November 19, 2018

বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে দুই শতাধীক শিশু চাঁদপুর হাসপাতালে ভর্তি

OOএ কে আজাদ,চাঁদপুর : আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে-সাথে প্রচন্ড গরম, লাগাতার বৃস্টি-পাতের ফলে ভ্যাপসা গরম প্রভাহিত হওয়ায় শিশুরা বিভিন্ন রোগে মারাত্বক ভাবে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। যার কারনে শিশুরা অতিরিক্ত জ্বর, ভাইরাল ফিভার,কাশি, ঠান্ডা,নিমুনিয়া,কনর্ভানশান(খিচুনি)ও টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। গত ৮দিনে ৪শ”৪৩ শিশু বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। এদের মধ্যে শনিবার ১৫ জুলাই পর্যন্ত ২শ ১ জন শিশু রোগী হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে শনিবার বিকেলে ও শুক্রবার রাত ৯টা পর্যন্ত ২৭ শিশু রোগী সুস্থ্য হয়ে ছুটি নিয়ে বাড়ি চলে গেছে,৬ শিশুর অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে ঢাকায় প্রেরন করা হয়েছে, চিকিৎসার উন্নতি না হওয়ায় ৪ শিশু রোগী চিকিৎসা না নিয়েই তাদের অভিভাবকরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে শিশুকে নিয়ে অন্যত্র নিয়ে গেছে বলে জানান,সেবীকা মুক্তি রানী। চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে জেলা ছাড়াও রায়পুর, লক্ষীপুর ও শরীয়তপুর জেলা থেকে অনেক রোগী এসে চিকিৎসা নিচ্ছে। ১৫ জুলাই বিকেলে জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে সেবীকাদের সাথে আলাপ কালে তারা জানান, অধিকাংশ শিশুই অতিরিক্ত জ্বর, ভাইরাল ফিভার,কাশি,নিমুনিয়া, ডাইরিয়া,লোটাভাইরাস, বমি, পাতলা পায়খানা, কনর্ভানশান(খিচুনি) রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। শিশু রোগীর বেডের চাইতে ৪গুন বেশী শিশু ভর্তি হওয়ায় একই বেডে ২জন, ফেøারে ও মেঝেতে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। এ হাসপাতালে শিশু রোগীর বেড রয়েছে ৫৮টি। কিন্তু শনিবার পর্যন্ত রোগী ভর্তি রয়েছে ২শ’ ১ জন। এদের বয়স ১ মাস থেকে ৮/১০ মাস পর্যন্ত । শিশু রোগী ভতির্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন,হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে দায়িত্বে থাকা সিনিয়ার সেবিকা মুক্তি রানী। তিনি আরো বলেন, হাসপাতাল থেকে সব ঔষধ দেওয়া হয়। বিশেষ প্রয়োজনে কিছু কিছু ঔষধ কিনতে হয় বাহির থেকে। এ সময় রোগীর সাথে থাকা অভিভাবকরা অভিযোগ করে জানান,হাসপাতাল থেকে আক্রান্ত শিশু রোগীদেরকে প্রয়োজনীয় ঔষধ দেওয়া হচ্ছে না। তারা বাহির থেকে সব ঔষধ ক্রয় কওে আনতে হচ্ছে। চাঁদপুর শহর, জেলার বিভিন্ন স্থান ও পাশর্^বতী রায়পুর,রামগঞ্জ ও শরীয়তপুর জেলা থেকে রোগীরা চাঁদপুর আসে চিকিৎসার জন্য। চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তৃতীয় তলার শিশু বিভাগে খবর নিয়ে জানাযায়, শনিবার ৪৬জন, শুক্রবার ৮৯,বৃহস্পতিবার ৭২,বুধবার ৭৫,মঙ্গলবার ৬২,সোমবার ৩৫,রবিবার ৩২, শিশু রোগী ভর্তি হয়। আবাসিক অফিসার (আর এম ও ) ডাঃ মো: আসিবুল আহসান চৌধুরী(আসিব)এর সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, এখন অত্যাধিক গরমের কারনে শিশুরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। গরমের কারনে মায়েরা ফ্যানের বাতাস পাওয়ার জন্য বেশী জোরে ফ্যান চালান,যার ফলে শিশুর ঘাম শুকিয়ে শিশুরা বেশী আক্রান্ত হচ্ছে। এ ছাড়া অতি গড়মে শিশুদের খাওয়া নস্ট হয়ে যায়। সেই খাবার খেয়ে শিশুরা আক্রান্ত হয়। তবে তিনি এও জানান,আগামী ১মাস পর শিশুদের এ রোগ কমে যাবে। চাঁদপুর সদর হাসপাতালে প্রচুর ঔষধ সরবরাহ আছে। এ সব ঔষধ যেমন ইনজেকশান শিশুদের দিলে তড়িৎ রেজাল্ট পাওয়া যাবে। মায়েরা তা দিতে চায় না। আমাদের ও খারাপ লাগে শিশুকে ইনজেকশান পুশ করতে। যার ফলে বাহির থেকে ঔষধ ক্রয় করে এনে বিভিন্ন এনটি ভাইটিক,যা হাসপাতালে সরবরাহ নাই। কি ভাবে আক্রান্ত শিশুদের ভাল চিকিৎসা দেওয়া যায় সেই চেস্টা অব্যহত রয়েছে হাসপাতালের চিকিৎসকদের।

Related posts