November 20, 2018

মুক্তি পেল স্বল্পদৈঘ্য চলচিত্র “জীবন”

finl im আবুসাইদ শেখ :  আমাদের সমাজে একটি ঘটনা অহরহ দেখা যায়। একজন মানুষ যখন বিপদে পড়ে, তখন তার কাছের মানুষগুলো পর হয়ে যায়। একে একে সবাই তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। কিন্তু কেন ? শিশির নামের ছেলেটির দুইটি কিডনি নষ্ট হয়ে যায়। চার বছর প্রেমের সম্পর্কের পর দুই বছরের সংসার নিতু নামের মেয়ের সাথে। নিতু ইচ্ছে করলেই একটি কিডনি দিয়ে শিশিরকে বাঁচিয়ে রাখতে পারতো। কিন্তু তিনি সেটি করলেন না। স্বামীকে মৃত্যুর মুখে রেখে চলে আসেন বাবার বাড়িতে। এমনকি বাবার বাড়িতে আসার পরে ডির্ভোস লেটার পাঠায় শিশিরের কাছে। আর তার বাবা মা আবার নিতুর বিয়ে ঠিক করে। অন্যদিকে শিশির ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়। নিতু একটি কিডনি দিয়ে সে দুর্বল হয়ে বাচঁতে রাজি নয় তাই শিশিরকে ফেলে রেখে চলে আসে। শিশির তার স্ত্রীর কাছ থেকে এতটুকু সহানুভুতি না পেয়েও মত্যুর সময় ঘনিয়ে আসছে ভেবে তার ভালোবাসার মানুষটিকে শেষ বারের মত একবার দেখার জন্য একদিন রাস্তার মাঝে নিতুর পথ আগলে দাড়ায়। নিতু তাকে তাড়িয়ে দেয় এবং তার বিয়ের দাওয়াত দেয়। বেঁচে থাকলে শিশির যেন এসে তার বিয়েতে পেট পুরে খেয়ে যায় এবং তার নতুন জীবনের জন্য দোয়া করে। একথা বলে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে চলে যায় নিতু। যাওয়ার সময়ই রোড এক্্িরডেন্টে মারা যায় নিতু। নিতুর দুটি কিডনিই পরবর্তীতে কাজে লাগে শিশিরের।
জীবন মত্যুর দিনক্ষন কোন মানুষই আগে থেকে জানেনা। তাই এই ছোট্ট জীবনে কেন মানুষকে দুরে ঠেলে দেওয়া ? কেন মানুষের বিপদে এগিয়ে আসতে পারিনা ? এই জীবনে যতটুকু পারবো অন্যের বিপদে এগিয়ে আসতে যেন পারি। অন্যের বিপদে যেন হাত বাড়িয়ে দিতে পারি।
এমন একটি গল্প নিয়ে র্নিমিত হয়েছে স্বল্পর্দৈঘ চলচ্চিত্র জীবন। সৃষ্টি এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্রটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন জুয়েল হাসান। অভিনয় করেছেন শিশির আহমেদ ও রিতু রহমান। চলচ্চিত্রটি দেখা যাচ্ছে ইউটিউবে।


 

Related posts