September 20, 2018

বৃটেনে শেফ আনার সুযোগ দিতে সরকারের কাছে প্রস্তাব

লন্ডন: বৃটিশ বাংলাদেশী কারী ইন্ড্রাস্ট্রি রক্ষায় এবং সুনির্দিষ্ট পলিসির মাধ্যমে শেফ আনার সুযোগ প্রদানের প্রস্তাব দিয়ে বৃটিশ সরকারের কাছে ৭০ পৃষ্ঠার একটি ডকুম্যান্ট প্রদান করেছেন বৃটিশ কারী এওয়ার্ডের ফাউন্ডার এবং বৃটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট ইনাম আলী এমবিই।

প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেতাদেরও কাছে আলাদাভাবে তা জমা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ১ বা ২ বছরের জন্য শেফ হিসেবে ভিসা প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট রেস্টুরেন্টেই কাজ করা ও কোনো পাবলিক বেনিফিট না নেয়ার ভিত্তিতে একটি পলিসি প্রস্তাব করে কারী ইন্ড্রাস্ট্রি রক্ষার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান জানিয়েছেন তিনি। অর্থাৎ একটু কঠিন নিয়মের ভিত্তিতে হলেও শেফ আনার সুযোগ দিয়ে কারী ইন্ড্রাস্ট্রি রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন ইনাম আলী এমবিই।

তাঁর ৭০ পৃষ্ঠার ডক্যুান্ট নিয়ে ইতোমধ্যে মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় আলোচনা শুরু হয়েছে। বৃটিশ কারী এওয়ার্ডের ফাউন্ডার ও বৃটিশ বাংলাদেশ চেম্বারের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইনাম আলী জানান, প্রধানমন্ত্রী, হোম সেক্রেটারীসহ বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি প্রস্তাবটি পাঠিয়েছেন।

পত্রপত্রিকার তথ্যমতে গত ১৮ মাসে স্টাফ সংকটের কারণে প্রায় ৬শটি রেস্টুরেন্ট বন্ধ হয়ে গেছে। শেফ আনার সুযোগ দিলে সমস্যাটির আপাতত এ সমাধান হতে পাওে বলে মনে করেন তিনি।

এদিকে মেইনস্ট্রিম মিডিয়া কিছুটা আন্তরিকতা নিয়ে কারী ইন্ড্রাস্ট্রির সমস্যা তুলে ধরলেও –এর কমেন্ট পেজে-মন্তব্য লেখকরা বেশ চরম ভাবেই বাইরে থেকে শেফ বা লোক আনার বিরোধীতা করছেন। এ ক্ষেত্রে ততোটা সক্রিয় নয় কমিউনিটি। ইনাম আলী এমবিই মনে করেন, এক্ষেত্রে যে সব বাঙালী মূলধারার পত্রপত্রিকা নিয়মিত পড়েন, তারাও সেখানে গিয়ে শেফ আনার পক্ষে কমেন্ট লিখতে পারেন। একজন পাঠকের কমেন্টের মাধ্যমে হয়তো শেফ আনার ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধান্তে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

ইনাম আলী এমবিই আরো বলেন, স্টাফ সংকটে সবাই ভুগছেন এবং এ নিয়ে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন সংগঠন ক্যাম্পেইন করছে। যারাই ভুক্তভোগি তাদেরকে স্থানীয় এমপি বরাবরে অন্তত একটি চিঠি লেখার আহ্বান জানান তিনি। বৃটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের নয়া প্রেসিডেন্ট হিসেবে কিছু কিছু সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরুর কথাও বলেন ইনাম আলী এমবিই।

Related posts