September 19, 2018

রহস্যাবৃত কে এই জেবা বখতিয়ার?

বিনোদন ডেস্ক: ১৯৯১ সালে পাকিস্তান থেকে ভারতবর্ষে এসেছিলেন। ভারতীয় অর্থাৎ বলিউড ছবিতে অভিনয় করতে। ছবির নাম ‘হিনা’। ঋষি কপূরের বিপরীতে রনধীর কপূর পরিচালিত ও প্রযোজিত ‘হিনা’ ছবি দিয়েই ভারতবাসীর মন জিতেছিলেন পাক অভিনেত্রী জেবা বখতিয়ার। সুপারহিট হয়েছিল ‘হিনা’। তারপর কেটে গিয়েছে অনেকটা সময়। বলিউডে আর তেমন ভাবে দেখা যায়নি জেবাকে। ২০০১ সালে একটি ছবিতে পরিচালনার কাজে হাত দিয়েছিলেন। ‘বাবু’ নামের পাক ছবিটি সেই ভাবে সাড়া ফেলতে পারেনি। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ‘হিনা’-র চর্চিত মুখ জেবা বখতিয়ারের কিছু অজানা তথ্য।

১৯৬২ সালে ৫ নভেম্বর পাকিস্তানের কোয়েটাতে জন্ম জেবার। লাহৌর আর কাতার থেকে পড়াশোনা শেষ করেন তিনি। পড়াশোনা শেষ করে বেশ কিছুদিন পাক টেলিভিশনেও কাজ করেছিলেন জেবা বখতিয়ার। ‘অনারকলি’ করে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। ‘হিনা’-র কাজে প্রশংসিত হলেও এই ছবির জন্য কোনও পুরষ্কার পাননি জেবা। ১৯৯৫ সালে পাক ছবি ‘সরগম’-এর জন্য নিগর পুরষ্কার পান অভিনেত্রী।

পাক রাজনীতিক ইঁয়াহা বখতিয়ারের কন্যা জেবা বখতিয়ার।’হিনা’-র পর আর কয়েকটি বলিউড ছবিতে কাজ করলেও প্রতিষ্ঠিত হয়ে উঠতে পারছিলেন না জেবা। তাই আবার তাকে পাকিস্তানে ফেরত যেতে হয়।প্রথম তিনি সলমন ভিলাইনি বলে এক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু বেশি দিন টেকেনি তাঁদের জুটি। অতঃপর বিবাহ বিচ্ছেদ।দ্বিতীয় যে ব্যক্তির সঙ্গে জেবা বিয়ে করেন তার সঙ্গেও বিচ্ছেদ হয়ে যায়। সেই পক্ষের কন্যা সন্তান ববির দেখভালের দায়িত্ব নেন জেবার বোন।

জেবার তৃতীয় স্বামী ছিলেন ভারতীয় অভিনেতা জাভেদ জাফরি। সেই সম্পর্কও ভেঙে যায়। কিন্তু জেবা চিরকালই সেই সম্পর্ক অস্বীকার করে এসেছেন। যদিও জাভেদ তাদের ‘নিকাহনামা’ মিডিয়ার সামনে দেখিয়েছেন।এর পর গায়ক, সুরকার আদনান স্বামীকে বিয়ে করেন জেবা। ১৯৯৭ সালে ডিভোর্স হয় তাদের দুজনের। এই সম্পর্ক নিয়ে একবার মুখ খুলেছিলেন জেবা। বলেছিলেন, “জেবা মানুষটিকে আদনান বিয়ে করেননি। বিয়ে করেছিলেন স্টার জেবা বখতিয়ারকে।”আদনানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সোহেল খান লেঘারি নামের একজনকে বিয়ে করেছিলেন এ অভিনেত্রী। আজান নামের একটি পুত্র সন্তানও আছে জেবার। বর্তমানে জেবা বখতিয়ারকে পাক টেলিভিশনেই বেশি দেখা যায়।

Related posts