November 21, 2018

যৌতুকের দায়ে নির্যাতনের শিকার গাইবান্ধর সুমী বেগম

zakir photo

তোফায়েল হোসেন জাকির, স্টাফ রিপোর্টার : স্বামীর চাহিদা মতো যৌতুক দিতে না পারায় হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে সুমী বেগম (৩৫) নামের এক গৃহবধূকে বেধড়ক পিটিয়েছে স্বামী অফজাল হোসেন, শাশুড়ি রাহিলা বেগম ও জায়ের ছেলে সজিবসহ কয়েকজন। আহত সুমীকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত হাসপাতাল বিছানায় শারিরীক যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে সুমী বেগম।

ঘটনাটি ঘটেছে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের পুনতাইর উত্তরপাড়া গ্রামে। বুধবার বিকেলে এ নির্যাতনের শিকার হন সুমি। ওই বধু উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের তরুনীপাড়া গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের মেয়ে।

নির্যাতনের শিকার সুমী বেহম জানান, ১৮ বছর আগে উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের পুনতাইর উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত গোলজার রহমানের ছেলে আফজাল হোসেন (৪০) এর সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস পর আফজাল হোসেন সুমির কাছে ১ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। কিন্তু যৌতুক দিতে না পারায় স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে তার ওপর চালানো হয় নির্যাতন।

সুমি জানান, তিন সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে নির্যাতন সহ্য করে আসছিলেন তিনি। সংসারে অভাবের কারণে আফজাল গাজীপুরের একটি গার্মেন্টসে চাকরি নেয়। এরপর থেকেই শাশুড়ি রাহিলা বেগম ও জায়ের ছেলে সজিবের নির্যাতন বেড়ে যায়। একপর্যায়ে নিরূপায় হয়ে সুমি তিন সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন।

তিনি আরও জানান, বুধবার আফজাল গাজীপুর থেকে গ্রামের বাড়িতে আসেন। মোবাইল ফোনে কল দিয়ে সুমিকে যেতে বলেন।

সুমি আরও বলেন, বুধবার দুপুরে তিনি স্বামীর বাড়িতে যান। একপর্যায়ে তার শাশুড়ি রাহিলা বেগম একটি ঘরে ডেকে নেন। এ সময় শাশুড়ি, স্বামী ও জায়ের ছেলেসহ ৫/৬ জন তাকে মারপিট করতে থাকে। তারা সুমির হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে গাছের ডাল দিয়ে পেটায়। এতে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে রিক্সা-ভ্যানে করে বাবার বাড়ি তরুনীপাড়া গ্রামে পাঠিয়ে দেয়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করান।

হাসপাতালের ওয়ার্ড ইনচার্জ জিলান আকন্দ জানান, সুমি বেগমের শরীরে বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে।

শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন জানান, এর আগেও এ ধরনের ঘটনার কথা শুনেছি। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা জানার জন্য কয়েকবার চেষ্টা করেও আফজাল হোসেনকে পাওয়া যায়নি।

গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, এ ঘটনায় এখনও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
যৌতুকের দায়ে নির্যাতনের শিকার গাইবান্ধর সুমী বেগম

তোফায়েল হোসেন জাকির, গাইবান্ধা প্রতিনিধি: স্বামীর চাহিদা মতো যৌতুক দিতে না পারায় হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে সুমী বেগম (৩৫) নামের এক গৃহবধূকে বেধড়ক পিটিয়েছে স্বামী অফজাল হোসেন, শাশুড়ি রাহিলা বেগম ও জায়ের ছেলে সজিবসহ কয়েকজন। আহত সুমীকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত হাসপাতাল বিছানায় শারিরীক যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে সুমী বেগম।

ঘটনাটি ঘটেছে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের পুনতাইর উত্তরপাড়া গ্রামে। বুধবার বিকেলে এ নির্যাতনের শিকার হন সুমি। ওই বধু উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের তরুনীপাড়া গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের মেয়ে।

নির্যাতনের শিকার সুমী বেহম জানান, ১৮ বছর আগে উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের পুনতাইর উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত গোলজার রহমানের ছেলে আফজাল হোসেন (৪০) এর সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস পর আফজাল হোসেন সুমির কাছে ১ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। কিন্তু যৌতুক দিতে না পারায় স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে তার ওপর চালানো হয় নির্যাতন।

সুমি জানান, তিন সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে নির্যাতন সহ্য করে আসছিলেন তিনি। সংসারে অভাবের কারণে আফজাল গাজীপুরের একটি গার্মেন্টসে চাকরি নেয়। এরপর থেকেই শাশুড়ি রাহিলা বেগম ও জায়ের ছেলে সজিবের নির্যাতন বেড়ে যায়। একপর্যায়ে নিরূপায় হয়ে সুমি তিন সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন।

তিনি আরও জানান, বুধবার আফজাল গাজীপুর থেকে গ্রামের বাড়িতে আসেন। মোবাইল ফোনে কল দিয়ে সুমিকে যেতে বলেন।

সুমি আরও বলেন, বুধবার দুপুরে তিনি স্বামীর বাড়িতে যান। একপর্যায়ে তার শাশুড়ি রাহিলা বেগম একটি ঘরে ডেকে নেন। এ সময় শাশুড়ি, স্বামী ও জায়ের ছেলেসহ ৫/৬ জন তাকে মারপিট করতে থাকে। তারা সুমির হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে গাছের ডাল দিয়ে পেটায়। এতে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে রিক্সা-ভ্যানে করে বাবার বাড়ি তরুনীপাড়া গ্রামে পাঠিয়ে দেয়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করান।

হাসপাতালের ওয়ার্ড ইনচার্জ জিলান আকন্দ জানান, সুমি বেগমের শরীরে বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে।

শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন জানান, এর আগেও এ ধরনের ঘটনার কথা শুনেছি। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা জানার জন্য কয়েকবার চেষ্টা করেও আফজাল হোসেনকে পাওয়া যায়নি।

গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, এ ঘটনায় এখনও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Related posts