December 17, 2018

“বিউটিফুল টেকনাফ” এখন পর্যটন মন্ত্রীর হাতে

মুহাম্মদ কাশেম: দেশের সর্ব দক্ষিণ সীমান্ত পর্যটন শহর টেকনাফের পর্যটন শিল্পকে বিশ্ব ব্যপী ব্যপক প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে “বিউটিফুল টেকনাফ” নামক একটি অসাধারন ডকুমেন্টারি তৈরী করা হয়েছে। ২ জানুয়ারী বাংলাদেশ বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী রাশেদ খান মেননের হাতে তুলে দেন মোঃ মুজিবুর রহমান রানা ।(ভিজিট বাংলাদেশ ২০১৬) “বিউটিফুল টেকনাফ” নামক ডকুমেন্টারিটি বর্তমানে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। ২১ মিনিটের ডকুমেন্টারিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ কে পর্যটন বর্ষ ঘোষণা করায় তা বাস্তবায়নে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতি টেকনাফ-সেন্টমার্টিনের ইতিহাস, ঐতিহ্য, প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য তোলে ধরা হয়েছে। ২১ মিনিটের ডকুমেন্টারিটি দেখলে টেকনাফ-সেন্টমার্টিনের বিনোদন স্পট, যাতায়ত, আবাসন ও কেনাকাটার প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে। একজন পর্যটকের জন্য গাইড বোক হিসাবেও কাজ করবে এ ডকুমেন্টারি।

“বিউটিফুল টেকনাফ” নামক অসাধারন ডকুমেন্টারিটি তৈরী করেন সিরাজগঞ্জ জেলার কাঁদাই গ্রামের মোঃ বাবলু শেখ এর সন্তান মোঃ মুজিবুর রহমান রানা।

একটি এন জি ও তে ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে চাকরীর সুবাদে ২০১০ সালে টেকনাফে আসেন মোঃ মুজিবুর রহমান রানা। এরপর ২০১২ সালে আই.টি এক্সপার্ট হিসেবে টেকনাফ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা , উপজেলা ই-সেবা কেন্দ্রে নিয়োগ দেন।

তিনি স্থানীয় জনসাধারনকে কম্পিউটার ট্রেইনিংসহ বিভিন্নভাবে আই.টি সেবা প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশের সেবা সমূহ সীমন্ত শহর টেকনাফে পৌছে দিয়ে আসছে। এছাড়া তিনি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ইনফো সরকার প্রকল্পের অধীনে উপজেলা আই.সি.টি টেকনেশিয়ান হিসেবে কর্মরত।

টেকনাফে ডিজিটাল মেলা, ইন্টারনেট মেলা, উন্নয়ন মেলাসহ উপজেলা প্রশাসনের নানান কার্যক্রমে অসামান্য কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে।

ইতিপূর্বে টেকনাফ উপজেলার উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিয়ে চমৎকার সচিত্র প্রতিবেদন “উন্নয়ন ও সৌন্দর্যের সম্ভানায় টেকনাফ” তৈরী করে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি।

এব্যাপারে মুজিবুর রহমান রানার সাথে যোগাযোগ করা হলে “তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক মহোদয়ের অনুপ্রেরনায় ও টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার শফিউল আলম স্যার এর একটি বাক্য “টেকনাফকে দূর্নামে নয়, পর্যটন নগরী হিসেবে চিনাতে চাই এ কথায় আমি আরো বেশী উৎসাহিত হয়। মুজিবুর রহমান রানা দুঃখ করে আরো বলেন সর্ম্পূন নিজ উদ্যোগে আর্থিক সংকট মোকাবেলা করেও কাজ শেষ করার আপ্রাণ চেষ্ঠা করেছি। সংশ্লিষ্ট মহল থেকে উৎসাহ,সহযোগিতা ও উন্নত প্রশিক্ষণের সোযুগ পেলে শুধু টেকনাফ নয় সারা দেশ নিয়ে আরো ভালো কিছু করতে সক্ষম হব।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/মেহেদি/ডেরি

Related posts