February 16, 2019

যশোরের চুরামনকাঠিতে যুবলীগ কর্মী খুন

যশোর ব্যুরো: যশোরের চুরামনকাঠিতে প্রতিপক্ষের গুলিতে এজাজ হোসেন (৪২) নামে একযুবলীগকর্মী খুন হয়েছেন। তিনি ঝাউদিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। দেড় বছর আগে একই সন্ত্রাসীদের হাতে মাছের ঘেরের বিরোধে খুন হন এজাজের বড় ভাই শহীদুল ইসলাম। সোমবার সকালে ছাতিয়ানতলা ও খিতিবদিয়ার মাঝামাঝি স্থানে মল্লিক বাড়ির প্রাচীরের পাশে ঘটনাটি ঘটে। মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে মাথার বাম পাশে গুলি করে এজাজকে হত্যা করা হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। আগে থেকেই সন্ত্রাসী মল্লিক বাড়ির প্রাচীরের কাছে ওঁৎ পেতে ছিল। এজাজ মোটরসাইকেলে মুলা নিয়ে চুড়ামনকাঠি বাজারে বিক্রি করতে যাচ্ছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে তার বাড়ির দূরত্ব প্রায় আড়াই কিলোমিটার।
এজাজের ভাই বাদল হোসেন জানান, সকাল ৮ টার দিকে এজাজ ক্ষেত থেকে মুলা নিয়ে মোটরসাইকেলে চুড়ামনকাঠি বাজার বিক্রি করতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ছাতিয়ানতলা ও খিতিবদিয়ার মাঝামাঝি স্থানে পৌঁছুলে(মল্লিক বাড়ির প্রাচীরের কাছে)প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী মোস্ত মেম্বারের নেতৃত্বে সবুজ,জুডো, কালাম,কবীরসহ,৬/৭ জন তার গতিরোধ করে মাথার পিছনে বাম পাশে গুলি করলে ইজাজ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। আগে থেকেই সন্ত্রাসীরা ওই স্থানে ওঁৎ পেতে ছিল। এজাজকে গুলি করার খবর শুনে এলাকাবাসি ও তার স্বজনরা এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডাক্তার আব্দুর রশিদ এজাজকে মৃত ঘোষণা করেন। ডা. আব্দুর রশিদ জানান, হাসপাতালে আনার আগেই এজাজের মৃত্যু হয়েছে।
এজাজের ভাই বাদল আরো জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া ইউপি নির্বাচনে মোস্তর বিপক্ষে তার ভাই এজাজ প্রতিদ্বন্দিতা করায় বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর আগে নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে মোস্ত বাহিনী তার ভাইয়ের ওপর হামলা চালিয়ে গুরুত্বর আহত করে ও হত্যার হুমকি দেয়। একই সন্ত্রাসীরা দেড় বছর আগে এজাজের ভাই শহীদুলকে খুন করে। ভাইয়ে খুনের আসামিরা এখনো পর্যন্ত আটক হয়নি। অথচ এরই মধ্যে সন্ত্রাসীরা আরো এক ভাইকে খুন করলো।
কোতয়ালি থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন জানান, কারা হত্যাকা-টি ঘটিয়েছে তা পুলিশ জানতে পেরেছে। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে বলা যাচ্ছে না।

Related posts