September 19, 2018

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

ঢাকা ব্যুরো: সাম্য-মানবতা ও প্রেমের কবি, বিদ্রোহী কবি, মুসলিম বাংলার জাগরণের কবি, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪০ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। জাতীয় জাগরণের রূপকার নজরুল বাংলা সাহিত্যের হাজার বছরের ইতিহাসে এক ব্যতিক্রমোজ্জ্বল প্রতিভা। শিল্পী জীবনের সীমিত পরিসরে নজরুলের বহুমুখী প্রতিভার মূল্যায়ন এখনো সময়সাপেক্ষ। অবিভক্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে তার জন্ম ১৮৯৯ সালে। ১৯৭৬ সালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তৎকালীন পিজি হাসপাতালের (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) ১১৭ নম্বর কেবিনে ইন্তেকাল করেন তিনি। সেদিন ছিল বাংলা ১২ ভাদ্র। মৃত্যুর পর তার ইচ্ছা অনুযায়ী মসজিদের পাশেই তাকে দাফন করা হয়। কবি নজরুল ৪৩ বছর বয়স পর্যন্ত লিখেছেন দু’হাতে। তার স্বল্প পরিসর সাহিত্য জীবনে লিখেছেন অসংখ্য কাব্যগ্রন্থ, গল্পগ্রন্থ, উপন্যাস, প্রবন্ধ, সঙ্গীত, নাটক-নাটিকা, কিশোর কাব্য, কাব্যানুবাদ, কিশোর নাটিকা প্রভৃতি। তিনি রচনা করেছেন চার হাজারেরও অধিক গান, যা নজরুল সঙ্গীত পরিচিত। তার গান ছাড়া এখন যেন ঈদের আনন্দই পূর্ণতা পায় না। জীবনের মধ্যপথে তেজদ্দীপ্ত কবি অকস্মাৎ নির্বাক হয়ে যান। চিরতরে মূক হয়ে পড়েন গানের পাখি। সময়টা ১৯৪২ সালের শেষার্ধ। অসুস্থ কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭২ সালের ২৪ মে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে তাকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ প্রদান করা হয়। ১৯৭৬ সালে কবি ভূষিত হন একুশে পদকে।

Related posts