December 11, 2018

বিড়ালের মালিকেরাই বেশি চৌকস হন!

54
বিড়াল বা কুকুর- পোষার জন্যে যে কোন একটা প্রাণী হলেই চলে। এতে আর আলাদা কি আছে? সাধারনত মানুষ এমনটাই ভেবে থাকলেও বাস্তবে কিন্তু বেশ খানিকটা পরিবর্তন আনে এ দুটি প্রাণী একজন মানুষের জীবনে, তার বুদ্ধিমত্তায়। না! এ কথা আমি বলছি না। বলছে গবেষকেরা। গবেষকদের মতে কুকুরের চাইতে যারা বিড়াল পুষে থাকেন, বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ তাদেরই বেশি (টাইম)। চলুন জেনে আসি কথাটির সত্যতা।!

সম্প্রতি গবেষকদের করা এক গবেষনায় জানা যায় যে কুকুর নয়, বিড়াল পোষেন যারা কেবল বুদ্ধিমত্তার দিক দিয়েই নয়, মোটমাট সবদিক দিয়েই বেশ চটপটে, উন্নত আর ভালো হন তারা। অনেকটা এগিয়ে থাকেন। একদিকে যেমন কুকুরকে ভালোবাসা মানুষেরা বাইরে যান বেশি, অনেক বেশি চঞ্চল এবং নিয়ম মেনে চলা প্রকৃতির হয়ে থাকেন, বিড়ালকে ভালোবাসা মানুষেরা নিয়ম ভাঙতে, খোলা আর উদার মনের হতে এবং নিজের ভেতরে লুকিয়ে থাকতেই পছন্দ করেন। আর অবশ্যই, বুদ্ধিমত্তার স্কোরের কথা না বললেই নয়!

সেদিক দিয়ে বিড়ালের পছন্দকারীরা এগিয়ে আছেন সবসময়েই। গবেষকেরা সম্প্রতি কলেজের ৬০০ জন শিক্ষার্থীদের ভেতরে এই গবেষণাটি চালান আর খুব স্বাভাবিকভাবেই কুকুরকে ভালোবাসা মানুষগুলোকে অনেক বেশি প্রাণবন্ত আর বিড়াল পছন্দকারীদের চাইতে আলাদা ভাবে খুঁজে পান (হাফিংটন পোস্ট)। তা পাবেন নাই বা কেন? এ দুটো প্রাণী আমাদের সবারই কম বেশি কাছের হলেও তাদের আচরণ, জীবনভঙ্গী সবটাই আলাদা। কুকুর ঘরের বাইরে যেতে পছন্দ করে। অন্যদিকে বিড়াল পছন্দ করে ঘরেই থাকতে। কুকুরেরা সঙ্গ দেয় প্রচুর। আর বিড়াল দেয় উষ্ণতা ও ভালোবাসার ছোঁয়া। আর উপরোক্ত কারণগুলোর ফলেই একজন কুকুরের মালিকের চাইতে একজন বিড়ালের মালিক যথেষ্ট আলাদা হয়ে থাকেন। সেটা ব্যাক্তিত্বের দিক দিয়েই হোক, কিংবা অন্যকোন দিক দিয়ে।

ক্যারোল ইউনিভার্সিটির করা এই গবেষণায় আরো জানা যায় যে, তুলনামূলকভাবে এই দুই শ্রেণির ভেতরে কুকুরের মালিকেরা যথেষ্ট বেশি পরিমাণে প্রাণশক্তিসম্পন্ন হয়ে থাকেন। তবে কেবল গবেষকেরাই নয়, এই গবেষনায় উঠে আসা উপরোক্ত ব্যাপারগুলোকে সমর্থন জানিয়েছেন মনোরোগবিশেষজ্ঞরাও (ডেইলি মেইল)। তাদের মতে, কি ধরনের প্রাণী পোষা হচ্ছে তার ওপরে ভিত্তি করে মানুষের আচরণ ও প্রকৃতি গড়ে ওঠে এবং বদল হয়।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি

Related posts