September 22, 2018

বিশ্বনাথে দোকান ঘরের বৈদ্যুতিক মিটার ভাংচুর : থানায় জিডি

1234বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা সদরের নতুন বাজারস্থ একটি দোকান ঘরের বৈদ্যুতিক মিটার গভীর রাতে ভাংচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় উপজেলার রাজনগর গ্রামের আব্দুল করিমের পুত্র আব্দুল মতিন বাদী হয়ে শনিবার (২৫ আগষ্ট) দুই জনকে অভিযুক্ত করে বিশ্বনাথ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন। ডায়েরী নং- ১৩১৮। অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার দক্ষিণ মিরেরচর-২ গ্রামের মৃত জবেদ আলীর পুত্র রফিক হাছান (৩৬) ও জানাইয়া গ্রামের কালাম মিয়ার পুত্র শামীম মিয়া (২৫)।

সাধারণ ডায়েরীতে বাদী আব্দুল মতিন উল্লেখ করেন, অভিযুক্তদের সাথে জায়গা সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে তার বিরোধ চলে আসছে। বিশ্বনাথ উপজেলা সদরের নতুন বাজারে মিরেরচর-১ গ্রামের মৃত আছদ্দর আলীর পুত্র শাহ কামাল (বাদীর মামা) মালিকানাধিন দুই তলা বিশিষ্ট পাকা দালান ঘরের নীচ তলায় জনতা রেষ্টুরেন্ট নামক তার (মতিন) একটি দোকান রয়েছে। দালান ঘরের ২য় তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে একটি পরিবার বসবাস করছে। শাহ কামালের মালিকানাধিন দালান ঘরটি জোরপূর্বক দখলের পায়তারা করে আসছেন বিবাদীরা। আব্দুল মতিনের পারিবারিক সমস্যা থাকায় বিগত রমজান মাসের পর থেকে জনতা রেষ্টুরেন্ট নামক দোকান ঘরটি বন্ধ রয়েছে। গত ২৩ আগষ্ট দিবাগত রাতে দালান ঘরের ২য় তলায় ভাড়াটিয়া পরিবারের লোকজন ঘুমিয়ে পড়লে রাত আনুমানিক ০৩:৫৩ মিনিটে বিবাদীগণ দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে দোকান ঘরের সামনে ঘুরাফিরা করতে থাকেন। এরই কিছুক্ষন পর ২য় তলার ভাড়াটিয়া পরিবারের রুমের বিদ্যুৎ চলে যায়। এসময় দোকান ঘরের বৈদ্যুতিক মিটার ভেঙ্গে ফেলার শব্দ পেয়ে তাৎক্ষণিক ভাড়াটিয়া জমির আলী বাসা থেকে বের হয়ে দেখতে পান তিনজন লোক বৈদ্যুতিক মিটার ভাংচুর করছে। এসময় তিনি চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে ভাংচুরকারীরা একটি মোটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যায়। বাদী আব্দুল মতিনের ধারণা, উল্লেখিত বিবাদীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বৈদ্যুতিক মিটারটি ভাংচুর করেছেন বলে জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন।

আনিত অভিযোগ সঠিক নয় দাবি করে অভিযুক্ত রফিক হাছান বলেন, ওই দোকান ঘরের মালিকানা নিয়ে শাহ কামাল-আব্দুল মতিন গংদের সাথে আমার বিরোধ রয়েছে। বিরোধপূর্ণ দোকান ঘরে অবৈধভাবে লাগানো বিদ্যুৎ সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করতে যেহেতু পল্লী বিদ্যুৎ এর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে লিখিত নির্দেশনা রয়েছে, সেহেতু আমি মিটার ভাংচুরের প্রশ্নই আসে না। তারা (মতিন গংরা) নিজেরা মিটারটি ভেঙ্গে আমাদেরকে ফাঁসানোর চেষ্ঠা করছে।

সাধারণ ডায়েরীর সত্যতা স্বীকার করে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Related posts