September 21, 2018

বাংলাদেশে বিচার বহির্ভূত হত্যা নির্যাতন মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গুমের প্রতিবাদে লন্ডনে মানববন্ধন। 

 IMG-20170130-WA0003
মুহাম্মদ নূরে আলম বরষণ লন্ডন থেকে ।
বাংলাদেশে বিচার বহির্ভূত হত্যা নির্যাতন মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গুমের প্রতিবাদে গতকাল সোমবার বিকেলে ৩০ জানুয়ারি ২০১৭, পূর্ব লন্ডনের আলতাফ আলী পার্কে অবস্হিত
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে জাস্টিস ফর বাংলাদেশ ইউকের উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে সাবেক ছাত্রনেতা এডভোকেট মোহাম্মদ মহিব্বুল্লাহর সভাপতিত্বে ও মানবাধিকার সংগঠক  ফরিদুল ইসলামের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট  সাংবাদিক মাহবুব আলী খানশুর, সাংবাদিক নূরে  আলম বরষণ, বিএনপি নেতা মাওলানা শামিম আহম্মেদ, সাবেক ছাত্রনেতা শহিদুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা হাবীবুর রহমান, মাহমুদ আহমদ, আইনজীবি ডলার বিশ্বাস, নুর হোসাইন, মুহম্মদ আদিল মিয়া, কমিউনিটি নেতা নুর বক্স, সাংবাদিক মাহিতুর রহমান বাবলু,এডভোকেট আলী আকবর কাদের, মানবাধিকার কর্মী মনিরুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা মো: মতিয়ার রহমান, মাওলানা নাছির উদ্দিন,গরিব হোসাইন, আরশাদ আলি টিপু, মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন,আবুল কাশেম,
কমিউনিটি নেতা হাবীবুর রহমান প্রমুখ।
বিশিষ্ট  সাংবাদিক মাহবুব আলী খানশুর বলেন, আজকে বাংলাদেশের অবস্থা এমন যে, ঘরে থাকলে খুন আর বাহিরে গেলে গুম।দেশটি এখন খুন আর গুমের রাজ্যে পরিনত হয়েছে।এ অবৈধ শেখ হাছিনা ও তার অনির্বাচিত সরকার জোর করে ক্ষমতায় বসে মানুষের ভোটের অধিকার হরন করেছে। আজকে বাংলাদেশে গনতন্ত্র,আইনের শাসন ও মানবাধিকার শুন্যের কোটায় অবস্থান  করছে। দেশে এমন কোন জনপদ নেই যেখানে মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারে।
IMG-20170130-WA0005
আজমী, ইলিয়াস, হুম্মাম ও আরমানকে ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে সাংবাদিক নূরে  আলম বরষণ বলেন, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযমের বড় ছেলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) আমান আজমী, বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস হোসাইন , সাবেক মন্ত্রী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হুম্মাম কাদের চৌধুরী , দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাশেম আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আরমানসহ সকল বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের অবিলম্বে ফিরিয়ে দিতে হবে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামন্যাস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউমেন রাইটস ওয়াচসহ বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠন আজমী, ইলিয়াস , হুম্মাম ও আরমানের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও বাংলাদেশের অবৈধ সরকার তাদের বিষয়ে কোন কথা বলছে না । এথেকে প্রতীয়মান হয়, বিরোধী রাজনৈতিক মতকে অন্যায় ভাবে দমন করতেই তাদের গুম করে রেখেছে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সরকার।
মানবাধিকার সংগঠক  ফরিদুল ইসলাম বলেন,
সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে শেখ মুজিব  নিজেকে আজীবন রাষ্ট্রপতি ঘোষনা করেন। তেমনি শেখ হাসিনা ভোটার বিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে নব্য বাকশালী শাসন চালাচ্ছে। শেখ হাসিনাও বঙ্গবন্ধুর মতো এক দলীয় সরকার কায়েম করে দেশের নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগের পূর্ণ ক্ষমতা কুক্ষিগত করে নিজেকে এক মহা অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতাধরে পরিণত করেন।
সাবেক ছাত্রনেতা এডভোকেট মোহাম্মদ মহিব্বুল্লাহর সভাপতির বক্তব্যে বলনে, বাকশাল কায়েমের মধ্য দিয়ে বাক স্বাধীনতা, সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে হরণ করা হয়। শেখ মুজিব মুখের কথাই তখন দেশের আইনে পরিণত হতো তেমনি শেখ হাসিনাও নিজের ইচ্ছে মতো স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ চালাচ্ছে।
দেশে এখন বস্তুত একদলীয় শাসন কায়েমের মাধ্যমে মানুষের সব মৌলিক রাজনৈতিক অধিকার অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।
বক্তারা বলেন, আজকে বাংলাদেশের অবস্থা এমন যে, ঘরে থাকলে খুন আর বাহিরে গেলে গুম। দেশটি এখন খুন আর গুমের রাজ্যে পরিনত হয়েছে। এ অবৈধ শেখ হাছিনা ও তার অনির্বাচিত সরকার জোর করে ক্ষমতায় বসে মানুষের ভোটের অধিকার হরন করেছে।আজকে বাংলাদেশে গনতন্ত্র,আইনের শাসন ও মানবাধিকার শুন্যের কোটায় অবস্ছান করছে। দেশে এমন কোন জনপদ নেই যেখানে মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারে।

Related posts