November 15, 2018

মানকিনের মতো আমারও মৃত্যুর দিন নির্দিষ্ট

আবু জাফর মাহমুদ

প্রমোদ মানকিন মারা গেছেন ১০ই মে দিবাগত রাত।নেত্রোকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় জন্ম তার।ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) নির্বাচনী এলাকা থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে বিশিষ্ট রাজনীতিক ও জননেতাদের লাইনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন সদালাপী এই বাংলাদেশী।মৃত্যু অনিবার্য্য করা হয়ে যায় সবার প্রাণের  সৃষ্টিকালেই এবং সব প্রাণীর জন্যেই স্রষ্টা তা নির্ধারণ করে রেখেছেন দিনক্ষণ সহ। তাই মানকিনের মৃত্যুতে আমি শোক অনুভব করছিনা। কেননা স্রষ্টার নির্দেশ আনন্দের সাথে গ্রহণ করাতেই তার আনুগত্য প্রকাশ হয়।আমি স্রষ্টার নিরংকুশ আনুগত্যপন্থী,আমি মুসলমান।

আমি স্রষ্টার সম্পুর্ণ আনুগত্যের মধ্যেই মানব জন্মের সফলতা খুঁজি।আমাকেও দুনিয়া ছেড়ে সবকিছুর মায়া ত্যাগ করে, সকল মোহ থেকে ছিন্ন হয়ে হাজির হতে হবে মালিকের কাছে।এই বাস্তবতার কোন ব্যতিক্রম নেই বলেই আমি আমার মৃত্যুর কথা স্মরণ করলাম,যে মৃত্যুকে মানকিনেরও আলিঙ্গন করতে হয়েছে।মন্ত্রিত্বের ক্ষমতা অথবা অপর কোন শক্তিই তাকে রক্ষ করতে পারেনি।এটি নিশ্চিত আমারও মৃত্যুর দিন নির্দ্দিষ্ট করা আছে।আল্লাহর আদেশে কেউ ছাড় পায়না।আমিও পাবোনা।

মানকিন পড়তো বাইবেল,আমার আছে কোরআন।বাইবেলের আদি গ্রন্থ নাকি সংশোধিত গ্রন্থের অনুসারী তিনি,তা আমার দেখার বিষয় নয়।তিনি তার নবীকে যিশু ডাকতে শিখেছে,অথবা অন্য নামে।আমি ডাকি ঈশা।খৃষ্টানদের মধ্যে যিশুকে অনেকে আল্লহর ছেলে বলে বিশ্বাস করেন,আমি তা মানিনা।আল্লাহর কোন পরিবার স্ত্রী পুত্র কণ্যা নেই।আমি ভালো ভাবেই মানি তিনি আল্লাহ্‌র একজন মহান নবী।নবী আল্লাহর প্রতিনিধি মানবজাতির জন্যে,জীব জগতের দিক নির্দ্দেশনা জানানোর জন্যে।আল্লাহ্‌ই নবী রাসুলদের সৃষ্টি করেন মানব জাতিকে আল্লাহ্‌র নির্দ্দেশিত শিক্ষা জানানোর জন্যে।

ঈশাকে আমি সম্মান করি যেহেতু তিনি আল্লাহর নবী।কোরআনে অনেকবার ঈশা সম্পর্কে মহান আল্লাহ্‌ আভাস দিয়েছেন। মহান আল্লাহই যে সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা এই সত্য জানানোর জন্যেই নবীদের দায়িত্ব দেন তিনি।আমরা মুসলমানরা প্রত্যেকেই  হযরত ঈশাকে মহান নবী মানতে বাধ্য।কোন মুসলমানই হযরত ঈশা নবীকে অস্বীকার করতে পারেনা।ঈশা নবীও জানাতেন হযরত মুহাম্মদই আখেরি নবী।আদি ইঞ্জিল বা বাইবেলে তা আছে।নবীরা আল্লাহর বাণী প্রচার করেন সমগ্র মানব জাতিকে আল্লাহর নির্দ্দেশিত পথে থাকার জন্যে।

মূলতঃ গাড়ো উপজাতি বংশদ্ভূত মানকিন ছিলেন রোমান ক্যাথলিক ধর্ম অনুসারী।অমায়িক ব্যবহার ছিলো তার।  শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও ব্যবসা,ওকালতি রাজনীতি এবং সামাজিক সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন তিনি। হালুয়াঘাট সীমান্ত এলাকায় প্রভাবশালী এই উপজাতি নেতা কোক এণ্ড কোয়েল ইম্পোর্ট এসোসিয়েশনের  প্রেসিডেণ্ট ছিলেন।মেধার বহুমুখীনতা তার সফলতাকে অনেকাংশে সহজ করেছিলো।

এনজিও কারিতাসের আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন তিনি।বাংলাদেশে সরকারের সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থাতেই ভারতের এক হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭৭বছর। উইকিপিডিয়া থেকে জানা যায়,বৃহত্তর ময়মনসিং অঞ্চলের এই গাড়ো অধ্যুষিত এলাকায় মোট ৭৬,০৪৭ জন ক্যাথোলিক এবং ৬৬৬৫জন প্রোটেষ্ট্যান্ট খৃষ্টানের বসবাস।এই মানুষদের মধ্যে মানকিন আকর্ষণীয় নেতারূপে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।তাকে কখনো সাম্প্রদায়িক মানসিকতায় দেখা যায়নি।

মানকিন মন্ত্রী হওয়ায় খৃষ্টানদের মধ্যে সমৃদ্ধায়নের ধারা অনেক ধাপ এগিয়েছে।বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক উদার সামাজিক সংহতির পরিবেশে মানকিন বেশ ভালই অবদান রেখে চলেছিলেন।তা ছাড়া প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট এবং ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদক একই অঞ্চলের এবং একই রাজনৈতিক দলের বলে মানকিনের সুযোগও ছিলো প্রশ্নাতীত।এরা সবাই ময়মনসিং অঞ্চলের লোক।তার মৃত্যুতে অনুসারীদের মধ্যে যে হতাশা দেখা যাচ্ছে,তা যেনো সহসা কাটিয়ে ওঠে সে আশা আমি করি।তার জীবন বিয়োগের বিষয় ভাবতে ভাবতেই আজকের কলামের সূচনা।

সমাজের কোন নেতাই কেবল তার ব্যক্তিগত, পারিবারিক অথবা দলের নয়,সমাজের বুক ভেদ করে উঠে আসা যেকোন নেতা সমাজেরই নেতা।সমাজের সকল মানুষের প্রতিনিধি।সমাজের সকল মানুষেরই নেতা।তার দায় যেমন সবার প্রতি থাকে,সবাই তার কাছে দাবীও রাখেন তেমনভাবে।
যতদিন রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলাম ততদিন ওভাবেই দেখেছি,অনুভব করেছি।ভিন্নমতের জন্যে অন্যকে কখনো শত্রু ভাবতে পারিনি।অপরদলের হওয়ায় কাউকে অমর্যাদা করার কথা ভাবতেও পারিনি।নিজেও ছিলাম অন্যান্য দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে সম্মানীয়, স্নেহের,ভালবাসার।আমার কাছেও তারা ছিলেন সম্মানের পাত্র।আমাকে যখন রক্ষীবাহিনী তালাশ করতো,সেই  সরকারের পুলিশ খুঁজতো দলন নিপীড়নের উদ্দেশ্যে, গ্রামে শহরে আমি নিরাপদে ঘুমাতাম আড্ডা দিতাম আওয়ামী লীগ সমর্থকদের বাড়িতে।আমি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করি তাদের, সেই সব আপন মানুষদেরকে,তাদের পরিবারের আন্তরিক ভালবাসার কথা।

বর্তমানে বিশ্বরাজনীতি ও বিশ্বশক্তি সমূহের স্বার্থরক্ষার ধরণ যেমন সহজে আমরা বুঝতে পারি।তথ্য পেয়ে যাই,তা আগে একসময় আমাদের বালক বেলায় এমনকি যৌবনের জোয়াড় বেলায়ও জানা সম্ভব হতোনা।তখন নেতাদের ব্যক্তিগত নির্দ্দেশ উপদেশ মেনে চলাতেই বুঝতাম দলীয় শৃংখলা এবং সাংগঠনিক রীতি।প্রশ্ন করা বা তর্ক করার কল্পনা ছিলো কঠিন।জ্ঞানের পরিধি ছিল ভীষণ সীমিত।নেতাদের জ্ঞানের অবস্থাও ছিলো তথৈবচ।

অশিক্ষিত দরিদ্র সমাজের রাজনীতির ধরণ ছিল মামুলি ধাঁচের।পিছিয়ে থাকা সমাজের চিন্তাচেতনা অভ্যাস ধ্যান ধারণার প্রতিফলিত হতো রাজনীতির বিষয়  নির্ধারণে।রাজনৈতিক নেতাও গড়ে উঠতো সমাজ জীবনের সাথে তাল মিলিয়ে,খাপ খাইয়ে। খুব কম মানুষ আসতেন রাজনীতিতে।তা থেকেই অল্প কজনই থাকতেন নেতৃত্বের প্রতিযোগীতায়।তাই মেধাবি সৃজনশীলরা রাজনীতিতে আসলেও বাহুবলের চাপে বিরক্ত হয়ে পিছিয়ে যেতে হতো তাদের।বৃটিশ খেদাও আন্দোলনে গান্ধী অথবা অন্যান্যদের রাজনীতিতে সক্রিয় হবার আগে ভারতবর্ষে কোরআন শিক্ষিত মওলানারাই আন্দোলন করেছিলেন,জেলখানায় নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন।

তাদেরকে আমাদের পূর্বপুরুষ রাজনীতিকরা অনুসরণ করেনি।আমাদের নেতারা আগে সন্ধান করেছেন আপোষে কিভাবে ব্যক্তিগত সুবিধা আদায় করা যায়।বৃটিশ শাসন কৌশল পরিবর্তন করে ভারত বিভক্ত করে নিজেরা ভিন্ন পথে শাসন অব্যাহত রাখার পর্যায়গুলোতে এখনও রাজনীতিকদের বেশীরভাগ ক্ষেত্রে ভন্ডামীর পথ পছন্দ করতে দেখা যায়।ধর্ম শিক্ষায় পন্ডিতদেরকে কোণঠাসা করা রাজনীতিকদের একটা রেওয়াজ হয়ে গেছে মুসলমান ঠেকানোর পলিসিতে।এটা পুরো ভারতবর্ষেই খন্ড খন্ড দেশ হলে উপনিবেশবাদী এবং তাদের স্থানীয় প্রতিনিধিদের কাছে ইসলামের মৌলিক জ্ঞানকে তাচ্ছিল্য করা রাজনীতির অবিচ্ছেদ্য নীতি হয়েছে।এতে পৃষ্টপোষকতা করছে বিদেশী শাসকরা।

বাংলাদেশ সমাজ এখনো রক্ষণশীল নিঃসন্দেহে।তবে রক্ষণশীল উগ্রবাদিতা আমাদের সমাজে দেখা পাবার সুযোগ কোন দিন মিলেনি।বর্তমান জাতীয় রাজনীতি,আঞ্চলিক সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি নির্ধারণ হচ্ছে শক্তিপরীক্ষার ভিত্তিতে। দখলদারিত্বের পক্ষে নাকি বিপক্ষে তার অঙ্গীকারের উপর ভিত্তি করেই বাংলাদেশে সরকার গঠন হয়।বাংলাদেশের সরকার গঠন কারা করবে আর করবেনা,সেনাপ্রধান,পুলিশপ্রধান,গোয়েন্দা প্রধান কে বা কারা থাকবে ইত্যাদি সব কিছু নির্ধারণ হচ্ছে সীমান্তের বাহির থেকে।

একথা কেবল বাংলাদেশের প্রশ্নে ঠিক আর অন্যদের প্রশ্নে একইরকম নয়, তা কিন্তু নয়।সর্বত্র ক্ষুদ্র দেশে অবস্থা একই।তবে ব্যবধান হচ্ছে,উল্লেখিত দেশের জনগণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থার উপর সংশ্লিষ্ট  দেশের নিয়ন্ত্রণ কতটুকু নির্ভরশীল,তার উপর।যে দেশে প্রতিরক্ষাবাহিনী শক্তিশালী সে দেশে রাজনীতিক বা অন্যরা পথচ্যুত হলেও প্রতিরক্ষাবাহিনী রাজনীতিকদেরকে রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে সহযোগীতা দেয়।নিরাপত্তা দেয়।

ইন্দিরা গান্ধী বা কংগ্রেস বিশ্বশক্তিকে বুড়ো আঙুল উঁচু করে দেখিয়েছিলো তাদের রাষ্ট্রীয় স্বার্থে পাকিস্তানের পূর্বাংশ পশ্চিমাংশ থেকে আলাদা করা না করা নিয়ে।ইন্দিরা ও তাদের সামরিক শক্তি বিজয়ীও হয়েছে।কিন্তু দিন এক জায়গায় বসে থাকেনা।ইন্দিরার পুত্র সঞ্জয় মরলো আকাশে,ইন্দিরাকে মারা হলো,তার পর ইন্দিরার ছোট পুত্রকেও।এখন গান্ধীরাও  নেই,কংগ্রেসও নেই ভারতবর্ষের ক্ষমতায়।কংগ্রেসের চেয়ারম্যান এবং ইন্দিরা পরিবারের প্রধান হলেন ইওরোপীয় বংশদ্ভূত একজন।কোন ভারতীয় নেই কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রনে।মানেকা গান্ধীকে সরানো হয়েছে বহু আগেই,ইন্দিরার জমানাতেই।তাই এই বিদেশিনীর  নেতৃত্বে কংগ্রেস পথে পথে গড়াগড়ি করছে।এটা হয়েছে পাশ্চাত্যের স্বার্থে। বিনিময়ে এই আদর্শ রমণীকে দুনি্যার ২য় শীর্ষধনী অর্থাৎ রাশিয়ার পুটিনের পর অবস্থান নেবার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে।

ভারত এখন দুনিয়ার অন্যতম সন্ত্রাস প্রজনন কেন্দ্ররূপে পরিচিতি পেয়েছে।হয়েছে হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের খনি ও যোগাযোগের পথ দখলের লক্ষ্যে রিহার্সেলের চারণভূমি।আশপাশে তান্ডব এবং রক্ত দিয়ে রঙের হুলি খেলার প্র্যাকটিস ফিল্ড।ভারতে হিন্দু উগ্রবাদী দলকে মুসলমান নিধনে প্রকাশ্যে শসস্ত্র ট্রেনিং দেয়া হচ্ছে বলে মিডিয়ায় আসছে সচিত্র প্রতিবেদন।

এজন্যেই বাংলাদেশের জনসমাজের একতা ভেঙ্গে বিভেদের ধারা চালু করা হয়েছে।সামরিক কৌশলের বিবেচনায় ৯০%  মুসলমানের ভেতরের একতা শিথিল করে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে হবে তাদের।তাই কয়েক বছর যাবত অসংখ্য স্যাবোটেজে ক্ষত বিক্ষত এখন বাংলাদেশ।সমাজের  উপর তলা থেকে শুরু করে শেকড় পর্যন্ত অর্থাৎ রাজধানী থেকে গ্রাম মহল্লা পর্যন্ত নাশকতা বর্বরতা অশ্লীলতা চাপিয়ে দিয়ে ভয় আতংকের বাংলাদেশ করা হয়েছে, নিরাপদ এবং সুখের বাংলাদেশকে। পরিস্কার করে বলছি,বাংলাদেশে এসবের সবকিছুই চাপানো গেইম।এই গেইম সামরিক কৌশলের গেইম চলছে রাজনীতির  আবরণে।রাজনীতিকদেরকে কেনাকাটা সম্ভব হওয়ায় প্রতিরক্ষা শক্তি ক্ষয় করা সহজ হয়ে গেছে হাতের রক্তের দাগ মুছে দিয়ে।

বাংলাদেশে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতার সামান্যও দরকার নেই।তবুও ইস্যু তৈরী করা হচ্ছে।এসব ইস্যু স্থানীয় প্রয়োজনে নয়,প্রভূদের জন্যে। বাংলাদেশ কি সেইভাবে প্রস্তুত যাতে নিজে দাবী করতে পারে আমি নিজেই নিজের পরিচালনার জন্যে যথেষ্ঠ? প্রমোদ মানকিন এবং মাহমুদরা কেউ একে অপরের শত্রু নয়।তবুও তাদেরকে কোলাকুলি করতে দেয়া হচ্ছেনা। এদের ভেতরে দূরত্ব  বজায় থাকলে নাকি ভারত নিরাপদ থাকে।ভারতের নিরাপত্তার স্বার্থেই বাংলাদেশ সমাজে এতোবেশী ফাটল করার চেষ্টা।আমরা চাইছি বাংলাদেশ এবং ভারত উভয়েই নিরাপদ থাকুক।একে অপরের হুমকি না থাকুক।

ডনাল্ড ট্রাম্ফ মুসলমান নির্মূলের ডাক দিয়ে আমেরিকায় বিতর্কিত হলেও ভারতে অনেক হিন্দু তাকে পূজা দিচ্ছে বলে খবর আসছে মিডিয়ায়।ট্রাম্ফকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে বিজয়ী করার জন্যে বাংলাদেশ- ভারতে যেভাবে কোমরের বাঁধন শক্ত করা চলছে,তাতে ধরে নেয়া যেতে পারে,বাংলাদেশে মুসলমান নির্মূলের অভিযানের জন্যে কোন কোন শক্তি প্রস্তুত হয়ে আছে।আল্লাহ মানুষের মৃত্যুর দিন নির্ধারণ করে রেখেছেন।তার বাহিরে কিছুই সম্ভব মনে হয়না।

(লেখক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও চেয়ারম্যান,বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল)।

Related posts