November 20, 2018

রক্তের গ্রুপের ধরণ অনুযায়ী জেনে নিন চরিত্র

eaa3f_Untitled-2_long

প্রশ্ন জাগতে পারে, রক্তের গ্রুপ জানার আবার দরকার কিসের? হ্যাঁ দরকারটা আসলে বলে আসে না। দেখা যায় হঠাৎ করেই পরিচিত কারো জন্য রক্তের দরকার হলো। তখন হয়তো রক্তের গ্রুপ না জানা থাকায় কোনো কিছু বুঝে উঠতে পারেন না। কিন্তু যদি আপনার এবং পরিচিতদের রক্তের গ্রুপ সম্পর্কে আপনার আগে থেকেই জানা থাকে তাহলে জরুরি মুহূর্তে রক্তের জন্য বেশি দৌড়াদৌড়ি করা লাগবে না।
রক্তের গ্রুপ মূলত চার ধরনের হয়। যেমন এ, বি, এবি এবং ও। এখন প্রশ্ন, কার শরীরে কী গ্রুপের রক্ত বইছে তা জানা দরকার কেন? কারণটা হলো একেকটা ব্লাড গ্রুপের চরিত্র একেক ধরনের হয়। অর্থাৎ এ গ্রুপের অধিকারীরা যেমন চরিত্রের হবে বাকি গ্রুপের মানুষেরা কিন্তু একেবারেই তেমন হবে না। তাই আপনার রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী আপনি কেমন, তা জানাটা একান্ত দরকার।
চলুন জেনে নিই রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী মানুষের চারিত্রিক এবং শারীরিক বৈশিষ্ট্য কেমন হয়।
ডায়েট : একেক ব্লাড গ্রুপের মানুষ একেক ধরনের খাবার খেয়ে থাকে। যেমন ধরুন, আপনি যদি এ ব্লাড গ্রুপের হন তাহলে আপনার জন্য সবজি খুব উপকারী, মাংস একেবারেই নয়। আবার যারা ও ব্লাড গ্রুপের, তাদের বেশি করে খেতে হবে মাছ-মংস। কারণ আপনাদের প্রোটিনের খুব দরকার রয়েছে। বি রক্তের মানুষেরা রেড মিট খাবেন বেশি করে, অন্য মাংস নয়। তেমনি এবি গ্রুপের অধিকারীরা সামুদ্রিক খাবার এবং অল্প চর্বিযুক্ত মাংস খাবেন। তাহলে নিজের রক্তের গ্রুপ জানা থাকলে কোন খাবারটা আপনার শরীরের জন্য ভালো হবে তা জানতে কোনো অসুবিধাই থাকবে না।
নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে জানতে হবে : সবারই যে একই ধরনের শরীর খারাপ হয়, এমন নয় কিন্তু। একেক ব্লাড গ্রুপের মানুষদের একেক ধরনের সমস্যা হয়। তাই আজই নিজের ব্লাড টাইপ জেনে একটু রিসার্চ করে নিন না, কোন ধরনের রোগে আপনার আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা সব থেকে বেশি সে সম্পর্কে।

প্রতিক্রিয়া : কিছু ব্লাড গ্রুপের মানুষরা খুব তাড়াতাড়ি চাপে পড়ে যান। যেমন, ও গ্রুপের অধিকারীদের স্ট্রেসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই আজই নিজের রক্ত সম্পর্কে জানুন, আর সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন।
ওজন বৃদ্ধি : সবাই কিন্তু এক রকম মোটা হন না। কারণ জানেন? গবেষণায় দেখা গেছে ও ব্লাড গ্রুপের অধিকারীরা বাকিদের তুলনায় বেশি তাড়াতাড়ি মোটা হন।
বাচ্চা : আপনার বাবা-মা, আপনার এবং আপনার বাচ্চার রক্তের বিভাগ পরীক্ষা করার মাধ্যমে একথা জেনে নেয়া সম্ভব যে আপনারা কী ধরনের রোগে বেশি আক্রান্ত হবেন।
শরীরচর্চা : সবারই সব ধরনের শরীরচর্চা করা উচিত, এমন নয় কিন্তু। একেক ধরনের ব্লাড গ্রুপের জন্য একেক রকমের এক্সারসাইজ খুব ভালো কাজে দেয়। যেমন বি গ্রুপের অধিকারীরা মার্শাল আর্ট, টেনিস বা ওই ধরনের কোনো খেলাধূলা করতে পারেন যাতে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অন্যদিকে এ ব্লাড গ্রুপের যারা, তারা যোগাসন করলেই ভালো। এদের জন্য বেশি শারীরিক পরিশ্রম হবে, এমন শরীরচর্চা করা উচিত নয়।
ইমার্জেন্সি : ব্লাড গ্রুপ জানা থাকলে হঠাৎ কোনো অসুস্থতার সময় তাড়াতাড়ি চিকিৎসা শুরু করা অনেকাংশেই সম্ভব হয়। তাই আজই নিজের রক্ত সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করুন। না হয় কিন্তু বিপদ!
চরিত্র : কার চরিত্র কেমন হবে তা অনেকাংশেই রক্তের গ্রুপের ওপর নির্ভর করে। যেমন এ ব্লাড গ্রুপের লোকেরা খুব শান্ত এবং শৈল্পিক হন। অন্যদিকে ও গ্রুপের মানুষেরা ক্রিয়েটিভ এবং সামাজিক হন। বি গ্রুপের মানুষেরা হন খুব আত্মবিশ্বাসী। আর এবি গ্রুপের রক্ত যাদের শরীরে বইছে তারা লাজুক হলেও খুব বিশ্বস্ত হন।

Related posts