November 18, 2018

মডেল রাউধার আত্মহত্যা নিয়ে নতুন রহস্য!

mothelচোখের কারণে ১৪ বছর বয়সে মডেলিংয়ে জায়গা করে নেন রাউধা আতিফ। ‘নীল নয়না’ রাউধার ১৪ বছর বয়স থেকে শুরু মডেলিং। মালদ্বীপের জাতীয় টেলিভিশনে প্রথমবারের মতো একটি ক্যাম্পেইনে অংশ নেন।

তবে মডেলিং ছিল তার শখ। লেখাপড়া শেষ করে তিনি চিকিৎসকই হতে চেয়েছিলেন। ইন্ডিয়ার ভোগ ম্যাগাজিন এমন তথ্যই দিচ্ছে। ভোগ ইন্ডিয়ার ওই প্রতিবেদনের জন্য দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাউধা বলেছিলেন, ‘মডেলিং আমার কাছে পেশা নয়; শখই বেশি। পড়াশোনা শেষ করে চিকিৎসক হয়ে মানুষকে সাহায্য করা আমার কাছে সব সময়ের জন্য স্বপ্ন। ’

রাউধার বাবার নাম মোহাম্মদ আথিফ। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক। তার মা আমিনাথ মুহারমিমাথ একজন মানবসম্পদ কর্মকর্তা। রাউধা হিরিয়া স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ভিল্লা ইন্টারন্যাশনাল হাইস্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। তিনি ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

রাউধা ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের মহিলা হোস্টেলের দ্বিতীয় তলার ২০৯ নম্বর রুমে থাকতেন। সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখে দরজা ভেঙে হোস্টেল কর্তৃপক্ষ তাকে বের করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। ২০১৬ সালের ১৪ জানুয়ারি ওই কক্ষে উঠেন। তিনি বিদেশি কোটার ছাত্রী ছিলেন।

বাংলাদেশে পড়তে আসা মালদ্বীপের মডেল রাউধা আতিফ পিয়ানো শিখছিলেন দুই মাস ধরে। ভালো বাংলা বলতে পারতেন না, তাই বাংলা ভাষাটাও শিখছিলেন। নগরীতে বসবাসকারী যুক্তরাষ্ট্রের পিয়ানো বাদক জন থর্পের কাছে তিনি পিয়ানো শিখতেন।

থর্প জানান, মিষ্টি একটা মেয়ে ছিল রাউধা। পিয়ানের প্রতি আগ্রহ ছিল। বাংলা খুব একটা বলতে পারত না, তাই বাংলাও শিখছিল। ও যে এ ধরনের কিছু করতে পারে এমন কোনো ইঙ্গিতই পাননি।

এদিকে বুধবার পর্যন্ত তার ফেসবুক একাউন্টটি চালু ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার সেটি বন্ধ পাওয়ায় যায়। কেউ তার ফেসবুক একাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে এ নিয়ে রহস্য দেখা দিয়েছে। তাই নেপথ্যের কারণ উদঘাটনে সবদিক বিবেচনা করা হচ্ছে। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

Related posts