September 19, 2018

রাবিতে মৎস্য গবেষণায় নতুন পদক্ষেপ, দ্বিগুন লাভের আশা

RU PIC(1)স্টাফ রিপোর্টার: বছর জুড়ে মাছ চাষ করে দেশীয় উন্নয়ন সাধন ও মাঠ পর্যায়ে মৎস্য গবেষণা এবং দ্বিগুন লাভের মাধ্যমে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জনে নতুন পদক্ষেপ। দেশের উত্তরাঞ্চলে এর  কার্যক্রমটি শুরু হচ্ছে। সফলতা পেলে দেশের সর্বত্র ছড়িয়েও দেওয়া হবে প্রকল্পটি। ‘সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্ট অফ একুয়া কালচার ইন নর্থ ওয়েস্ট রিজন অফ বাংলাদেশ আন্ডার ক্লাইমেট চেঞ্জ’  নামক এই প্রকল্পটি প্রথম দিকে বাস্তবায়নে ব্যয় হবে প্রায় ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। সোমবার বিশ^বিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগ সংলগ্ন একটি পুকুর খননের মধ্য দিয়ে প্রকল্পটির উদ্ভোধন করেন রাবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহম্মদ মিজানউদ্দিন।
প্রকল্পটির আওতায় সফল গবেষণা করা গেলে দেশে মৎস্য উৎপাদন দ্বিগুন হবে বলে আশা করছেন মৎস্যবিদগণ। তাছাড়া  কোন নির্দিষ্ট এলাকা নয় দেশের প্রতিটি অঞ্চল মৎস চাষের উপযোগী হবে বলেও জানাচ্ছেন তারা।
কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগীতায় এই প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাজশাহী অঞ্চলে মোট ২৭ টি গবেষণা পুকুর নবায়নের কাজ এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ে ৯টি, রাজশাহীর চারঘাট -বাঘা মিলে ৯টি ও বগুড়া সদর উপজেলায় ৯টি পুকুর নবায়নের কাজ চলছে।
প্রকল্প পরিচালক ও বিশ^বিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক মো. ইশতিয়াক হোসাইন উত্তরাঞ্চলে প্রকল্পটি শুরুর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের দেশে যে পুকুর গুলো আছে তার বেশির ভাগ পুকুরে সারা বছর জুড়ে পানি ধরে রাখা সম্ভব হয়ে উঠে না। বেশি হলে ৩ থেকে ৫ মাস পানি ধরে রাখা যায়। মাছ চাষ করতে চাইলে আমাদের এই মাস গুলো কাজে লাগাতে হয়। এ কারণে মাছের উৎপাদন বেশি করা যায় না। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে গবেষণা অন্যান্য স্থানের চেয়ে কঠিন হয়ে পড়ে। তাই গভীর গবেষণা পুকুর খননের মাধ্যমে পানি ধরে রেখে উত্তরাঞ্চলকে সারা বছর মৎস চাষের উপযোগী করতে পদক্ষেপটি গ্রহন করা হয়েছে।
শুধু উত্তরাঞ্চল নয় গবেষণা কর্মে সফলতা আসলে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে এই প্রকল্পটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মৎস্য গবেষণার জন্য এই পদক্ষেপটিকে সাধুবাদ জানিয়ে বিশ^বিদ্যালয় উপাচার্য বলেন, মাছের উৎপাদন বাড়াতে পারলে দেশীয় উন্নয়ন সহজ হয়ে যাবে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলকে পাল্টে দেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।

Related posts