাদের নিয়ে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করেন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কাউন্সিলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাহী কমিটি গঠনের জন্যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিছুদিন আগে নির্বাহী কমিটি গঠন করেছেন তিনি। সেই কমিটিতে স্থান পাওয়া নেতাদের নিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি আমরা।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজার থেকে আমরা শপথ নিয়েছি, বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও পুনঃরুদ্ধারে অগ্রণী ভুমিকা পালন করবে নতুন কমিটি।’

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা বরাবরই লক্ষ্য করেছি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সারাজীবন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও পুনঃরুদ্ধারে লড়াই করেছে। সেই দলটি আজ সম্পূর্ণভাবে একনায়কতন্ত্র ও একদলীয় ব্যবস্থা কায়েমের চেষ্টা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় বর্বরতম ওই গ্রেনেড হামলার সঙ্গে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে জড়ানোর চেষ্টা করছে তারা।’

অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় চার্জশিটে তারেক রহমানের নাম ছিল না। চতুর্থবার যে চার্জশিট দেওয়া হয় সেখানে তারেকের নাম জড়ানো হয়েছে।’

দীর্ঘ ৬ বছর পর গত ১৯ মার্চ বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এর প্রায় সাড়ে চার মাস পর গত ৬ আগস্ট ৫০২ সদস্যের জাতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করেন খালেদা জিয়া। কমিটি ঘোষণার ১৬ দিন পর দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন তিনি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, তরিকুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, মোহাম্মদ শাহজাহান, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. এ জে ড এম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, ইনাম আহমেদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, ইঞ্জিনিয়র আ ন হ আখতার হোসেইন, জয়নুল আবদীন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, শামা ওবায়েদ প্রমুখ।

Related posts