November 21, 2018

সন্তানের বরণ পোশনের দাবিতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ায় গৃহবধূকে নির্যাতন

Bisawanath Photo

মোঃ আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ ( সিলেট ) প্রতিনিধি  :: সিলেটের বিশ্বনাথে কন্যা সন্তানের বরণ পোশনের দাবি নিয়ে স্বামীর বাড়ি যাওয়ায় এক গৃহবধূ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্যাতিত ওই গৃহবধূ উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের পুরান সৎপুর গ্রামের মৃত মাতাব আলীর মেয়ে সুবেদা আক্তার (২৭)। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার বিকেলে একই গ্রামে তার স্বামীর বাড়িতে। খবর পেয়ে সন্ধ্যায় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বামীর বাড়ির রাস্তা থেকে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে চিকিৎস্যার জন্য স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। এঘটনায় গৃহবধু সুবেদা আক্তার বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুুতি নিচ্ছেন বলে জানাগেছে।

জানাযায়, ২০১৪ সালের ২৫ডিসেম্বর একই গ্রামের ডাঃ শফিকুর রহমান’র পুত্র সিদ্দিকুর রহমান মিলন (৩৫)এর সাথে প্রেমের সম্পর্কে ৩ লাখ টাকা দেন মোহরে বিয়ে হয়। বিয়েতে ছেলের পরিবারের লোকজন রাজি না থাকায় সুবেদা বেগম পিত্রালয়ে বসবাস করে আসছে। বিয়ের পর তাদের সংসারে সোহাগী আক্তার মীম নামের ফুটফুটে এক কন্যা সন্তান জন্ম নেয়।

তার বয়স ৭মাস। অবশেষে গত ১৫এপ্রিল সিদ্দিকুর রহমান মিলন নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে স্ত্রী সুবেদা আক্তার’কে তালাক সংক্রান্ত হলফনামা পাঠিয়ে দেন। কিন্তু তার দেন মোহর দেয়া হয়নি। এছাড়া একই তারিখে গ্রামের আব্দুল হান্নানের মেয়ে সালমা বেগম’কে সিদ্দিকুর রহমান মিলন দ্বিতীয় বিয়ে করে ঘরে তুলে নেয়। এতে তার প্রথম স্ত্রী সুবেদা আক্তার বাঁধা হয়ে দাড়ায়।

স্থনীয় লোকজনের মাধ্যমে বরণ পোশনের জন্য প্রতিমাসে ৪হাজার টাকা দেয়ার জন্য শিশু কন্যার পিতা মিলন’কে দায়িত্ব দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার কন্যা সন্তানের বরণ পোশনের প্রথম মাসের ৪হাজার টাকার দাবি নিয়ে স্বামীর ঘরে গেলে ওই গৃহবধূকে নির্যাতন করেন পরিবারের লোকজন। এমন অভিযোগ করেন গৃহবধূ সুবেদা আক্তার।

এব্যাপারে স্বামী সিদ্দিকুর রহমান মিলন বলেন, নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে তালাক সংক্রান্ত হলফনামা পাঠিয়ে দিলে এর কোনো জবাব দেয়নি স্ত্রী সুবেদা আক্তার।

তাই তিনি দেন মোহরের টাকাও দিতে পারছেন না। নির্যাতনের অভিযোগ সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন

Related posts