September 24, 2018

যেভাবে কমাবেন অ্যাসিডিটি

Captureবিনোদন ডেস্ক ::

কমবেশি সবাই এই অ্যাসিডিটি সমস্যায় ভোগেন। পাকস্থলী থেকে সৃষ্ট অ্যাসিড বা অম্ল ওপরের দিকে উঠে এলে এমন হয়। একে বলে গ্যাস্ট্রো ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিসঅর্ডার। আমরা যদি কিছু অভ্যাস বদলায় তাহলে এ সমস্যার সমাধান করা যায় সহজেই।

.একেবারে ভরপেট খেলে অ্যাসিডিটির সমস্যা বেশি হয়। যাঁদের অ্যাসিডিটি হয়, তারা সারা দিনে ভাগ করে অল্প অল্প করে খেতে পারেন। পেট খানিকটা খালি রেখেই খাবার শেষ করতে হবে। খাওয়ার সময় তাড়াহুড়ো করা যাবে না। ধীরেসুস্থে ভালো করে চিবিয়ে খেতে হবে।

.খাবার পরপরই চিৎ হয়ে শুয়ে পড়লে অ্যাসিড ওপর দিকে ঠেলে উঠতে পারে। ঘুমানোর অন্তত তিন ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে ফেলা ভালো। খাওয়ার পর বসে বই পড়া যায়। টিভি দেখা যায়। অথবা খানিক হাঁটাহাঁটিও করা যেতে পারে।

.তৈলাক্ত চর্বিযুক্ত খাবার, মসলাদার খাবার, বেশি পেঁয়াজ, রসুন, পুদিনা, চা-কফি, চকলেট ইত্যাদি কিছু খাবার সমস্যা বাড়ায়। বুক জ্বলার সমস্যা থাকলে এ ধরনের খাবার এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

.অ্যাসিডিটি কমাতে সেভেন আপ বা পেপসি পান করলে সাময়িক আরাম পাওয়া যায়। তবে এগুলো থেকে আরও অ্যাসিড হতে পারে। তাই পানিই বেশি পান করতে হবে।

.যাঁদের ওজন বেশি, তাদের বুক বা গলা জ্বলার সমস্যা বেশি হয়। ওজন কমাতে পারলে সমস্যা অনেকটাই কমানো সম্ভব।

.ধূমপান অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে দেয়। তাই ধূমপান না করলে অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি মেলে।

.খাওয়ার পর ভারী কাজ বা পরিশ্রম না করাই ভালো। হালকা হাঁটাহাঁটি চলবে। কিন্তু ভারী ব্যায়াম নয়।

.নানা রকমের ওষুধের কারণেও অ্যাসিডিটি হতে পারে। ব্যথানাশক এমিট্রিপটাইলিন, ইস্ট্রোজেন বা বিসফোসফোনেট-জাতীয় ওষুধে সমস্যা বাড়তে পারে। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে আলাপ করে নেওয়া ভালো।

Related posts