December 14, 2018

মধু মাসে মৌসুমী ফলের সাথে বিক্রয় হচ্ছে তালকুড়

একেএম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ  জ্যৈষ্ঠের প্রচন্ড তাপদাহে ও ভ্যাপসা গরমে যখন জীবন অতিষ্ঠ তখন গলাটা একটু ভিজাতে ঠান্ডা শুসাদু তাল শাঁস খেয়ে অনেকেই পিপাসা মিটিয়ে থাকে। মধুমাস হিসাবে খ্যাত জৈষ্ঠ্য মাসের সৌখিন খাবারের তালিকায় গ্রামবাংলার মানুষের কাছে অতি প্রিয় এবং পছন্দের নাম ‘তাল শাঁস’। প্রচলিত ভাষায় এটাকে ‘তালকুর’ও বলা হয়ে থাকে। শক্ত তালের কাঁচা আবরণের মধ্যে নরম তুলতুলে শাঁস আর মিষ্টি রসের সমস্বয়ে ফলটি বাঙ্গালীদের রসনা বিলাসে নতুন একটি মাত্রা যোগ করে। তাল শাঁস পছন্দ করেনা এমন মানুষ পাওয়া খুব মুসকিল। তবে তাল শাঁস সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন শিশু এবং বৃদ্ধ বয়সি মানুষেরা।

জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরু থেকে তাল শাঁস বিক্রেতারা ধাঁরালো দা-ছ্যান ও কাঁচা তাল নিয়ে ফুটপাতে বসে একটার পর একটা অনবরত কেটে ক্রেতাদের হাতে শাঁস পরিবেশন করতে থাকেন। বিগত দিন গুলোয় তাল শাঁসের ৩ চোখ (আঁটি) ২ থেকে ৩ টাকা দরে বিক্রি হলেও সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে অন্যান্য ফলমূলের সাথে সংগতি রেখে তাল শাঁসের দাম বেড়েছে। এ বছর পরিণত প্রত্যেকটি তাল বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ৭ টাকায়। মূল্যবৃদ্ধি পেলেও থেমে নেই তাল শাঁসের চাহিদা।

আত্রাই উপজেলার  সাহেবগঞ্জ গ্রামের জিয়ারুল তাল শাঁস বিক্রেতা জানান, তাল শাঁস সিজেনাল ফল এটা কম বেশি সবাই খায়। দিনে ২‘শ থেকে ২‘শ ৫০ পিছ তাল শাঁস বিক্রয় হয়। তবে গরম বাড়লে বিক্রিটাও বেড়ে যায়।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন ডেরি/১৫ মে ২০১৬

Related posts