September 19, 2018

মিডল ইষ্ট ও সেন্ট্রাল এশিয়াঃ পাকিস্তানের প্রভাব বিস্তৃতি এবং ভারতীয় হ্যান্ডশ্যাক

আবু জাফর মাহমুদ

পাকিস্তানের সাথে  হ্যান্ডশ্যাক চাইছে ভারত। তিক্ততার পাশ কাটিয়ে সম্পর্ক উষ্ণ করতে  উঠে পড়ে লাগছে।কিছুদিন আগে   পাকিস্তানকে একশত বিলিয়ন ইউ এস ডলারের বিশাল আর্থিক অনুদান দেয়ার চীনা ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী  চীন সফরকালীন চীনা প্রেসিডেণ্টকে আপত্তি জানিয়ে বলেছিলেন, পাকিস্তানকে এতোবড়ো আর্থিক অনুদান করায় ভারত উদ্বেগ প্রকাশ করছে।জবাবে চীনা নেতা তাদের পাকিস্তান-নীতির অনঢ় অবস্থানের কথা স্পষ্ট ভাবে পুনঃর্ব্যক্ত করেছিলেন। কুটনীতির এই ধারাকে স্বাগতঃ জানিয়েছেন অনেক বিশ্লেষক।

এদিকে আমেরিকার উপরও ভারতের ভরসা নেই।তারই পরিপ্রেক্ষিতে বুদ্ধির কাজ হচ্ছে, সীমান্তের শত্রুর সাথে দোস্তি পাতিয়ে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা।তাই পাকিস্তানের সাথে শক্তির দাঁতাতের  পরিবর্তে যেকোন ধরনের আঁতাত করাই ভারতের আপাততঃ লক্ষ্য বলে অনেকের ধারণা।

বাংলাদেশকে বুটের নীচে আনার পর পাকিস্তান আফগানিস্তান সহ ত্রিদেশীয় আঞ্চলিক সম্পর্কের দিকে ঝুঁকছে  ভারত। পরিস্থিতির চাপ অনেক সময় ইচ্ছে-অনিচ্ছেকেও হার মানায়। ভারতের এই উদ্যোগকে অনেকেই স্বাগতঃ জানিয়েছেন। তবে এই উদ্যোগ মানুষের জীবন সমৃদ্ধির না হয়ে একটি গোষ্ঠীর কেবলমাত্র কৌশলগত সম্পর্ক বলেই অনেকে মনে  করেন।চীন-পাকিস্তানকে অনাক্রমণ অবস্থানে দাঁড় করানোর জন্যেই হয়তো ভারত কৌশল নিয়েছে।

উল্লেখ্য,১৯৮৫সনে অর্থনৈতিক সংগঠন ইকোনোমিক কোপারেশন অর্গানাইজেশন গড়া হয়েছিলো ইরান,তার্কি ও পাকিস্তান মিলে। ১৯৯২সনে সংগঠনটি আফগানিস্তান এবং মধ্যএশিয়ার উজবেকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান,তাজিকস্তান, কাজাকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় ককাসের আজারবাইজানকে যুক্ত করে  মুসলমান অধ্যুষিত  এক বিশাল আঞ্চলিক সংগঠনে রূপ নেয়।তাছাড়াও ইরানের অবরোধ মুক্তির পর মধ্যপ্রাচ্যের নেতৃত্বে ইরানকে চ্যালেঞ্জ করা কঠিন হয়ে গেছে।সৌদির পক্ষে আর দৌঁড়ে থাকা সম্ভব হবেনা।যদিও তার অর্থের উপর ভর করে অন্যেরা ফসল তুলে নিচ্ছে।

এদিকে পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানকে এক করে ফেলার ফর্মূলা নিয়েও উভয় রাষ্ট্রের বিভিন্ন শক্তির ভেতর কথা দেয়া নেয়া চলছে।চীনের দেয়া একশত বিলিয়ন শর্তহীন মার্কিণ ডলার আর্থিক সহযোগিতা পাবার এবং চীনের সাথে যৌথ উদ্যোগে যুদ্ধ বিমান সহ যুদ্ধের  অত্যাধুনিক সামগ্রী প্রস্তুত  করছে পারমানবিক শক্তিধর পাকিস্তান।তাই দেশটাকে নিয়ে হিসেবনিকেশ বদলে গেছে অনেক বিশ্লেষকের।

তবে সাবেক সোভিয়েতের বাল্টিক ষ্টেটগুলো ঐতিহাসিকভাবেই পশ্চিমা খৃষ্টান অধ্যুষিত।অর্থাৎ তারা মূলতঃ প্রটেস্ট্যান্ট এবং  ক্যাথলিক।পশ্চিমা প্রভাবে সেখানে ধর্মহীনতার প্রভাব এখন অনেক বেশী।আরমেনিয়া, বেলারুজ, জর্জিয়া, মল্ডোভা,রাশিয়া এবং ইউক্রেইনে রয়েছে অর্থোডক্স ক্রিশটেইনিটি।তারা রাশিয়ার উপর কমবেশি নির্ভরশীল যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটো জোট তাতে প্রভাব বাড়ানোর প্রতিযোগীতায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়ছে।সোভিয়েত পতনের আগে ধর্মের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রশক্তি যেভাবে শসস্ত্র রক্তচক্ষু ছিলো,পরিবর্তীত পরিস্থিতিতে স্বাধীন হওয়া দেশগুলোয় মানুষ ধর্ম পালনে স্বাধীনতা ভোগ করে আসছে অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে বেশী হারে।

একসময় সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক ইউনিয়নে অন্তর্ভূক্ত দেশগুলো ছিলোঃ আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বেলারুশ, এষ্টোনিয়া,জর্জিয়া,কাজাখস্তান, কির্গিজস্তান,লাটভিয়া,লিথুয়ানিয়া, মোল্ডোভা, রাশিয়া,  তাজিকস্তান,তুর্কেমেনিস্তান, ইউক্রেইন এবং উজবেকিস্তান।রাশিয়া থেকে আলাদা হয়ে নিজেরাই স্বাধীন রাষ্ট্র হয়েছে ওরা।কম্যুনিষ্ট শাসনের অধীনে জাতিগত ও অন্যান্য নিষ্ঠুরতার প্রশাসনিক জুলুম থেকে বের হয়ে সে সব দেশে ধর্মচর্চা সহ জাতীয়তাবাদী বিকাশের পথ খুলে যায়।এতে খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এদেশগুলো নিরাপত্তাহীনতার পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে সমৃদ্ধির পথ  নিয়েছে।তাতে কম্যুনিজমের নামে চালানো স্বৈরাচারী মিলিট্যান্ট শাসনের অথর্বতা থেকে বের হয়ে মানুষের জীবনের  প্রাকৃতিক ধারায় মুক্ত সভ্যতা গড়ায় উদ্যমী হয়ে যায়।

প্রতিবেশী ইয়েমেনে গণহত্যায় সৌদী-ইজরাইলী জোটে অন্তর্ভূক্ত হবার জন্যে সৌদি বাদশাহ এবং প্রিন্সরা  পাকিস্তানকে চাপ প্রয়োগ করলে পাকিস্তান পালটা জবাব দিয়ে হুমকি দিয়েছিলো সৌদি পরিবারের নিরাপত্তা বিধানকারী পাকিস্তানী গার্ডবাহিনী ফেরত নিয়ে যাবে বলে।কোমরের জোর কতবেশী থাকলে সৌখিন সৌদ বাদশাহদের বাড়াবাড়ির জবাব বুকের মুরোদ দেখিয়েছিলো পাকিস্তানের বর্তমান নিরাপত্তা কৌশল বিশারদরা। পাকিস্তান বলেছে মুসলমান হত্যায় তারা সৌদি রাজপরিবারকে সমর্থন করবেনা বরঞ্চ আলাপ আলোচনায় সমাধান বের করার সহযোগীতা দিতেই তারা আগ্রহী।

পাকিস্তান ইতিমধ্যে ইরান এবং চীনের সাথে যে বিশ্বস্থ এবং নির্ভরযোগ্য সম্পর্কে নিজেকে সমৃদ্ধ করেছে তাতে দেশটি বাংলাদেশ হারানোর হতাশা থেকে নিজেদেরকে মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে।এলক্ষ্যে তারা পৌঁচেছে বহু আগেই।নিজের রাজধানী থেকে বহুদূরে ভারতের  সীমান্ত দিয়ে ঘেরা বাংলাদেশ নিজে থেকে পাকিস্তানের সাথে ঘনিষ্ঠতা না চাইলে পাকিস্তান সরাসরি বাংলাদেশে প্রভাব বলয় পুনঃনির্মান করতে পারবেনা।তাই সম্ভাব্য বাস্তবতাকে হিসেবে রেখেই মধ্যপ্রাচ্য এবং সেন্ট্রাল এশিয়ার দিকে মনোযোগ দিয়ে আসছে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষাবাহিনী প্রভাবিত সরকার।

১৯৭১সনে পাকিস্তানের মিলিটারি জেনারেলরা পাকিস্তান ভাঙ্গার জন্যে তাদের রাজনীতিক জুলফিকার আলী ভূট্টোর নির্দ্দেশ মেনে তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানের মিলিটারী,ইপিআর,পুলিশ ও জনগণের উপর যেই ভয়াবহ অপরাধ করেছেন,তা ভেবে   পাকিস্তানের সাথে প্রয়োজন থাকলেও আবার সম্পর্ক বাড়ানোর আলোচনায় বাংলাদেশীরা বিরক্তি দেখাচ্ছে।মুসলমান নিধনের এবং বাংলাদেশ দখলের ভারতীয় তৎপরতা চাক্ষোশ দেখে বুঝেও গণহত্যাকারী পাকিস্তানের সাথে বন্ধুত্ব গড়ায় কোন আগ্রহ দেখাচ্ছেনা বাংলাদেশী মুসলমান সমাজ।

ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির ইতিহাস স্বাক্ষী, পাকিস্তানের প্রধান নেতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর কথা মানতে গিয়ে বাঙালি আসাম,ত্রিপুরা,মেঘালয়,মনিপুর হারিয়েছি ১৯৪৭সালে।মুসলমান অধ্যুষিত এই অঞ্চলটি আহাজারি করেছিলো ভারতে অঙ্গীভূত না থাকার জন্যে।জিন্নাহ বাঙ্গালীদের অবজ্ঞা করায় পূর্ব বাংলার সাথে উক্ত অঞ্চল মিলে বিশাল বাংলা আর নিজেকে আলাদা করে মানচিত্রে আনতে পারেনি।জিন্নাহর অতিরিক্ত বাড়াবাড়ির খেসারত দিয়ে চলেছি বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশী মুসলমানরা।

১১মাস নিজেদের পতাকা উড়িয়েও এতো বিশাল অঞ্চল ছেড়ে দিয়ে ওখানকার স্থানীয়দেরকে হতাশ করে একে ফজলুল হক,হোসেন শহীদ সোহ্‌রোয়ার্দী,আবুল হাশেম এবং মাওলানা ভাসানীসহ সব বাঙালি নেতাদের ফিরে আসতে হয়েছিলো।এসব অঞ্চলের বিনিময়ে জিন্নাহকে তার জন্মস্থান গুজরাট পশ্চিম পাকিস্তানের অংশ হতে দেবে বলে নেহেরু আশ্বাস দিয়েছিলেন,সেই লোভে তিনি বাঙলার এই বিশাল অঞ্চল ছেড়ে দিয়ে আসতে নির্দ্দেশ  দিয়েছিলেন। লক্ষ লক্ষ বাঙালি সেদিন চোখের পানি ফেলতে ফেলতে ফিরে এসেছিলেন নিজেদের উত্তোলিত পতাকা নামিয়ে।

পরবর্তীতে জিন্নাহ দিল্লীতে গিয়েছিলেন গান্ধীর সাথে দেখা করে গুজরাটের অধিকার নিতে।গান্ধীর সাথে তার দেখা মিলেনি,তিনি দেখা দেননি আর কোন দিন।বল্লভ ভাই প্যাটেল এসে একদিন অপেক্ষমান জিন্নাহকে   জানালেন,“গুজরাট আমাদের মুল্লুক।ওটা তোমাকে দেবোনা।পাগল হয়েছো তুমি?ফিরে যাও”।জিন্নাহ ফিরে আসার পথে পাকিস্তানের বিমান বন্দরে হৃদ্ রোগে আক্রান্ত হন এবং বাড়িতে আনার ৩দিনের মাথায় তিনি মারা যান।

১৯৭০এর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ এবং পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিজয়ী হলেও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে জেদ ধরেন পাকিস্তানী অপর রাজনীতিক  জুলফিকার আলী ভূট্টো।

তার দায়িত্বজ্ঞানহীন উচ্চাভিলাসে এবং মিলিটারী জেনারেলদের পেশাগত শপথ বাক্যের প্রতি বেঈমানিই ভারত-রাশিয়াকে পূর্ব পাকিস্তান দখল করতে সুযোগ করে দেয়।এক অর্থে এজন্যে ভারতীয় বাহিনীকে নয়,বরঞ্চ পাকিস্তানী রাজনীতি এবং প্রতিরক্ষাগত বাড়াবাড়িকেই দায়ী বলা বেশী যৌক্তিক।

জুলফিকার আলী ভূট্টোও নিজে স্বাভাবিক মৃত্যুর সুযোগ হারিয়েছিলেন।টেনে হিঁচড়ে ফাঁসির রশিতে ঝুলে প্রাণ হারান অপমান-তাচ্ছিল্যের সাথে শেষ দেখা পেয়ে।বাঙালিমুসলমানদের সাথে প্রতারণাকারী দুই পাকিস্তানী নেতার পরিণতির সাথে  ভিন্ন বিবেচনায় যুক্ত রয়েছে উপমহাদেশের রাজনীতির এই উল্লেখযোগ্য অংশটুকু।পাকিস্তানী রাজনীতি কোনদিন পূর্ব বাঙলার বাঙালিদেরকে সম্মান দেয়নি,করেছে অবজ্ঞা চালিয়েছে সীমাহীন বৈষম্য।তার খেসারত পেয়েছিলো পাকিস্তান।

ভারতীয় সম্প্রসারণ নীতি বাংলাদেশকে চিবিয়ে চিবিয়ে নিঃস্ব করছে দেখে চীনও বাংলাদেশের ব্যাপারে আগ্রহ হারিয়ে অন্যান্য দিকে মনোযোগ দিয়েছে গভীরভাবে।যেমন নেপালকে সহযোগীতা দেয়ার নতুন ব্যাপকতার আভাস দেখা যাচ্ছে।হিমালয়ের পেট কেটে সরাসরি তিব্বত-নেপাল রাস্তা করছে চীন।বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে চীনের এই সরাসরি উপস্থিতি বাণিজ্য সম্প্রসারণে মহাগুরুত্বপূর্ণ  ব্যাপার বটে।এতে করে চীনা সেনাবাহিনী দিনাজপুর দিয়ে এক দৌঁড়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ যুদ্ধের মহড়া দিতে পারবে।

নেপালে এখন চীনপন্থি কম্যুনিষ্ট রাজনীতিকরা সরকার গঠন করেছে।ওখানে ভারত-নির্ভরতা কমে যাচ্ছে। দুনিয়ার একমাত্র হিন্দুরাষ্ট্র নেপাল আর নিজেকে হিন্দুরাষ্ট্র বলতে পারছেনা।বদলে গেছে নেপাল।চীনা সহযোগীতায় দারিদ্রতা থেকে বের হয়ে আসছে,উন্নয়ন কার্যক্রমে জোয়াড় বইছে নেপালে।তার আর্থিক সমর্থনে এগিয়েছে চীন।

চীন পাকিস্তানকে করে দিয়েছে জাপানের পরবর্তী ধনী রাষ্ট্র।৫২ বিলিয়ন এবং ৪৮ বিলিয়ন মোট একশত বিলিয়ন মার্কিণ ডলার  দিয়েছে শর্তহীন অনুদান।তাছাড়া তেল গ্যাসের পাইপ লাইন করে পাকিস্তানের উপর দিয়ে ইরান পর্যন্ত যেই বিশাল সুযোগ করে দিয়েছে তার আর কোন তূলনা নেই।

ভারত বাংলাদেশ নিয়ে নেয়ায় বঙ্গোপসাগরে প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্রবন্দর গড়া থেকে চীন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। সোনাদিয়া দ্বীপে এই বন্দর স্থাপনের কার্যক্রম চালুর কথা বহু আগে থেকেই শোনা যাচ্ছিলো।এখন আর এই   বিষয়ে কথা বার্তা উচ্চারিত হচ্ছেনা।বরঞ্চ বাংলাদেশে বন্দর ও রাস্তাঘাট বিষয়ে ভারতকে করিডোর ও ট্রানজিট দেয়া নিয়ে করছে ভারতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন।

১৯৭১সনে পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খান ও ৬জন জেনারেল পাকিস্তানি রাজনীতিক জুলফিকার আলী ভূট্টোর রাজনৈতিক অভিলাষের বুদ্ধির কাছে বশ্যতায় গিয়ে আত্নঘাতি যুদ্ধ চাপিয়ে দেন।ফলে পুর্ব পাকিস্তান হারিয়েছিলেন তারা।পরবর্তীতে নিজের পছন্দের জেনারেল জিয়াউল হকের শাসনকালে রাষ্ট্রদ্রোহী এই বিচক্ষণ রাজনীতিককে টেনে হিঁচড়ে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করে রাষ্ট্রীয় পাপ ও ধর্মীয় পাপের সামান্য প্রায়শ্চিত্যে।

ভারত-রাশিয়া পূর্ব পাকিস্তান আলাদা করেছে। সত্যটা ফেলে দেয়ার নয়,তা হচ্ছে বাহিরের দিক।ঘটনার ভেতরের দিকটা কি?তাওতো আলোচিত হতে হবে।পরিস্থিতির ভেতর বাহির উভয় দিক বিবেচনায় এনে হাজির করা তথ্য থেকে বস্তুনিষ্ঠতা আশা করা যায়।তাতেই আসবে আলোচনার পুর্ণাঙ্গতা।

বাংলাদেশে বর্তমানে ও ভবিষ্যতে মুসলমান নিধন এবং বাংলাদেশকে অরাজক রাজ্যে রূপান্তর করার ক্ষেত্র তৈরীর পেছনে পাকিস্তানী  দুইকালের

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts