March 23, 2019

ভারতে আয়েশা আজিজের এক দুর্দান্ত রেকর্ড!

দিল্লি থেকেঃ  ছোটবেলায় যখন আকাশ দিয়ে এরোপ্লেন উড়ে যেত, তখন অদ্ভুত একটা অনুভূতি কাজ করত তার মধ্যে৷ মন চাইত চোখের পলকে আকাশটাকে নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে আসতে৷ সেই জমতে থাকা ইচ্ছেটা আকার পেল অবশেষে৷ মুম্বইনিবাসী বছর সতেরোর আয়েশা আজিজ আজ ভারতের সব থেকে কমবয়সী পাইলট৷ বম্বে ফ্লাইং ক্লাবের পক্ষ থেকে তার হাতে তুলে দেয়া হলো স্টুডেন্ট পাইলট লাইসেন্স বা ফ্লাইট রেডিও টেলিফোন অপারেটরস লাইসেন্স (এফআরটিওএল)৷জানা গেছে, সেনার 172R প্লেনটি ১০ ঘণ্টা একাই চালিয়েছে আয়েশা৷

মুম্বইয়ে থাকলেও জন্মস্থান কাশ্মীর সব সময়েই রয়েছে টিন-এজার আয়েশার অন্তরে৷ এ বছর মুম্বইয়ের ক্রাইস্ট চার্চ স্কুল থেকে নিজের পড়াশোনা শেষ করলেও, ২০১১ সালেই স্টুডেন্ট পাইলট লাইসেন্স পাওয়ার প্রথম পরীক্ষা দেন তিনি৷ তারপর দ্বিতীয় পরীক্ষায় তিনি সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হলেন বম্বে ফ্লাইং ক্লাব থেকে৷ এর আগে নাসা স্পেস অ্যাকাডেমিতে দু‘মাসের ট্রেনিং প্রোগ্রামে সুযোগ পেয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন সুদূর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামায়৷ নাসায় তার অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে আয়েশা বলেছেন, ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না সেই অভিজ্ঞতা৷ সেখানে তার সঙ্গে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসেরও দেখা হয়েছিল৷স্বপ্লগুলো সত্যি হওয়া শুরু হয়েছে সবে৷ তাকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে আগামী দিনে যে সে বিমানচালিকাই হবে, সেই কথা অকপটে জানিয়েছেন আয়েশা৷

জানা গেছে, আয়েশার বাবা লোখাণ্ডওয়ালার শিল্পপতি আবদুল আজিজছোটবেলায় যখন আকাশ দিয়ে এরোপ্লেন উড়ে যেত, তখন অদ্ভুত একটা অনুভূতি কাজ করত তার মধ্যে৷ মন চাইত চোখের পলকে আকাশটাকে নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে আসতে৷ সেই জমতে থাকা ইচ্ছেটা আকার পেল অবশেষে৷ মুম্বইনিবাসী বছর সতেরোর আয়েশা আজিজ আজ ভারতের সব থেকে কমবয়সী পাইলট৷ বম্বে ফ্লাইং ক্লাবের পক্ষ থেকে তার হাতে তুলে দেয়া হলো স্টুডেন্ট পাইলট লাইসেন্স বা ফ্লাইট রেডিও টেলিফোন অপারেটরস লাইসেন্স (এফআরটিওএল)৷জানা গেছে, সেনার 172R প্লেনটি ১০ ঘণ্টা একাই চালিয়েছে আয়েশা৷

মুম্বইয়ে থাকলেও জন্মস্থান কাশ্মীর সব সময়েই রয়েছে টিন-এজার আয়েশার অন্তরে৷ এ বছর মুম্বইয়ের ক্রাইস্ট চার্চ স্কুল থেকে নিজের পড়াশোনা শেষ করলেও, ২০১১ সালেই স্টুডেন্ট পাইলট লাইসেন্স পাওয়ার প্রথম পরীক্ষা দেন তিনি৷ তারপর দ্বিতীয় পরীক্ষায় তিনি সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হলেন বম্বে ফ্লাইং ক্লাব থেকে৷ এর আগে নাসা স্পেস অ্যাকাডেমিতে দু‘মাসের ট্রেনিং প্রোগ্রামে সুযোগ পেয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন সুদূর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামায়৷ নাসায় তার অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে আয়েশা বলেছেন, ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না সেই অভিজ্ঞতা৷ সেখানে তার সঙ্গে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসেরও দেখা হয়েছিল৷স্বপ্লগুলো সত্যি হওয়া শুরু হয়েছে সবে৷ তাকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে আগামী দিনে যে সে বিমানচালিকাই হবে, সেই কথা অকপটে জানিয়েছেন আয়েশা৷

জানা গেছে, আয়েশার বাবা লোখাণ্ডওয়ালার শিল্পপতি আবদুল আজিজ, মা খালিদা আজিজ কাশ্মীরের বারামুলার বাসিন্দা৷ আয়েষা জানিয়েছে, তার ইচ্ছা প্রথমে প্লেন চালিয়ে মক্কা যাওয়া, তার পর কাশ্মীরে৷

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন ডেরি/৭ মে ২০১৬

Related posts