September 21, 2018

বিশ্বজিৎ হত্যা: আপিল শুনানির জন‌্য পেপারবুক প্রস্তুত

hপুরান ঢাকার দর্জি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় আসামিদের মৃত‌্যুদণ্ডের অনুমোদন অর্থাৎ ডেথ রেফারেন্স তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আপিল শুনানির জন্য পেপারবুকও তৈরি হয়েছে।

রোববার হাই কোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) মো. সাব্বির ফয়েজ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘পেপারবুক প্রস্তুত। নিয়ম অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি এখন ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ ঠিক করে দেবেন।’

নিয়মানুযায়ী, এখন প্রধান বিচারপতি এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেয়ার পর তা শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে পাঠানো হবে।

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের অবরোধের মধ্যে পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের কাছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একটি মিছিল থেকে কুপিয়ে বিশ্বজিৎকে হত্যা করা হয়। আসামিরা সবাই ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী সংগঠনের কর্মী হওয়ায় সরকারও বিরোধীদলের তুমুল সমালোচনার মুখে পড়ে।

পরে ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর এই মামলায় ২১ আসামির মধ্যে আট জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন নিন্ম আদালত। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক এ বি এম নিজামুল হক এই রায় ঘোষণা করেন।

ফাঁসির আদেশ পাওয়া আট আসামি:
রফিকুল ইসলাম শাকিল, মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন, সাইফুল ইসলাম, কাইয়ুম মিঞা, রাজন তালুকদার ও মীর নূরে আলম লিমন। এদের মধ্যে রাজন ও লিমন পলাতক রয়েছেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডেরর ১৩ আসামি:
গোলাম মোস্তফা, এ এইচ এম কিবরিয়া, ইউনুস আলী, তারিক বিন জোহর তমাল, আলাউদ্দিন, ওবায়দুর কাদের তাহসিন, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল-আমিন, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, কামরুল হাসান ও মোশাররফ হোসেন।

ওই রায়ের এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা।

Related posts