September 24, 2018

বিশ্বনাথে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা

30.09.17মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ:: বৃষ্টি উপেক্ষা করে ব্যাপক উৎসাহ আর উদ্দীপনার নদীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সারা দেশের ন্যায় সিলেটের বিশ্বনাথেও শেষ হয়েছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় আয়োজন শারদীয় দুর্গোসব।

শনিবার সকালে মণ্ডপে মণ্ডপে বিজয়া দশমী পূজা শুরু হয়। মণ্ডপগুলোতে চলে সিঁদুর খেলা আর আনন্দ উৎসব। হিন্দু সধবা নারীরা দেবীপ্রতিমায় সিঁদুর পরিয়ে দেন, নিজেরা একে অন্যকে সিঁদুর পরান। চলে মিষ্টিমুখ করানো, ছবি তোলা ও ঢাকের তালে তালে নাচ-গান।

বিকেলে উপজেলা পরিষদের সামনস্থ বাসিয়া নদীতে ‘বিশ্বনাথ সদর ও জানাইয়া সার্বজনীন পূজা মন্ডপের প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে প্রতিমা বিসর্জন কার্যক্রমের শুরু হয়। বিভিন্ন মণ্ডপ থেকে বিজয়া শোভাযাত্রার মাধ্যমে ট্রাকে করে প্রতিমাগুলোকে ঘাটে নিয়ে যাওয়া হয় নদীর তীরে। এরপর একে একে উপজেলায় অনুষ্ঠিত সবকটি মন্ডপের প্রতিমা বিসর্জন করা হয়। প্রতিমা বিসর্জন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বিশ্বনাথ উপজেলা সদরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়।

প্রতিমা বিসর্জনের সময় উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল হক, বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামসুদ্দোহা পিপিএম, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য নিশি কান্ত পাল, উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সমরেন্দ্র বৈদ্য সমর, উপজেলা পূজা উপযাপন পরিষদের সভাপতি অজিত কুমার পাল, সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত আচার্য্য, উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি শংকর দাশ শংকু, বিশ্বনাথ সদর সার্বজনীন পূজা মন্ডপের সভাপতি সুব্রত ধর বাপ্পী, সাধারণ সম্পাদক চন্দ দাশ, জানাইয়া সার্বজনীন পূজা মন্ডপের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর কান্তি দে পিংকু, উপজেলা ছাত্র-যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি কানু রঞ্জন দে প্রমুখ’সহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

এ বছর বিশ্বনাথ উপজেলায় ২৩টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্টিত হয়। এর মধ্যে সাবর্জনিন ২০টি ও ব্যক্তি উদ্যোগে মণ্ডপ ছিল ৩টি।

এদিকে, সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন হওয়ায় প্রশাসন, এলাকার সাবেক-বর্তমান জনপ্রতিনিধি’সহ সর্বস্তরের উপজেলাবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেছেন উপজেলা পূজা উপযাপন পরিষদের সভাপতি অজিত কুমার পাল ও সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত আচার্য্য।

Related posts