November 15, 2018

বিবিসিসিআইয়ের নেটওয়ার্কিং ইভেন্টে দুবাইস্থ আল হারামাইনের চেয়ারম্যান

নাজমুল হোসেন, লন্ডনঃ বৃটেনের বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাষ্ট্রির নিয়মিত নেটওয়ার্কিং ইভেন্টে এবারের অতিথি ছিলেন আরব আমিরাতের বিশ্ব খ্যাত পারফিউম কোম্পানী আল হারামাইনের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান (নাছির)। ( ২ টি ভিডিও যুক্ত )

গত ৩১শে জানুয়ারী মঙ্গলবার দুপুরে পূর্ব লন্ডনস্থ বিবিসিসিআইয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এ সভায় সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন বিবিসিসিআইয়ের লন্ডন রিজিওনের প্রেসিডেন্ট বশির আহমেদ।

ভিডিওঃ ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাষ্ট্রির নেটওয়ার্কিং ইভেন্টে মহিলা উদ্যোক্তার বক্তব্য

ইন্টারন্যাশনাল এফেয়ার্স ডিরেক্টর আবুল হায়াত নুরুজ্জামানের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু এ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বর্তমান সিনিয়র উপদেষ্টা শাহগীর বখত ফারুক, সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বর্তমান সিনিয়র উপদেষ্টা এস বি ফারুক, ডাইরেক্টর জেনারেল সাইদুর রহমান রেনু, কমিউনিটি এ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর ডঃ সানাওয়ার চৌধুরী, নর্থ- ইস্ট রিজিওনের প্রেসিডেন্ট মাহতাব মিয়া, ডিরেক্টর শফিকুল ইসলাম, ও এন টিভি- ইউরোপের সিইও সাবরিনা হোসেন।

এতে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত আমন্ত্রিত সম্মানিত অতিথি ও উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক, আইনজীবী, ও ব্যবসায়ী ছাড়াও বিভিন্ন পেশাজীবী ও কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান সারা বিশ্বের সেরা পারফিউম ব্যবসায়ীদের  অন্যতম। তিনি ১৯৫৮ সালে বাংলাদেশের সিলেটে জন্ম গ্রহন করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে আল হারামাইনের চেয়ারম্যান জনাব  নাছিরের ক্রমান্বয়ে একজন সেরা পারফিউম ব্যবসায়ী হওয়ার গল্প সম্বলিত বক্তব্য সকলকে মোহিত করে। তিনি বলেন, ১৯৭০ সালে তাঁর বাবা সউদী আরবের মক্কা নগরীতে এ ব্যবসায়ের গোঁড়া পত্তন ঘটান, এর পর তিনি দুবাইয়ে প্রথম শাখা খুলেন এবং ক্রমান্বয়ে বিশ্বের ৮৫ টি দেশে ব্যবসা প্রসারিত করেন। আর তাঁর ছেলে বর্তমানে ১৬৫ দেশে ব্যবসার প্রসার ঘটিয়েছেন।

তাঁর বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, এখন মধ্যপ্রাচ্যে বিনিয়োগের চেয়ে ইউকেতে বা বাংলাদেশে বিনিয়োগ বেশী লাভজনক। কারন পাউন্ডের দরপতনের ফলে বাহিরের দেশ থেকে পুঁজি আনলে এখানে পুঁজির পরিমাণ বাড়বে। আর এখনে ক্রমান্বয়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাওয়া যায়। অপর দিকে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ লাভ করা যায় না,  ৬৫ বছর বয়সে নিজের দেশে ফিরে যেতে হয়।

বিভিন্ন বক্তাদের বক্তব্য থেকে জানা গেছে তাঁর বাংলাদেশে অর্থ লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসা সেবায় বিনিয়োগের কথা যা সকল আগ্রহী করে তোলে।

এছাড়াও বক্তারা তাঁর বাংলাদেশ ও মধ্যপ্রাচ্যের সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য ভুয়সী প্রসংসা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে উদ্ভুদ্ধ করে তোলে তা অনুসরনের।

ফাইনেন্স ডিরেক্টর মনির আহমেদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি হয়।

ভিডিওঃ আল হারামাইনের চেয়ারম্যান জনাব  নাছিরের বক্তব্য 

Related posts