February 16, 2019

মুসলিম নিপীড়নের বিরুদ্ধে আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে

received_285239372184919চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের ওপর দমন-পীড়ন ও অত্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন- ইসলামী ঐক্যজোট সিলেট জেলার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আ.ক.ম এনামুল হক মামুন। আজ বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন- চীন সরকার জিনজিয়াং প্রদেশকে কারাগারে রূপান্তরিত করেছে। সেখানকার উইঘুর মুসলিমদের অসংখ্য ক্যাম্পে আটকে রেখে সংশোধনের নামে অমানবিক অত্যাচার করা হচ্ছে। জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী অস্থায়ী শিবিরে আটককৃত বন্দিদের সংখ্যা ১০ লাখের বেশি। আমরা জানতে পেরেছি যে, এসব গোপন বন্দি শিবিরে আটকে ধর্ম ত্যাগ করে কমিউনিস্ট পার্টির মতাদর্শে বিশ্বাস স্থাপনে উইঘুর মুসলিমদের বাধ্য করা হচ্ছে।

ইসলামী ঐক্যজোট নেতা আরো বলেন- চীনের বিভিন্ন অংশে ইসলাম ধর্মের বিধি-বিধান পালন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মুসলিমদের নামাজ, রোযা, দাড়ি রাখা ও নারীদের হিজাব এবং স্কার্ফ পরিধানেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বিভিন্ন মসজিদ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে গম্বুজ ও চাঁদ-তারার প্রতিকৃতি। মাদ্রাসা ও আরবি শিক্ষার ক্লাস নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ধর্মীয় কর্মকান্ডে শিশুদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এভাবেই যুগ যুগ ধরে মুসলমানদের অধিকার হরণ করে চীনকে মুসলিম শূন্য করার পরিকল্পিত নকশা বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে ইসলামবিদ্বেষী চরমপন্থী চীনা সরকার।

সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আ.ক.ম এনামুল হক মামুন বলেন- মুসলিমদের ওপর এই নিপীড়ন সম্পূর্ণ অমানবিক, বর্বর ও সভ্যতা বিবর্জিত। চীনের এই অমানবিক ও বর্বর মুসলিম নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ, ওআইসিসহ আর্ন্তজাতিক সংস্থা, মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ এবং আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, তা না হলে উইঘুর মুসলমানরা ভবিষ্যতে অস্থিত্ব সংকটে পড়েবে আর চীন পরিণত হবে দখলদার শক্তিতে, যা বিশ্বশান্তির জন্য শঙ্কা ও গভীর উদ্বেগের বিষয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Related posts