November 17, 2018

মুক্তিযুদ্ধের মতো ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে জঙ্গি-দমন চান বাংলাদেশের খাদ্যমন্ত্রী।

গ্লোবেল নিউজ ব্যুরোঃ কলকাতা: একাত্তরের যুদ্ধে যে ভাবে ভারত ও বাংলাদেশ একসঙ্গে ‘অশুভ’ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে জয়লাভ করেছিল, ঠিক তেমনই হাতে হাত মিলিয়ে নাশকতার মোকাবিলা করতে হবে। এমনটাই মনে করেন বাংলাদেশের খাদ্যমন্ত্রী মহম্মদ কামরুল ইসলাম।
১৯৭১ সালের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভারতের জয়লাভ তথা বাংলাদেশ স্বাধীনতা প্রাপ্তির ৪৫ তম বর্ষ উদযাপন করতে ভারতে এসেছেন তিনি। এদিন কলকাতায় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কম্যান্ডের সদর দফতর ফোর্ট উইলিয়ামে ‘বিজয় স্মারক’-এ পুষ্পস্তবক দিয়ে শহিদদের স্মরণ করার ফাঁকে এই মুক্তিযোদ্ধা বলেন, সেদিন একসঙ্গে যুদ্ধ করেছিলাম। ভারতীয় সেনার ভূয়সী প্রশংসা করেন কামরুল। জানান, ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সাহায্য কখনই ভুলবে না মুক্তিযোদ্ধারা।
দুদেশে ক্রমবর্ধমান জঙ্গি-কার্যকলাপ নিয়েও মুখ খোলেন কামরুল। জানান, জেএমবি, আল-কায়দার মতো কিছু অশুভ শক্তি এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে মন্ত্রী মনে করেন, একাত্তরের যুদ্ধে ভারত ও বাংলাদেশ যেভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ‘অশুভ’ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়েছে, এখনও এই জঙ্গিদের বিরুদ্ধে দুদেশের হাত মেলানো উচিৎ। তিনি জানান, ঐক্যবদ্ধভাবে নাশকতার বিরুদ্ধে লড়াই চালালে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না। এই প্রসঙ্গে ভারতকে বাংলাদেশের ‘পরম মিত্র’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
কামরুলের সুর শোনা গেল বাংলাদেশের চট্টগ্রামের সাংসদ মঈনুদ্দিন খান বাদলের গলায়। তিনিও ভারত-বাংলাদেশের মৈত্রীর পক্ষে জোর সওয়াল করলেন। জানান, এই দুই দেশের মধ্যে ভালবাসার বন্ধন রয়েছে। বাদল বলেন, সময় এসেছে বিশ্বকে বলার যে, এই দুই দেশ একসঙ্গে শান্তিতে থাকতে পারে। তিনি যোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় যে ভারতীয় সেনানীরা তাঁর দেশের স্বাধীনতার জন্য চরম বলিদান দিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকার তাঁদেরও সম্মান জানাতে চায়। এর জন্য তাঁরা ভারতের থেকে শহিদ ভারতীয় সেনাকর্মীদের তালিকাও চেয়েছেন বলে জানান বাদল।
এমবিফয়েজ/ভারত ব্যুরো-চীপ/গ্লোবেল নিউজ২৪।Bangladesh food minister

Related posts