November 15, 2018

যেসব বিকল্প পথে বাংলাদেশে যাহা বন্ধ তাহাই খোলা!

শেখ ইসতিয়াক আহমেদ, ঢাকা থেকেঃ বতমানে বাংলাদেশের তরুন সমাজে একটি বিষয় নিয়ে বেশি কথা হচ্ছে।কেউ কেউ আবার সরকারের বিপক্ষে কথা বলতে পিছ পা হচ্ছে না।

বিষয় টি হলঃ- ফেসবুক, ভাইবার, হ্যাংআউট, লাইন, ইমো, মেসেঞ্জার, হোয়াটস অ্যাপসহ ৯-১০টি সামাজিক
যোগাযোগের মাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া ।

চলতি মাসের ১৮ তারিখ সকাল ১১টার পরে কেউ ফেসবুকে লগ ইন (login) করতে পারছিল না।
পরে সন্ধ্যার দিকে বিটিআরসির সচিব“সারোয়ার আলম” বরাদ দিয়ে জানা যায়…

‘জনগণের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে ইন্টারনেট ব্যবহার করে যেসব মেসেজিং অ্যাপস চালানো যায়, সেগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের সর্বোচ্চ মহল থেকে এই নির্দেশনা এসেছে। যাঁরা দেশের নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখে থাকেন, তাঁরাই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’

এবং আরও জানা যায় ফেসবুক, ভাইবার, হ্যাংআউট, লাইন, ইমো, মেসেঞ্জার, হোয়াটস অ্যাপসহ ৯-১০টি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ।

সরকার সোজাপথে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করে দিলেও ,সে দিন রাত থেকে বিভিন্ন বিকল্প উপায়ে অনেকেই ফেসবুক এবং অন্যান সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো চালানো শুরু করে দেয় বাংলাদেশের ব্যবহারকারীরা ।

বিকল্প ভাবে ফেসবুক চালাতে তারা মূলত , কয়েটা APPS, wifi এবং browser ব্যবহার করছে।
Apps এর ক্ষেতে মূলত Psiphon , Hola free vpn,Flash vpn , hotspot sheild vpn , Vypr vpn , identity cloaker উল্লেখ apps ব্যবহার করা হচ্ছে।

Browser:- এর ক্ষেতে মূলত Tor এবং UC browser ব্যবহার করছে।

Wifi:- আর যারা বাসায় Broadband Net ব্যবহার করে। তারা নেট ব্যবহার করার জন্য বাড়িতে wifi router লাগিয়ে থাকে । আর যাদের বাড়িতে রাউটার আছে। তারা সব চেয়ে বেশি সহজে উপায়ে ব্যবহার করছে ফেসবুক এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলো।কারণ router মেশিন যে ip তৈরি করে তা কোনো জায়গাতে রেকড করা থাকে না।তারা মূলত Opera Mini দিয়ে সহজে তারা ফেসবুক চালাতে পারে ।

আর এই বন্ধ ফেসবুকে বসে “ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে বিভিন্ন ভাবে প্রতিবাদ জানা বাংলাদেশের ফেসবুক ব্যবহারকারীরা।

সংবাদ দাতাঃ 

শেখ ইসতিয়াক আহমেদ ।

রিপোর্টার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ। 

Related posts