March 19, 2019

ভারত-আমেরিকা-জাপানের মোকাবিলায় চীনের ‘রকেট ফোর্স’

roket‘রকেট ফোর্স’ গঠন করে একযোগে ভারত, আমেরিকা ও জাপানকে চাপে রাখতে চাইল চীন৷ অন্তত ১০০০ কিলোমিটার পাল্লার অত্যাধুনিক ডিএফ-১৬ মিডিয়াম রেঞ্জ ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করল বেইজিং৷

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি, যারা যেকোনো আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রকে গোটা বিশ্বের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখাই পছন্দ করে, তারাই এবার একটি ভিডিও রিলিজ করে ফলাও করে সামরিক দক্ষতার কথা ঘোষণা করেছে৷ সেনাবাহিনীর যত ক্ষেপণাস্ত্র আছে, তাদের নিয়ে একটি সম্পূর্ণ নতুন ঘাতক বাহিনী তৈরি করেছে চীন, যাদের নাম দেয়া হয়েছে রকেট ফোর্স৷

চীনা সেনার ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, একাধিক লঞ্চ ভেহিক্যাল ওই ব্যালিস্টিক মিসাইলগুরোকে বহন করে নিয়ে যাচ্ছে৷ সঙ্গে চলেছে ওই বিশেষ রকেট ফোর্স৷ বোঝাই যাচ্ছে, যেকোনো মোবাইল লঞ্চার থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার প্রযুক্তিতে বেশ খানিকটা এগিয়ে গিয়েছে বেইজিং৷ আশঙ্কার বিষয় হলো, এই ক্ষেপণাস্ত্রে শুধু পরমাণু নয়, সঙ্গে রাসায়নিক অস্ত্রও বহন করছে ওই বাহিনী৷ অন্তত দু’টি নতুন ধরনের ডিএফ-১৬ মিডিয়াম রেঞ্জ ব্যালিস্টিক মিসাইল সাফল্যের সঙ্গে উৎক্ষেপণ করেছে বেইজিং৷ সূত্রের খবর, এই মিসাইলগুলো জাপান, আমেরিকা ও ভারতের ক্রমাগত আগ্রাসনের জবাব দিতেই বানানো হয়েছে৷

এর আগে এই মিসাইল কখনো প্রকাশ্যে আনেনি পিএলএ৷ কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ ও তাইওয়ানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের নতুন করে হৃদ্যতা তৈরি হওয়ায় বেজায় চটেছে বেইজিং৷ ভারতের সঙ্গে জাপানের যৌথ সামরিক অভিযানও মেনে নিতে পারছে না চীন৷ রুশ সীমান্তেও একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করে রেখেছে বেইজিং৷ রুশ মিডিয়ার দাবি, ওই ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানায় রয়েছে ওয়াশিংটন৷ দ্রুতই ট্রাম্পের সঙ্গে চীন সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা৷ সেক্ষেত্রে প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অভূতপূর্ব সামরিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা৷ এরকম পরিস্থিতি তৈরি হলে ক্ষয়ক্ষতির দিক থেকে এই যুদ্ধ অতীতের দুটি বিশ্বযুদ্ধকেও বহু গুণে ছাপিয়ে যাবে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে৷

Related posts