September 22, 2018

বান্দরবানে বন্যা, বিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ

Captureঢাকা::

বান্দরবানে রবিবার থেকে টানা বর্ষনে সাংঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ও বাস ভবন, লামা থানা, প্রাণী সম্পদ অফিসসহ প্রায় সব সরকারি বেসরকারি অফিস ও তিন হাজারেরও অধিক পরিবার।

লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিসেস খিং ওয়ান নু জানান, বন্যার কারণে আশ্রয় কেন্দ্র মানুষের মাঝে শুকনো খাবার ও খিঁচুড়ী বিতরণ করা হয়েছে এবং ত্রাণ সহায়তা প্রদানের প্রস্তুতি চলছে।

বন্যা ও পাহাড় ধ্বসের কারনে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে লামা-আলীকদম সড়ক, বান্দরবান- রাঙামাটি সড়ক, এবং বান্দরবান-রুমা সড়কে।

অন্যদিকে তিন সপ্তাহেরও কম সময়ে দ্বিতীয় বারের মত প্লাবিত হয়েছে বান্দরবান শহরের নিম্নাঞ্চল। পাহাড় ধ্বসে প্রাণহানি ঠেকাতে জেলা প্রশাসন ও বান্দরবান পৌরসভা সতর্কতামূলক অবস্থান নিয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে গতকাল থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দিদারে আলম মুহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী জানান, লামায় খিঁচুড়ী বিতরণ করা হচ্ছে, জেলা প্রশাসক  মহোদয় লামার পথে রয়েছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ক্যাশ টাকা বিতরণ করবেন। সাত উপজেলায় ৩৫ মে.টন জি.আর চাউল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বান্দরবান শহরে আশ্রয় কেন্দ্রে যারা আশ্রয় নিয়েছেন তাদের মাঝেও খাবার বিতরণ করা হবে।

Related posts