April 21, 2019

বিশ্বজিৎ হত্যা: হাইকোর্টে শুনানির জন্য প্রস্তুত পেপারবুক

biswajit-killing_39942_1487491684

ডেস্ক: বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টে পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে।

রোববার হাইকোর্টের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) সাব্বির ফয়েজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির নির্দেশে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন এই মামলার ডেথরেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি হাইকোর্টে একটি বেঞ্চ গঠন করবেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর আলোচিত দর্জি দোকানী বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবিএম নিজামুল হক এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার ডেথরেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এদিকে, নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল করেন।

মৃতুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রফিকুল ইসলাম শাকিল, মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন, সাইফুল ইসলাম, কাইয়ুম মিঞা টিপু, রাজন তালুকদার এবং মীর মো. নূরে আলম লিমন।

এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- এএইচএম কিবরিয়া, ইউনুস আলী, তারিক বিন জোহর তমাল, গোলাম মোস্তফা, আলাউদ্দিন, ওবায়দুর কাদের তাহসিন, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল-আমিন, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, মোশাররফ হোসেন ও কামরুল হাসান।

এছাড়া তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রলীগ ক্যাডাররা ছাত্রশিবির কর্মী ভেবে নির্মমভাবে খুন করেন দর্জি দোকানী বিশ্বজিৎ দাসকে। তিনি থাকতেন লক্ষ্মীবাজার। গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর।

বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ছাত্রলীগের ২১ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ২১ আসামির মধ্যে ৮ জন কারাবন্দী আর বাকিরা পলাতক রয়েছেন।

Related posts